ঢাকা ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo অবিশ্বাস্য রেকর্ড! নাথান থমাস বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হলেন Logo ম্রুণাল ঠাকুরের কঠোর সতর্কবার্তা: AI ডিপফেক অপব্যবহারে আইনি ব্যবস্থা Logo রিজভীর বিস্ফোরক দাবি: জনগণের পারমাণবিক শক্তিতে ফ্যাসিবাদের পতন Logo বিপজ্জনক গ্রহাণু প্রতিরোধ: বিজ্ঞানীদের শক্তিশালী নতুন পরিকল্পনা Logo টানা দুই সপ্তাহ নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে Logo টেলিগ্রাম অ্যাপ স্টোর: হঠাৎ উধাও, অবশেষে সামনে এলো বড় কারণ? Logo উত্তরাঞ্চলে বিনিয়োগ: বাধা দূর, উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান Logo বিজিএমইএ-বিটিএমএ একসঙ্গে, ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য Logo কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকের বেশি কমল, আমদানিতে মিলল স্বস্তি Logo নোরা ফাতেহি বোনো সম্পর্ক: অবশেষে প্রেমের গুঞ্জনে স্পষ্ট জবাব দিলেন অভিনেত্রী

ভিনিসিয়ুসের হুঁশিয়ারি: বিশ্বকাপ জিততেই এসেছে ব্রাজিল

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ব্রাজিল শিবির। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অন্যতম ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কেবল অংশগ্রহণ নয়, বরং ট্রফি জিতেই ইতিহাস গড়তে এসেছে সেলেসাওরা। মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথাই তুলে ধরেছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দল হিসেবে ব্রাজিল সবসময়ই শিরোপার দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অতীতের সাফল্য নয়, বর্তমানের পারফরম্যান্সই বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভিনিসিয়ুস। তার মতে, বিশ্বকাপ এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে প্রতিটি দল নতুন করে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পায়।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়ুস বলেন, ব্রাজিল বর্তমানে বিশ্বের সেরা জাতীয় দলগুলোর কাতারেই রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, দলের খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক সময়ের উন্নতি তাদের শিরোপা জয়ের পথে এগিয়ে রাখবে।

ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘বিশ্বের সেরা জাতীয় দলের যে মান, আমরা ঠিক সেই পর্যায়েই আছি। আমাদের দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় রয়েছে। গত কয়েক মাসে আমরা নিজেদের খেলাকে আরও উন্নত করেছি। এখানে এসেছি ইতিহাস গড়তে এবং সমর্থকদের একটি স্মরণীয় টুর্নামেন্ট উপহার দিতে।’

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে শিরোপা জিতে পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। কিন্তু সেই সাফল্যকে সামনে রেখে বাড়তি আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ ভিনিসিয়ুস।

তার ভাষায়, অতীতের অর্জন বর্তমান প্রতিযোগিতায় কোনো বাড়তি সুবিধা দেয় না। মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণ করে। তাই আগের বিশ্বকাপ বা কোপা আমেরিকার সাফল্য নিয়ে ভাবার চেয়ে সামনের ম্যাচগুলোতেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে ব্রাজিল।

ব্রাজিলিয়ান তারকা বলেন, ‘বিশ্বকাপ এমন একটি মঞ্চ যেখানে সবার লড়াই শুরু হয় শূন্য থেকে। অতীতে কে কতবার ফাইনাল খেলেছে কিংবা কে কত ট্রফি জিতেছে, সেটার কোনো মূল্য নেই। মাঠে কী হচ্ছে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

বর্তমান সময়ে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত পার করছেন বলেও মনে করেন ভিনিসিয়ুস। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এখন তার পুরো মনোযোগ জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের দিকে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সম্ভাব্য পথচলার কথা উল্লেখ করে ভিনিসিয়ুস বলেন, সামনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের চেয়ে দলের সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আছি। সামনে আমাদের আটটি ম্যাচ রয়েছে। দেশের ইতিহাস বদলে দেওয়ার মতো কিছু করতে চাই। গোল কিংবা অ্যাসিস্টের সংখ্যা নিয়ে ভাবছি না, আমি ভাবছি দলকে কীভাবে সাহায্য করা যায়।’

ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলীয় অর্জনকে বড় করে দেখেন এই ফরোয়ার্ড। তার মতে, একজন খেলোয়াড় কত গোল করল তা ইতিহাসে খুব বেশি গুরুত্ব পায় না, যদি দল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে না পারে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলের প্রথম প্রতিপক্ষ মরক্কোকে নিয়েও যথেষ্ট সতর্ক ভিনিসিয়ুস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার এই দলটি নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল অ্যাটলাস লায়ন্সরা।

মরক্কোর সেই সাফল্যকে কাকতালীয় মনে করেন না ভিনিসিয়ুস। বরং দলটির উন্নতি এবং প্রতিভাবান ফুটবলারদের উপস্থিতিকে ব্রাজিলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

মরক্কো প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই তারা অনেক উন্নতি করেছে। গত বিশ্বকাপের মতো এবারও সবাইকে চমকে দিতে পারে। তাদের দলে ব্রাহিম দিয়াজ আছে, যে আমার সঙ্গে ক্লাব ফুটবলে খেলে। হাকিমিও সম্প্রতি আরেকটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে।’

তিনি আরও বলেন, মরক্কোর দলে এমন কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছে যারা ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়মিত পারফর্ম করছে। ফলে তাদের বিপক্ষে ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না। বরং এটি হতে পারে টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিল ও মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। এখন পর্যন্ত চারবার দেখা হয়েছে দুই দলের। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল, আর একবার জিতেছে মরক্কো।

তবে পরিসংখ্যানের এই সুবিধা নিয়ে খুব বেশি ভাবতে রাজি নয় ব্রাজিল শিবির। কারণ বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে যেকোনো দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেয়। তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে প্রথম ধাপ মরক্কো। আর সেই লড়াইয়ের আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আত্মবিশ্বাসী বার্তা স্পষ্ট—ব্রাজিল কেবল খেলতে নয়, ট্রফি জিততেই এসেছে বিশ্বকাপে।

বাংলাদেশ সময় আজ ভোর ৪টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত মরক্কো ও ব্রাজিলের ম্যাচ। বিশ্বকাপ মিশনের প্রথম পরীক্ষায় সেলেসাওরা কেমন পারফর্ম করে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা ফুটবলপ্রেমীদের।

অবিশ্বাস্য রেকর্ড! নাথান থমাস বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ অধ্যাপক হলেন

ভিনিসিয়ুসের হুঁশিয়ারি: বিশ্বকাপ জিততেই এসেছে ব্রাজিল

Update Time : ০১:৩৭:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ব্রাজিল শিবির। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অন্যতম ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কেবল অংশগ্রহণ নয়, বরং ট্রফি জিতেই ইতিহাস গড়তে এসেছে সেলেসাওরা। মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন দৃঢ় প্রত্যয়ের কথাই তুলে ধরেছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিধর দল হিসেবে ব্রাজিল সবসময়ই শিরোপার দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অতীতের সাফল্য নয়, বর্তমানের পারফরম্যান্সই বিশ্বকাপের মঞ্চে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ভিনিসিয়ুস। তার মতে, বিশ্বকাপ এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে প্রতিটি দল নতুন করে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ পায়।

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়ুস বলেন, ব্রাজিল বর্তমানে বিশ্বের সেরা জাতীয় দলগুলোর কাতারেই রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, দলের খেলোয়াড়দের মান এবং সাম্প্রতিক সময়ের উন্নতি তাদের শিরোপা জয়ের পথে এগিয়ে রাখবে।

ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘বিশ্বের সেরা জাতীয় দলের যে মান, আমরা ঠিক সেই পর্যায়েই আছি। আমাদের দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় রয়েছে। গত কয়েক মাসে আমরা নিজেদের খেলাকে আরও উন্নত করেছি। এখানে এসেছি ইতিহাস গড়তে এবং সমর্থকদের একটি স্মরণীয় টুর্নামেন্ট উপহার দিতে।’

আরও পড়ুন  ইতিহাস কি ফিরছে? আলজেরিয়ার বিপক্ষে হারবে আর্জেন্টিনা!

বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ব্রাজিল। ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ এবং ২০০২ সালে শিরোপা জিতে পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। কিন্তু সেই সাফল্যকে সামনে রেখে বাড়তি আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ ভিনিসিয়ুস।

তার ভাষায়, অতীতের অর্জন বর্তমান প্রতিযোগিতায় কোনো বাড়তি সুবিধা দেয় না। মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ধারণ করে। তাই আগের বিশ্বকাপ বা কোপা আমেরিকার সাফল্য নিয়ে ভাবার চেয়ে সামনের ম্যাচগুলোতেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে ব্রাজিল।

ব্রাজিলিয়ান তারকা বলেন, ‘বিশ্বকাপ এমন একটি মঞ্চ যেখানে সবার লড়াই শুরু হয় শূন্য থেকে। অতীতে কে কতবার ফাইনাল খেলেছে কিংবা কে কত ট্রফি জিতেছে, সেটার কোনো মূল্য নেই। মাঠে কী হচ্ছে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

বর্তমান সময়ে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত পার করছেন বলেও মনে করেন ভিনিসিয়ুস। ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এখন তার পুরো মনোযোগ জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের দিকে। দেশের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সম্ভাব্য পথচলার কথা উল্লেখ করে ভিনিসিয়ুস বলেন, সামনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রয়েছে। তিনি ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের চেয়ে দলের সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন  নেইমার কি খেলবেন ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে? জানালেন আনচেলত্তি

তিনি বলেন, ‘আমি ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বিশেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আছি। সামনে আমাদের আটটি ম্যাচ রয়েছে। দেশের ইতিহাস বদলে দেওয়ার মতো কিছু করতে চাই। গোল কিংবা অ্যাসিস্টের সংখ্যা নিয়ে ভাবছি না, আমি ভাবছি দলকে কীভাবে সাহায্য করা যায়।’

ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলীয় অর্জনকে বড় করে দেখেন এই ফরোয়ার্ড। তার মতে, একজন খেলোয়াড় কত গোল করল তা ইতিহাসে খুব বেশি গুরুত্ব পায় না, যদি দল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে না পারে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলের প্রথম প্রতিপক্ষ মরক্কোকে নিয়েও যথেষ্ট সতর্ক ভিনিসিয়ুস। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার এই দলটি নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। বিশেষ করে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল অ্যাটলাস লায়ন্সরা।

মরক্কোর সেই সাফল্যকে কাকতালীয় মনে করেন না ভিনিসিয়ুস। বরং দলটির উন্নতি এবং প্রতিভাবান ফুটবলারদের উপস্থিতিকে ব্রাজিলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

মরক্কো প্রসঙ্গে ভিনিসিয়ুস বলেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই তারা অনেক উন্নতি করেছে। গত বিশ্বকাপের মতো এবারও সবাইকে চমকে দিতে পারে। তাদের দলে ব্রাহিম দিয়াজ আছে, যে আমার সঙ্গে ক্লাব ফুটবলে খেলে। হাকিমিও সম্প্রতি আরেকটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে।’

আরও পড়ুন  ইয়ান দিয়োমান্দে: রিয়ালের নতুন তারকার অনুপ্রেরণা রোনালদো

তিনি আরও বলেন, মরক্কোর দলে এমন কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছে যারা ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়মিত পারফর্ম করছে। ফলে তাদের বিপক্ষে ম্যাচটি মোটেও সহজ হবে না। বরং এটি হতে পারে টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিল ও মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার ইতিহাস খুব বেশি দীর্ঘ নয়। এখন পর্যন্ত চারবার দেখা হয়েছে দুই দলের। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল, আর একবার জিতেছে মরক্কো।

তবে পরিসংখ্যানের এই সুবিধা নিয়ে খুব বেশি ভাবতে রাজি নয় ব্রাজিল শিবির। কারণ বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে যেকোনো দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেয়। তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে ব্রাজিল। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে প্রথম ধাপ মরক্কো। আর সেই লড়াইয়ের আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের আত্মবিশ্বাসী বার্তা স্পষ্ট—ব্রাজিল কেবল খেলতে নয়, ট্রফি জিততেই এসেছে বিশ্বকাপে।

বাংলাদেশ সময় আজ ভোর ৪টায় শুরু হবে বহুল প্রতীক্ষিত মরক্কো ও ব্রাজিলের ম্যাচ। বিশ্বকাপ মিশনের প্রথম পরীক্ষায় সেলেসাওরা কেমন পারফর্ম করে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা ফুটবলপ্রেমীদের।