ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও Logo ফ্রন্ট লোড ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার: দুর্গন্ধ দূর করার ৭টি সহজ উপায় Logo মানসিক চাপ কমানোর উপায়: স্ট্রেসের সময় শান্ত থাকার ৫টি কার্যকর কৌশল Logo ঢাকার বায়ুর মান মাঝারি: AQI ৭৯, জানুন আজকের স্বস্তির খবর Logo শিশুদের খেলাধুলা কেন জরুরি? গবেষণায় মিলল দারুণ তথ্য Logo ব্রেন ফগ দূর করার সহজ উপায়: মনোযোগ বাড়ানোর কার্যকর অভ্যাস Logo প্রেমে বারবার বিভ্রান্ত? ভালোবাসার আচরণ বুঝবেন যেভাবে Logo পোশাক রপ্তানিতে ধাক্কা, জুলাইয়ে কমল আয়

আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৬

আপেলের উপকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ। ছবি: সংগৃহীত

আপেলের উপকারিতা নিয়ে প্রচলিত একটি প্রবাদ বহু বছর ধরেই মানুষের মুখে মুখে—‘প্রতিদিন একটি আপেল খেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় না।’ যদিও আধুনিক গবেষণা বলছে, বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়, তবে নিয়মিত আপেল খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি রাখা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে।

আপেল পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষ করে কোয়ারসেটিন, ক্যাফেইক অ্যাসিড ও এপিক্যাটেচিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি আপেলের ফাইবার হজম ভালো রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আপেলের উপকারিতা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। আপেলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

শুধু হৃদ্‌স্বাস্থ্য নয়, আপেল ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আপেলের বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তবে শুধু আপেলের ওপর নির্ভর করলেই হবে না। অতিরিক্ত আপেল খেলে হঠাৎ বেশি ফাইবারের কারণে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। যারা খুব কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করেন, তাদের জন্যও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপেলের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাকসবজি খাওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

সব মিলিয়ে, প্রতিদিন একটি আপেল খেলেই চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে না—এমন দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত নয়। তবে আপেলের উপকারিতা নিয়ে গবেষণা বলছে, এটি একটি পুষ্টিকর ফল যা হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে নিয়মিত আপেল খাওয়া নিঃসন্দেহে ভালো একটি সিদ্ধান্ত।

চন্দনাইশে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে

Update Time : ১১:৪৯:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

আপেলের উপকারিতা নিয়ে প্রচলিত একটি প্রবাদ বহু বছর ধরেই মানুষের মুখে মুখে—‘প্রতিদিন একটি আপেল খেলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় না।’ যদিও আধুনিক গবেষণা বলছে, বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়, তবে নিয়মিত আপেল খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি রাখা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস হতে পারে।

আপেল পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এতে রয়েছে ফাইবার, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ভিটামিন কে এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। বিশেষ করে কোয়ারসেটিন, ক্যাফেইক অ্যাসিড ও এপিক্যাটেচিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি আপেলের ফাইবার হজম ভালো রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

আরও পড়ুন  প্রতিদিন ২টি লবঙ্গ খেলেই মিলতে পারে ২৪ স্বাস্থ্য উপকার

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আপেলের উপকারিতা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। আপেলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

শুধু হৃদ্‌স্বাস্থ্য নয়, আপেল ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আপেল খাওয়ার অভ্যাস টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। এছাড়া আপেলের বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  অলিভ অয়েল কেন স্বাস্থ্যকর? জেনে নিন ব্যবহার ও সংরক্ষণের নিয়ম

তবে শুধু আপেলের ওপর নির্ভর করলেই হবে না। অতিরিক্ত আপেল খেলে হঠাৎ বেশি ফাইবারের কারণে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। যারা খুব কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করেন, তাদের জন্যও পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপেলের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাকসবজি খাওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

সব মিলিয়ে, প্রতিদিন একটি আপেল খেলেই চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে না—এমন দাবি বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত নয়। তবে আপেলের উপকারিতা নিয়ে গবেষণা বলছে, এটি একটি পুষ্টিকর ফল যা হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ জীবনযাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে নিয়মিত আপেল খাওয়া নিঃসন্দেহে ভালো একটি সিদ্ধান্ত।

আরও পড়ুন  ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন