ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড: ডা. আশীষের বিশেষ সম্মাননা Logo ঢাবি বহিরাগত প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ: বিশ্বকাপ ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা Logo কোরআনের আয়াত ব্যাখ্যা বিতর্ক: সংসদে তীব্র আলোচনায় চাঞ্চল্য Logo ডেন্টাল ডিপ্লোমা প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ: সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায় Logo ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ব্রিগাদেইরো, সহজ রেসিপি জেনে নিন Logo ভারতে মুসলিমদের ওপর চাপ বাড়ছে, দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক Logo দেড় মাস আগে বদলির আদেশ, এখনো মৌলভীবাজার প্রধান ডাকঘরেই তন্ময় Logo অর্ধগলিত মরদেহ দেখে চিনতে পারেননি স্বজনরা, গ্রেপ্তার ৬ জামালপুর প্রতিনিধি Logo তামান্না ভাটিয়া বিস্ফোরক মন্তব্য, দক্ষিণী সিনেমায় নারীদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন Logo কুমিল্লায় বরাদ্দের ছড়াছড়ি:উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন গতি

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড: ডা. আশীষের বিশেষ সম্মাননা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ৫০২

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন Ashish Kumar Chakraborty। চিকিৎসাশিক্ষার আধুনিকায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় দক্ষ নেতৃত্ব এবং স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এই সম্মাননা পেয়েছেন। স্বাস্থ্যখাতে তাঁর ধারাবাহিক কাজ তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী Yasir Khan Chowdhury-সহ স্বাস্থ্যখাতের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এ আয়োজনে চিকিৎসা, বিজ্ঞান, করপোরেট এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

সংগঠকদের মতে, দুই দশকের বেশি সময় ধরে ডা. আশীষ দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, বরং একজন দক্ষ সংগঠক ও প্রশাসক হিসেবেও পরিচিত। নৈতিক চিকিৎসাসেবা এবং আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।

২০০৪ সালে তিনি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল বড় পরিসরে সম্প্রসারিত হয়ে আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপ নেয়। বর্তমানে এই নেটওয়ার্কের আওতায় হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং কলেজ পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করছে।

পেশাগত দায়িত্বের বাইরে তিনি বিভিন্ন মেডিকেল সংগঠন ও সামাজিক কার্যক্রমেও সক্রিয়। চিকিৎসকদের পেশাগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্যনীতি এবং জনসচেতনতা তৈরির কাজেও তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যখাতে তাঁর প্রভাব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জাতীয় পর্যায়েও দৃশ্যমান।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও নেতৃত্বের বড় স্বীকৃতি। অনেকের মতে, এ ধরনের অর্জন দেশের তরুণ চিকিৎসকদেরও অনুপ্রাণিত করবে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা ও সৎ নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড: ডা. আশীষের বিশেষ সম্মাননা

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড: ডা. আশীষের বিশেষ সম্মাননা

Update Time : ০২:৫৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন Ashish Kumar Chakraborty। চিকিৎসাশিক্ষার আধুনিকায়ন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় দক্ষ নেতৃত্ব এবং স্বাস্থ্যসেবায় দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এই সম্মাননা পেয়েছেন। স্বাস্থ্যখাতে তাঁর ধারাবাহিক কাজ তাঁকে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী Yasir Khan Chowdhury-সহ স্বাস্থ্যখাতের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এ আয়োজনে চিকিৎসা, বিজ্ঞান, করপোরেট এবং গণমাধ্যম অঙ্গনের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

আরও পড়ুন  ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে ইলেকট্রিক বাস আমদানির সিদ্ধান্ত

সংগঠকদের মতে, দুই দশকের বেশি সময় ধরে ডা. আশীষ দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি শুধু একজন চিকিৎসক নন, বরং একজন দক্ষ সংগঠক ও প্রশাসক হিসেবেও পরিচিত। নৈতিক চিকিৎসাসেবা এবং আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।

২০০৪ সালে তিনি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তাঁর নেতৃত্বে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল বড় পরিসরে সম্প্রসারিত হয়ে আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রূপ নেয়। বর্তমানে এই নেটওয়ার্কের আওতায় হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং কলেজ পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী করছে।

আরও পড়ুন  রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নতুন অধ্যায়

পেশাগত দায়িত্বের বাইরে তিনি বিভিন্ন মেডিকেল সংগঠন ও সামাজিক কার্যক্রমেও সক্রিয়। চিকিৎসকদের পেশাগত উন্নয়ন, স্বাস্থ্যনীতি এবং জনসচেতনতা তৈরির কাজেও তাঁর অংশগ্রহণ রয়েছে। ফলে স্বাস্থ্যখাতে তাঁর প্রভাব শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জাতীয় পর্যায়েও দৃশ্যমান।

গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড পাওয়া নিঃসন্দেহে তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম ও নেতৃত্বের বড় স্বীকৃতি। অনেকের মতে, এ ধরনের অর্জন দেশের তরুণ চিকিৎসকদেরও অনুপ্রাণিত করবে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে—মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা ও সৎ নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম।

আরও পড়ুন  ভারতের কাছে হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইল বাংলাদেশ সরকার