নবম পে-স্কেল নিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো সোমবার (৩১ আগস্ট) মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। সচিবালয়ে বিকাল ৫টায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দুই অর্থবছরে মোট চার ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। এতে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি সরকারের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
নবম পে-স্কেলের ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের অন্যতম কারণ হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজেটের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর বিষয়টি সামনে এসেছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে সরকার ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল নিয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশা ছিল। এর আগে পে-স্কেল নিয়ে একাধিক বৈঠক, পর্যালোচনা ও প্রস্তাব তৈরির কাজ চলে। আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করার খবরও প্রকাশিত হয়েছিল।
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর এখন পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রজ্ঞাপন জারির বিষয়টি সামনে এসেছে। এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছিল।
নবম পে-স্কেল কার্যকর হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসবে। তবে নতুন কাঠামোর পুরো সুবিধা ধাপে ধাপে পাওয়ার কারণে বাস্তবায়নের সময়সূচিই এখন চাকরিজীবীদের আগ্রহের অন্যতম বিষয়। বিস্তারিত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর কোন গ্রেডে কত বেতন এবং কোন ধাপে কী সুবিধা মিলবে, তা আরও স্পষ্ট হবে।


























