মেসিকে থামানোর চ্যালেঞ্জ এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ইংল্যান্ডের তরুণ লেফটব্যাক নিকো ও’রাইলি জানিয়েছেন, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তিকে আটকানোর সুযোগ জীবনে একবারই আসে। তাই এই ম্যাচ ঘিরে তাঁর উত্তেজনা ও আত্মবিশ্বাস দুটোই তুঙ্গে।
মাত্র ২১ বছর বয়সেই ইংল্যান্ডের প্রথম পছন্দের লেফটব্যাক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ও’রাইলি। এবার তাঁর সামনে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা লিওনেল মেসিকে সামলানোর দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ও’রাইলি বলেন, ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিশেষ একটি মুহূর্ত।
ও’রাইলির মতে, মেসি এখন ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে থাকলেও তাঁর খেলার মান এখনও বিশ্বের সেরাদের মধ্যে অন্যতম। তাই এই ম্যাচে নিজের সেরাটা দিতে চান ইংলিশ এই ডিফেন্ডার। তিনি বিশ্বাস করেন, কঠিন চ্যালেঞ্জ হলেও আত্মবিশ্বাস ও দলগত পরিকল্পনা থাকলে যেকোনো কিছু সম্ভব।
বিশ্বকাপের এই সেমিফাইনাল শুধু দুই দলের জন্য নয়, বরং কোটি কোটি ফুটবল সমর্থকের কাছেও একটি বিশেষ ম্যাচ। একদিকে শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন মেসি, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের ফুটবলাররা নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ পাচ্ছেন। তাই ম্যাচটি ঘিরে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।
ইংল্যান্ড ১৯৬৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এবার সেই দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটানোর স্বপ্ন দেখছে পুরো দল। ও’রাইলিও জানিয়েছেন, প্রতিদিন তিনি কল্পনা করেন—ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জিতে ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরছে এবং পুরো দেশ উদযাপনে মেতে উঠেছে। সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে হলে প্রথমেই আর্জেন্টিনার বাধা পেরোতে হবে।
এখন দেখার বিষয়, মেসিকে থামানোর চ্যালেঞ্জ কতটা সফলভাবে সামলাতে পারেন নিকো ও’রাইলি। অভিজ্ঞতা বনাম তারুণ্যের এই লড়াইয়ে কে শেষ পর্যন্ত হাসবে, তার উত্তর মিলবে সেমিফাইনালের মহারণে। ফুটবলপ্রেমীরা তাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচের জন্য |



























