হামাসের শাসন কাঠামো বিলুপ্ত করার এই চাঞ্চল্যকর ঘোষণাটি দীর্ঘ দুই দশক পর গাজা উপত্যকার সামগ্রিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এক অভাবনীয় ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দ্বার উন্মোচন করেছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজার জরুরি প্রশাসনিক কমিটির প্রধান মোহাম্মদ আল-ফাররা ইতোমধ্যে তার পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইস্তফা দিয়েছেন।
সংগঠনটির এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন যে, যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ভবিষ্যৎ দৈনন্দিন প্রশাসন দেখভালের জন্য নবগঠিত বিশেষজ্ঞভিত্তিক টেকনোক্র্যাটিক বা ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা’ দ্রুতই তাদের দায়িত্ব বুঝে নেবে।
যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই নতুন কমিটি সাধারণ প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবে যাতে করে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী চলমান আগ্রাসন দীর্ঘায়িত করার কোনো অজুহাত না পায়।
হামাস পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে তারা এখন আর গাজা উপত্যকার সরাসরি কোনো শাসনভার নিজেদের হাতে রাখতে চায় না এবং নতুন কমিটির কার্যকারিতা বাড়াতে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
২০০৭ সালে প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহ আন্দোলনের হাত থেকে এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে সেখানে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি রাজত্ব করলেও, মূলত চলমান সংকটময় পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই হামাসের শাসন কাঠামো বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত।




























