ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার Logo ইউপি নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত নয়, বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত Logo কাদের-নাছিমসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, ট্রাইব্যুনালের রায় Logo হামে মৃত্যু ১,০৩০: ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে বিশেষ টিকা, আপনার শিশুও কি পাবে? Logo নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন কবে, জেনে নিন সর্বশেষ খবর Logo শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা Logo ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে সিঁড়ি বন্ধের নেপথ্যে কী? Logo গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে বড় স্বস্তির খবর: আজ সন্ধ্যা থেকেই বাড়ছে সরবরাহ Logo প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫৩৮ জনের বড় নিয়োগ: এসএসসি পাসেই আবেদন, কোন পদে কতজন? Logo আজ থেকেই বিজিবিতে সিপাহী নিয়োগ: নারী-পুরুষের বয়স, উচ্চতা ও যোগ্যতা জানুন

পিসিওএস কী? নারীদের নীরব এই সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও করণীয়

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫৪৮

পিসিওএস সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা করলে জটিলতার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। প্রজননক্ষম বয়সী অনেক নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত হলেও অনেকেই দীর্ঘদিন তা বুঝতে পারেন না। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পিসিওএসে শরীরে পুরুষ হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) তুলনামূলক বেশি তৈরি হয়। ফলে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে এবং নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন ব্যাহত হয়। তবে সিস্ট না থাকলেও কারও পিসিওএস থাকতে পারে।

পিসিওএসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা। এছাড়া মুখে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত লোম গজানো, ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘাড়, বগল বা শরীরের ভাঁজে কালচে দাগও দেখা যায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে বংশগত কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

পিসিওএস সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে অধিকাংশ নারী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে গর্ভধারণ সম্ভব।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাসিক দীর্ঘদিন অনিয়মিত থাকলে, অতিরিক্ত ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি বা গর্ভধারণে সমস্যা হলে দেরি না করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে হরমোনের ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ পুরস্কার পেলেন চন্দনাইশ থানার ওসি এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার

পিসিওএস কী? নারীদের নীরব এই সমস্যার লক্ষণ, কারণ ও করণীয়

Update Time : ১১:৪০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) হলো নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা। প্রজননক্ষম বয়সী অনেক নারী এই সমস্যায় আক্রান্ত হলেও অনেকেই দীর্ঘদিন তা বুঝতে পারেন না। সময়মতো শনাক্ত ও সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

পিসিওএসে শরীরে পুরুষ হরমোন (অ্যান্ড্রোজেন) তুলনামূলক বেশি তৈরি হয়। ফলে ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হতে পারে এবং নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন ব্যাহত হয়। তবে সিস্ট না থাকলেও কারও পিসিওএস থাকতে পারে।

আরও পড়ুন  ঘুমের আগে যে ৬ অভ্যাস বাড়িয়ে দিতে পারে কর্টিসল

পিসিওএসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো অনিয়মিত মাসিক বা দীর্ঘদিন মাসিক বন্ধ থাকা। এছাড়া মুখে বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে অতিরিক্ত লোম গজানো, ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘাড়, বগল বা শরীরের ভাঁজে কালচে দাগও দেখা যায়, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ হতে পারে।

আরও পড়ুন  চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবনে স্বাস্থ্যঝুঁকি

বিশেষজ্ঞদের মতে, পিসিওএসের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে বংশগত কারণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

পিসিওএস সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করলে অধিকাংশ নারী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে গর্ভধারণ সম্ভব।

আরও পড়ুন  স্বাস্থ্যখাতের অবক্ষয় ও বিদেশমুখী চিকিৎসা

চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাসিক দীর্ঘদিন অনিয়মিত থাকলে, অতিরিক্ত ব্রণ, ওজন বৃদ্ধি বা গর্ভধারণে সমস্যা হলে দেরি না করে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিজে থেকে হরমোনের ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।