ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩৬

চীনের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়েছে বেইজিং।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর চীনের কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। এ সিদ্ধান্তে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশটির গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার স্বাভাবিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীন দৃঢ় অবস্থান নেবে। একই সঙ্গে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র শুধু গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি, বরং চীনে তৈরি নতুন প্রজন্মের হিউম্যানয়েড (মানবসদৃশ)কোয়াড্রুপেড (চার পা–বিশিষ্ট) রোবট আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক-সংযুক্ত পাওয়ার ইনভার্টার আমদানিও সীমিত করা হয়েছে।

মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেন্সর ও ইন্টারনেটভিত্তিক সংযোগযুক্ত এসব প্রযুক্তি জাতীয় নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণেই আমদানিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

চীন অবশ্য এই যুক্তিকে গ্রহণযোগ্য মনে করছে না। দেশটির দাবি, প্রযুক্তি ও গবেষণাকে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনের গতিকে ব্যাহত করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং উন্নত প্রযুক্তি খাতকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে চলমান প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে। সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের প্রযুক্তি ও বাণিজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েনকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় চীনের ক্ষোভ, ‘প্রয়োজনীয় জবাব’ দেওয়ার ঘোষণা

Update Time : ১২:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর চীনের কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং। এ সিদ্ধান্তে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, দেশটির গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বুধবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার স্বাভাবিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে চীন দৃঢ় অবস্থান নেবে। একই সঙ্গে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন  রোবটের চমক, ভাঙল বোল্টের ১০০ মিটারের রেকর্ড

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র শুধু গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি, বরং চীনে তৈরি নতুন প্রজন্মের হিউম্যানয়েড (মানবসদৃশ)কোয়াড্রুপেড (চার পা–বিশিষ্ট) রোবট আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক-সংযুক্ত পাওয়ার ইনভার্টার আমদানিও সীমিত করা হয়েছে।

মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (এফসিসি) জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেন্সর ও ইন্টারনেটভিত্তিক সংযোগযুক্ত এসব প্রযুক্তি জাতীয় নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণেই আমদানিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সোনিয়া গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি চিকিৎসা আপডেট

চীন অবশ্য এই যুক্তিকে গ্রহণযোগ্য মনে করছে না। দেশটির দাবি, প্রযুক্তি ও গবেষণাকে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে স্বাভাবিক প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনের গতিকে ব্যাহত করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং উন্নত প্রযুক্তি খাতকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে চলমান প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে। সর্বশেষ এই নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের প্রযুক্তি ও বাণিজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েনকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।

আরও পড়ুন  হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা