চাপ আর্জেন্টিনার—বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের আগে এমন মন্তব্য করে আলোচনায় উঠে এসেছেন ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গেহি। তাঁর মতে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে শিরোপা ধরে রাখার বাড়তি দায়িত্ব আর্জেন্টিনার কাঁধে। তাই চাপ ইংল্যান্ডের নয়, বরং প্রতিপক্ষের ওপরই বেশি। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা এই বড় ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর একটি সুযোগ হিসেবেই দেখছেন।
আজকের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের দুই ঐতিহ্যবাহী শক্তি আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। দুই দলের লড়াই মানেই বাড়তি উত্তেজনা। অতীতের বেশ কয়েকটি স্মরণীয় ম্যাচের পাশাপাশি রাজনৈতিক ইতিহাসও এই দ্বৈরথকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। তবে ইংল্যান্ড শিবিরের দাবি, মাঠের বাইরের কোনো বিষয় নয়, পুরো মনোযোগ থাকবে শুধুই খেলায়।
ইংলিশ ডিফেন্ডার এজরি কনসা জানিয়েছেন, অতীতের ইতিহাস নিয়ে ভাবলে মাঠে ভালো খেলা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, দলের সবাই নিজেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেই বেশি মনোযোগী। কোনো আবেগ বা অতিরিক্ত চাপ ছাড়াই নিজেদের স্বাভাবিক ফুটবল খেলতে চান তাঁরা। সেমিফাইনালের মতো বড় ম্যাচে ঠান্ডা মাথায় খেলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
মার্ক গেহি বলেছেন, ইংল্যান্ডের ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ নেই। কারণ আর্জেন্টিনাই বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য তাদের। তাই দায়িত্বও তাদের বেশি। তিনি আরও বলেন, দলের সবাই এই ম্যাচকে উপভোগ করতে চায় এবং বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখছে।
ম্যাচে স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্র লিওনেল মেসি। তবে গেহির মতে, আর্জেন্টিনা শুধু একজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। মেসি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হলেও তাঁর পাশে আরও অনেক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। তাই শুধু মেসিকে আটকানো নয়, পুরো দলের বিপক্ষেই সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে খেলতে হবে ইংল্যান্ডকে।
সব মিলিয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের এই লড়াইয়ে উত্তেজনার কোনো কমতি নেই। একদিকে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে দীর্ঘ অপেক্ষা ভেঙে আবারও ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য ইংল্যান্ডের। মাঠের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার পরিকল্পনা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।


























