ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ডুমুরিয়ায় উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রাজস্ব খাতের পোনামাছ অবমুক্ত Logo কুলাউড়ায় উপজেলা প্রশাসন ও আইসিটি কমিটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ট্রাইব্যুনালে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা হাজির Logo সরকারের কাজ দেখেই বিচার করুন, উসকানিতে নয়: চিফ হুইপ Logo বার্সার বড় জয় দিয়ে শুরু হলো লা লিগার শিরোপা অভিযান Logo ইরানি রিয়ালের রেকর্ড পতন, ১ ডলারে ২০ লাখ Logo সিরাতুন্নবী অনুষ্ঠানমালা উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নতুন আয়োজন Logo ইমরান খানের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়করা Logo এসিআই মোটরসে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ Logo চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত, বাড়ছে বৃষ্টি ও ঝড়ের আশঙ্কা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ: আইনমন্ত্রী

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩৮

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান পুনর্বহাল নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান | ছবি: সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে—সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর এমন মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

আইনমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান পুনর্বহালের মাধ্যমে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তার মতে, এই রায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আইনমন্ত্রী জানান, হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটসহ মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে অন্যান্য সংশোধনী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমে নেওয়া হবে।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা, গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতেই এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী হবে।

হাইকোর্টের এই রায় আগামী জাতীয় নির্বাচনসহ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অন্যান্য সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিষয়ে সংসদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডুমুরিয়ায় উন্মুক্ত ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে রাজস্ব খাতের পোনামাছ অবমুক্ত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণ: আইনমন্ত্রী

Update Time : ০৪:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে—সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর এমন মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।

আরও পড়ুন  মাইক বিভ্রাটে থমকে গেল জাতীয় সংসদ, স্পিকারের ক্ষোভ—‘এটা জাতির জন্য লজ্জার’

আইনমন্ত্রী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটের বিধান পুনর্বহালের মাধ্যমে জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তার মতে, এই রায় দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে একটি বিশেষ রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আইনমন্ত্রী জানান, হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোটসহ মোট চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত এসেছে। তবে অন্যান্য সংশোধনী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমে নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ: নির্বাচনে অংশ নিতে চাকরি ছাড়তে হবে, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত। এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা, গণভোটসহ বিভিন্ন বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে এসব পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

আরও পড়ুন  জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমাবদ্ধ রাখতে কেন গণভোটে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতেই এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী হবে।

হাইকোর্টের এই রায় আগামী জাতীয় নির্বাচনসহ দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অন্যান্য সাংবিধানিক পরিবর্তনের বিষয়ে সংসদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত ভূমিকা পালন করবে।