ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পুশ ইনে ব্যর্থ হয়ে সীমান্তে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ Logo সিলেটে এ পর্যন্ত হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুর মৃত্যু Logo এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে ইসরায়েল: বিশ্লেষক Logo ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে ভবিষ্যতের বিশ্ব Logo ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ বাতিলের সিদ্ধান্তকে এবিবি স্বাগত জানাল Logo লামিন ইয়ামাল ফিট, বিশ্বকাপে স্পেনের বড় ভরসা Logo রাজনৈতিক ব্যঙ্গে আলোচনায় ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’ সিনেমা Logo ডিএসই লেনদেন: ৬০ মিনিটে ৪৭৪ কোটি টাকা Logo ইসরায়েল শান্তিচুক্তি নিয়ে বেন-গভিরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান Logo আবাসনখাতে নতুন আরোপিত কর প্রত্যাহরের দাবি রিহ্যাবের

শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো শেডে আগুন: দ্রুত নিয়ন্ত্রণে বড় সফলতা

দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের পাশে অবস্থিত কার্গো শেডে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও সমন্বিত অভিযানের কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) রাত ১১টা ২৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়, যা জরুরি সেবার দ্রুততার একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরপর আরও তিনটি ইউনিট যোগ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুন নিয়ন্ত্রণে মোট চারটি ইউনিট একযোগে কাজ করে। তাদের দ্রুত ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিসের এই কার্যক্রমকে অত্যন্ত দক্ষ ও সময়োপযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগুন কার্গো শেড এলাকায় শুরু হয়, যেখানে বিভিন্ন ধরনের মালামাল সংরক্ষিত ছিল। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তদন্তাধীন রয়েছে।

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্ক অবস্থান নেয়। বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দর ও কার্গো শেডে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুনের ঘটনা আবারও বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও জরুরি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব সামনে নিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আরও আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুশ ইনে ব্যর্থ হয়ে সীমান্তে বিএসএফের ককটেল বিস্ফোরণ

শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো শেডে আগুন: দ্রুত নিয়ন্ত্রণে বড় সফলতা

Update Time : ১২:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে এনে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের পাশে অবস্থিত কার্গো শেডে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে দ্রুত প্রতিক্রিয়া ও সমন্বিত অভিযানের কারণে বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ জুন ২০২৬) রাত ১১টা ২৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যেই প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়, যা জরুরি সেবার দ্রুততার একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরপর আরও তিনটি ইউনিট যোগ দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

আরও পড়ুন  টিটন হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজধানীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুন নিয়ন্ত্রণে মোট চারটি ইউনিট একযোগে কাজ করে। তাদের দ্রুত ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে মাত্র ১১ মিনিটের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিসের এই কার্যক্রমকে অত্যন্ত দক্ষ ও সময়োপযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের লিডার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগুন কার্গো শেড এলাকায় শুরু হয়, যেখানে বিভিন্ন ধরনের মালামাল সংরক্ষিত ছিল। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও তদন্তাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন  সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ | বেগম জেবুন্নেছা আর নেই

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুনের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষও সতর্ক অবস্থান নেয়। বিমান চলাচল স্বাভাবিক ছিল কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমানবন্দর ও কার্গো শেডে এ ধরনের অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ঈদের ছুটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ প্রাণ ঝরল, আহত ৯০-এর বেশি

শাহজালাল বিমানবন্দর আগুনের ঘটনা আবারও বিমানবন্দর নিরাপত্তা ও জরুরি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব সামনে নিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আরও আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।