ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo পারমাণবিক জাহাজে উত্তর মেরু ঘুরল রাজশাহীর প্রত্যয় Logo রায়গঞ্জে ব্যতিক্রমী ফুটবল আয়োজনে উন্মাদনায় মাতলেন যুবসমাজ Logo বিশ্বের শীর্ষ বন্দর তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ৬৮তম Logo মন ও শরীরের যত্নে প্রতিদিন ২০ মিনিট সময় দিন প্রকৃতিকে Logo কচু খেলে গলা ধরে কেন জানুন পুষ্টিগুণ ও সতর্কতার কারণ Logo অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে দিচ্ছেন রূপচর্চায় কাজে লাগা এই উপাদানগুলো Logo দামি স্কিনকেয়ার ছাড়াই সুন্দর ত্বক আর ঝলমলে চুলের সহজ উপায় Logo ভূরুঙ্গামারীতে এনসিপির ৩ মাসের আংশিক কমিটিতে আহ্বায়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরণ , সদস্য সচিব মোর্শেদুর রহমান আনিস Logo ওজন নিয়ন্ত্রণে স্ন্যাকস খাওয়ার সেরা সময় জানুন Logo চকরিয়া থানায় চাঞ্চল্যকর ডাকাতি সহ ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার, এলজি বন্দুকসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা

জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের প্রস্তুতি। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর দ্বিতীয় জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

জানাজার নামাজে ইমামতি করেন স্থানীয় একজন আলেম। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। সকাল থেকেই কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মানুষের সমাগম শুরু হয়। চন্দনাইশের পাশাপাশি সাতকানিয়া, পটিয়া, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম নগর এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা 1
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের বিভারলি হিল সোসাইটিতে তাঁর বাসভবনের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিজ জন্মস্থান চন্দনাইশে নেওয়া হয়, যেখানে দ্বিতীয় জানাজার আয়োজন করা হয়।

দ্বিতীয় জানাজা শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়। এ সময় গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। দাফনের সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা
নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি। ছবি: সংগৃহীত

জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত হয়ে নজরুল ইসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান এবং এলাকার উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সজ্জন, বিনয়ী ও জনবান্ধব রাজনীতিক। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত আচরণ ও মানবিক গুণাবলীর কারণে তিনি সকলের কাছে সম্মানিত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আজও মানুষ স্মরণ করে। তাঁর মৃত্যুতে চন্দনাইশসহ পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নজরুল ইসলাম চৌধুরী সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, মুক্তিযোদ্ধা সমাজ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

তিনি চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ) আসন থেকে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করেন।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন।

জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরও কাঞ্চনাবাদে মানুষের ভিড় কমেনি। অনেকে কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে চন্দনাইশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও অভিভাবককে হারিয়েছে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক জাহাজে উত্তর মেরু ঘুরল রাজশাহীর প্রত্যয়

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা

Update Time : ০৫:১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর দ্বিতীয় জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নিয়ে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

জানাজার নামাজে ইমামতি করেন স্থানীয় একজন আলেম। নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়। সকাল থেকেই কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মানুষের সমাগম শুরু হয়। চন্দনাইশের পাশাপাশি সাতকানিয়া, পটিয়া, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম নগর এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা 1
সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টায় চট্টগ্রাম নগরের বিভারলি হিল সোসাইটিতে তাঁর বাসভবনের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ নিজ জন্মস্থান চন্দনাইশে নেওয়া হয়, যেখানে দ্বিতীয় জানাজার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন  চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুর রহমান এর সাথে সদ্য মনোনীত চন্দনাইশ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাম্মেল হকের শুভেচ্ছা বিনিময়

দ্বিতীয় জানাজা শেষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়। এ সময় গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। দাফনের সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজা
নজরুল ইসলাম চৌধুরীর জানাজায় সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি। ছবি: সংগৃহীত

জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত হয়ে নজরুল ইসলাম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান এবং এলাকার উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সজ্জন, বিনয়ী ও জনবান্ধব রাজনীতিক। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ব্যক্তিগত আচরণ ও মানবিক গুণাবলীর কারণে তিনি সকলের কাছে সম্মানিত ছিলেন।

আরও পড়ুন  হাসপাতাল থেকে বিদেশে গর্ভফুল পাচার, পাকিস্তানে চাঞ্চল্যকর চক্র ফাঁস

স্থানীয় বাসিন্দারাও জানান, নজরুল ইসলাম চৌধুরী সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান আজও মানুষ স্মরণ করে। তাঁর মৃত্যুতে চন্দনাইশসহ পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নজরুল ইসলাম চৌধুরী সোমবার (১৩ জুলাই) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গন, মুক্তিযোদ্ধা সমাজ এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।

তিনি চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ) আসন থেকে তিনবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘ সময় ধরে স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করেন।

আরও পড়ুন  রুশ বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে নিহত কিশোরগঞ্জের তরুণ রিয়াদ রশিদ

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তিনি সক্রিয় ছিলেন। এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন।

জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরও কাঞ্চনাবাদে মানুষের ভিড় কমেনি। অনেকে কবর জিয়ারত করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, নজরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে চন্দনাইশ একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও অভিভাবককে হারিয়েছে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।