ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে আবারও নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ভাইরাল হওয়া এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পর্তুগাল জাতীয় দলের বর্তমান বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ সদস্যের মধ্যে মাত্র চারজন সতীর্থকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন এই তারকা ফুটবলার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই ফুটবলভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা।
ব্রাজিলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম গ্লোবো ভাইরাল হওয়া তালিকাটি যাচাই করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, রোনালদো বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করছেন দিওগো দালোত, জোয়াও কান্সেলো, রাফায়েল লেয়াও এবং ব্রুনো ফার্নান্দেজকে। পর্তুগাল দলের বাকি সদস্যদের কাউকেই তার ফলো তালিকায় দেখা যায়নি।
তবে এই তথ্য সামনে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে যে দাবি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটির পুরোপুরি সত্যতা এখনো নিশ্চিত নয়। কারণ রোনালদো আগে কতজন সতীর্থকে অনুসরণ করতেন কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে কাউকে আনফলো করেছেন কি না, সে বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে সতীর্থদের আনফলো করেছেন এমন দাবি এখনও অনুমানের পর্যায়েই রয়েছে।
ভাইরাল পরিসংখ্যানটি নিয়ে আলোচনা বাড়ার অন্যতম কারণ হলো দলের অন্যান্য ফুটবলারদের ফলো তালিকা। দেখা গেছে, পর্তুগাল জাতীয় দলের বেশিরভাগ সদস্যই প্রায় পুরো স্কোয়াডকে অনুসরণ করেন। সেই তুলনায় রোনালদোর অনুসরণ তালিকা অনেক ছোট হওয়ায় এটি আলাদা করে সবার নজর কেড়েছে।
দলের ভেতরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে সক্রিয় সম্পর্ক বজায় রেখেছেন মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং গোলরক্ষক হোসে সা। তারা দুজনই বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ জন সতীর্থকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন। এ কারণে তাদের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে।
এ ছাড়া নেলসন সেমেদো ও ভিতিনিয়াও সতীর্থদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। ভাইরাল তালিকা অনুযায়ী, তারা ২৪ জন করে সতীর্থকে অনুসরণ করেন। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের ভেতরের সম্পর্ক নিয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণও শুরু হয়েছে।
রোনালদোকে ঘিরে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে এর আগেও নানা গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। বিশ্বকাপ চলাকালে দলের অভ্যন্তরে মতবিরোধ ও সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। যদিও এসব অভিযোগের কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা কখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
এদিকে নতুন এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর আবারও আলোচনায় এসেছে পর্তুগাল দলের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কের বিষয়টি। তবে এখন পর্যন্ত পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশন কিংবা রোনালদো নিজে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। ফলে সামাজিক মাধ্যমে যত আলোচনা চলছে, তার বেশিরভাগই এখনো অনুমান এবং পরিসংখ্যানভিত্তিক ব্যাখ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।



























