ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা Logo ডাক অধিদপ্তরের সব কার্যালয় ও ডাকঘর এখন তামাকমুক্ত Logo জেন-জি ভাষা: ভারতের সংসদে ভাইরাল ট্রেন্ডের চমকপ্রদ ব্যবহার ২০২৬ Logo Claude চ্যাট প্রাইভেসি: কীভাবে ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখবেন Logo ফিফার নতুন বিনিয়োগ পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, সদস্যদের ৪ কোটি ডলারের প্রস্তাব Logo প্রাচীন মানুষের পদচিহ্নে মিলল ১৪ লাখ বছরের পুরোনো নতুন তথ্য Logo জাপানের জনসংখ্যা ১২ কোটির নিচে: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে জন্মহার সংকট Logo জরুরি আপডেট: গভীর নিম্নচাপ দুর্বল, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল Logo সেদ্ধ ডিম নাকি ভাজি, ওজন কমাতে কোনটি বেশি কার্যকর? Logo চন্দনাইশে দুর্গাপূজা ২০২৬: মন্দিরের তালিকা উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রদান

মরক্কোর বিপক্ষে ভুল একাদশ নিয়ে খেলেছে ব্রাজিল!

ভুল একাদশ নিয়ে মরক্কোর বিপক্ষে খেলেছে ব্রাজিল!

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন হতাশাজনক শুরুর পর দলের পারফরম্যান্স ও একাদশ নির্বাচন নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফেলিপে মেলো। তার মতে, ম্যাচের শুরু থেকেই ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে সেলেসাওদের।

ব্রাজিলের ড্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে স্পোর্টভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সেলেসাও কোপা’-তে মেলো সরাসরি কোচ কার্লো আনচেলত্তির দিকে আঙুল তোলেন। তিনি মনে করেন, মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামানো প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি ভুল ছিল এবং সেই ভুলের প্রভাব পুরো ম্যাচেই দেখা গেছে।

বিশেষ করে রক্ষণভাগে ইবানেজকে রাইট ব্যাক হিসেবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন মেলো। তার মতে, স্বাভাবিক অবস্থায় সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলা একজন ফুটবলারকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হঠাৎ ফুলব্যাকের ভূমিকায় নামানো বড় ঝুঁকি ছিল।

মেলো বলেন, আনচেলত্তি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ও সম্মানিত কোচ হলেও এই সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করা যায় না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রাজিল ভুল একাদশ নিয়ে ম্যাচ শুরু করেছে এবং ইবানেজের স্টার্টিং লাইনআপে থাকা উচিত ছিল না।

সাবেক এই মিডফিল্ডারের মতে, ইবানেজ একজন ভালো ফুটবলার হলেও তার স্বাভাবিক পজিশন ফুলব্যাক নয়। ফলে ম্যাচের শুরুতে তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। মেলোর দাবি, ইবানেজ মাঠ ছাড়ার পরই ব্রাজিলের খেলায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ বারবার অগোছালো দেখিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং সৃজনশীল পাসের সামনে সেলেসাওদের ডিফেন্স অনেক সময়ই অসহায় ছিল। এটি ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

তবে সমালোচনার মাঝেও ব্রাজিলের কিছু ইতিবাচক দিক তুলে ধরেছেন মেলো। তার মতে, দলের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন এই তারকা উইঙ্গার এবং ব্রাজিলের একমাত্র গোলটিও এসেছে তার পা থেকে।

ভিনিসিয়ুসের প্রশংসা করে মেলো বলেন, ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন তিনিই। কিন্তু একজন ফুটবলারের ভালো পারফরম্যান্স পুরো দলের দুর্বলতা ঢেকে রাখতে পারে না। দলগতভাবে ব্রাজিলের খেলা প্রত্যাশার ধারেকাছেও ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মরক্কোর পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেছেন সাবেক এই তারকা। তার মতে, ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ে মরক্কোই বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। রক্ষণ, মাঝমাঠ এবং আক্রমণের সমন্বয়ে আফ্রিকার দলটি ব্রাজিলকে বেশ চাপে রেখেছিল।

বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন মেলো। তবে তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ড্র ব্রাজিলের জন্য খারাপ ফল নয়। কারণ ম্যাচের চিত্র অনুযায়ী মরক্কো অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল।

তবুও ব্রাজিলের সামগ্রিক মান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। একজন সমর্থক হিসেবে দলের কাছ থেকে অনেক বেশি কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন বলে জানান মেলো। তার মতে, বর্তমান পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী ধাপে ভালো কিছু করা কঠিন হবে।

আগামী ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচ থেকেই দলের মানসিকতা ও খেলার ধরনে পরিবর্তন দেখতে চান মেলো। তিনি মনে করেন, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলাই ব্রাজিলের ঐতিহ্য।

মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি। মেলোর ভাষ্য অনুযায়ী, মরক্কোর আক্রমণের সময় ব্রাজিলের কয়েকজন মিডফিল্ডার শুধু দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ফলে প্রতিপক্ষ সহজেই জায়গা তৈরি করে বিপজ্জনক আক্রমণ গড়ে তুলতে পেরেছে।

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো পাসেই যদি পুরো রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে, তাহলে সেটা বড় দলের লক্ষণ নয়। ব্রাজিলের মতো ঐতিহ্যবাহী দলের কাছ থেকে এমন দুর্বলতা আশা করা যায় না। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মঞ্চে এ ধরনের ভুলের মূল্য অনেক বড় হতে পারে।

মেলোর বিশ্বাস, বর্তমান স্কোয়াডে আরও ভালো ফুটবল খেলার সামর্থ্য রয়েছে। দলে প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের অভাব নেই। কিন্তু সেই প্রতিভাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে কৌশলগত পরিকল্পনা এবং সঠিক একাদশ নির্বাচন জরুরি।

মরক্কোর বিপক্ষে ড্র তাই শুধু একটি ফল নয়, বরং ব্রাজিলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। সামনে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় সেলেসাওরা, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা। বিশ্বকাপের শুরুতেই পাওয়া এই ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারলেই কেবল হেক্সা মিশন আবারও সঠিক পথে ফিরতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা

মরক্কোর বিপক্ষে ভুল একাদশ নিয়ে খেলেছে ব্রাজিল!

Update Time : ০২:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন হতাশাজনক শুরুর পর দলের পারফরম্যান্স ও একাদশ নির্বাচন নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফেলিপে মেলো। তার মতে, ম্যাচের শুরু থেকেই ভুল সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে সেলেসাওদের।

ব্রাজিলের ড্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে স্পোর্টভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সেলেসাও কোপা’-তে মেলো সরাসরি কোচ কার্লো আনচেলত্তির দিকে আঙুল তোলেন। তিনি মনে করেন, মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামানো প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি ভুল ছিল এবং সেই ভুলের প্রভাব পুরো ম্যাচেই দেখা গেছে।

বিশেষ করে রক্ষণভাগে ইবানেজকে রাইট ব্যাক হিসেবে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন মেলো। তার মতে, স্বাভাবিক অবস্থায় সেন্টার ব্যাক হিসেবে খেলা একজন ফুটবলারকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হঠাৎ ফুলব্যাকের ভূমিকায় নামানো বড় ঝুঁকি ছিল।

মেলো বলেন, আনচেলত্তি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল ও সম্মানিত কোচ হলেও এই সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করা যায় না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রাজিল ভুল একাদশ নিয়ে ম্যাচ শুরু করেছে এবং ইবানেজের স্টার্টিং লাইনআপে থাকা উচিত ছিল না।

আরও পড়ুন  ওমর সানীর ক্ষোভ: আর্জেন্টিনা ভক্তদের ‘নির্লজ্জ’ বললেন

সাবেক এই মিডফিল্ডারের মতে, ইবানেজ একজন ভালো ফুটবলার হলেও তার স্বাভাবিক পজিশন ফুলব্যাক নয়। ফলে ম্যাচের শুরুতে তিনি নিজের সেরাটা দিতে পারেননি। মেলোর দাবি, ইবানেজ মাঠ ছাড়ার পরই ব্রাজিলের খেলায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ বারবার অগোছালো দেখিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক এবং সৃজনশীল পাসের সামনে সেলেসাওদের ডিফেন্স অনেক সময়ই অসহায় ছিল। এটি ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

