ঢাকা ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায়

যাত্রাবাড়ী ও মুগদা এলাকায় ২৯ জন গ্রেপ্তার

মুগদা এলাকায় অপরাধবিরোধী অভিযান। ছবি: সংগৃহীত

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চলমান তৎপরতার অংশ হিসেবে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মুগদা থানার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ও মুগদা থানা পুলিশ পৃথকভাবে অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতভর পরিচালিত অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে মুগদা থানা পুলিশ তাদের নিজস্ব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ১৭ জনকে আটক করে। ফলে দুই থানার অভিযানে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ জনে।

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান চলাকালে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা।

ডিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অপরাধের ঝুঁকি বেশি বা যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছেন, সেসব এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

মুগদা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এই অভিযান স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব হবে।

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতেও অপরাধবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশ বলছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জনগণের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের সন্দেহজনক কার্যক্রম বা অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান রাজধানীতে অপরাধবিরোধী কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডিএমপির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি

যাত্রাবাড়ী ও মুগদা এলাকায় ২৯ জন গ্রেপ্তার

Update Time : ১১:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের চলমান তৎপরতার অংশ হিসেবে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মুগদা থানার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ও মুগদা থানা পুলিশ পৃথকভাবে অংশ নেয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতভর পরিচালিত অভিযানে যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে মুগদা থানা পুলিশ তাদের নিজস্ব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আরও ১৭ জনকে আটক করে। ফলে দুই থানার অভিযানে মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ জনে।

আরও পড়ুন  পুলিশের স্বতন্ত্র পে-স্কেল দাবি: ওভারটাইম ভাতা ও নতুন সুবিধার আশ্বাস

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান চলাকালে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি, আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনা।

ডিএমপির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অপরাধের ঝুঁকি বেশি বা যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা আত্মগোপনে রয়েছেন, সেসব এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষ নয়: জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্য

মুগদা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পরিচালিত সাম্প্রতিক এই অভিযান স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ফল পাওয়া সম্ভব হবে।

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতেও অপরাধবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  সাতকানিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে সিস্টেম গ্রুপের ত্রাণ বিতরণ

অভিযানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশ বলছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জনগণের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ধরনের সন্দেহজনক কার্যক্রম বা অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া গেলে দ্রুত পুলিশকে জানাতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী গ্রেপ্তার অভিযান রাজধানীতে অপরাধবিরোধী কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডিএমপির এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।