তবে সমালোচনার মাঝেও ব্রাজিলের কিছু ইতিবাচক দিক তুলে ধরেছেন মেলো। তার মতে, দলের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন এই তারকা উইঙ্গার এবং ব্রাজিলের একমাত্র গোলটিও এসেছে তার পা থেকে।

ভিনিসিয়ুসের প্রশংসা করে মেলো বলেন, ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন তিনিই। কিন্তু একজন ফুটবলারের ভালো পারফরম্যান্স পুরো দলের দুর্বলতা ঢেকে রাখতে পারে না। দলগতভাবে ব্রাজিলের খেলা প্রত্যাশার ধারেকাছেও ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন  চাপ আর্জেন্টিনার, দাবি ইংলিশ ডিফেন্ডার গেহির | বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের বড় বার্তা

মরক্কোর পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেছেন সাবেক এই তারকা। তার মতে, ম্যাচের বেশিরভাগ সময়ে মরক্কোই বেশি সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। রক্ষণ, মাঝমাঠ এবং আক্রমণের সমন্বয়ে আফ্রিকার দলটি ব্রাজিলকে বেশ চাপে রেখেছিল।

বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন মেলো। তবে তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ড্র ব্রাজিলের জন্য খারাপ ফল নয়। কারণ ম্যাচের চিত্র অনুযায়ী মরক্কো অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল।

তবুও ব্রাজিলের সামগ্রিক মান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। একজন সমর্থক হিসেবে দলের কাছ থেকে অনেক বেশি কিছু প্রত্যাশা করেছিলেন বলে জানান মেলো। তার মতে, বর্তমান পারফরম্যান্স নিয়ে বিশ্বকাপের পরবর্তী ধাপে ভালো কিছু করা কঠিন হবে।

আগামী ম্যাচে হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচ থেকেই দলের মানসিকতা ও খেলার ধরনে পরিবর্তন দেখতে চান মেলো। তিনি মনে করেন, বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলাই ব্রাজিলের ঐতিহ্য।

মাঝমাঠের খেলোয়াড়দের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তিনি। মেলোর ভাষ্য অনুযায়ী, মরক্কোর আক্রমণের সময় ব্রাজিলের কয়েকজন মিডফিল্ডার শুধু দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছিলেন। ফলে প্রতিপক্ষ সহজেই জায়গা তৈরি করে বিপজ্জনক আক্রমণ গড়ে তুলতে পেরেছে।

আরও পড়ুন  নেইমারের ফিটনেস আপডেট নিয়ে আনচেলত্তির অবিশ্বাস্য ও বিস্ফোরক ঘোষণা

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো পাসেই যদি পুরো রক্ষণভাগ ভেঙে পড়ে, তাহলে সেটা বড় দলের লক্ষণ নয়। ব্রাজিলের মতো ঐতিহ্যবাহী দলের কাছ থেকে এমন দুর্বলতা আশা করা যায় না। বিশেষ করে বিশ্বকাপের মঞ্চে এ ধরনের ভুলের মূল্য অনেক বড় হতে পারে।

মেলোর বিশ্বাস, বর্তমান স্কোয়াডে আরও ভালো ফুটবল খেলার সামর্থ্য রয়েছে। দলে প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের অভাব নেই। কিন্তু সেই প্রতিভাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে কৌশলগত পরিকল্পনা এবং সঠিক একাদশ নির্বাচন জরুরি।

মরক্কোর বিপক্ষে ড্র তাই শুধু একটি ফল নয়, বরং ব্রাজিলের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। সামনে হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায় সেলেসাওরা, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা। বিশ্বকাপের শুরুতেই পাওয়া এই ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারলেই কেবল হেক্সা মিশন আবারও সঠিক পথে ফিরতে পারে।