শবনম ফারিয়া মন্তব্য আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী নিজের ১৪ বছরের ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ এবং তাঁকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া গুজব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। একই সঙ্গে মিডিয়ায় কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কেও জানিয়েছেন নিজের অবস্থান।
ফারিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে পড়াশোনার পাশাপাশি বিজ্ঞাপন ও ফটোশুটের মাধ্যমে শোবিজে পথচলা শুরু হয় তাঁর। পরের বছর অভিনয়ে অভিষেক হলেও পরিবারের সিদ্ধান্তে পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিনয়ে নিয়মিত হতে পারেননি। স্নাতক শেষ করার পর টেলিভিশন নাটকে ব্যস্ত সময় পার করেন তিনি।
অভিনেত্রী জানান, ২০২০ সালের পর করোনা পরিস্থিতি, ব্যক্তিগত জীবনের পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যগত কারণে অভিনয়ে বিরতি নেন। ওই সময় নিজের পড়াশোনা শেষ করে করপোরেট চাকরিতেও যুক্ত হন। তাঁর মতে, জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তই তিনি পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে তাঁর একটি মন্তব্য। ফারিয়া দাবি করেন, দীর্ঘ ১৪ বছরের ক্যারিয়ারে কেউ তাঁকে সরাসরি কিংবা ইঙ্গিতে কোনো আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার সাহস পায়নি। তাঁর বিশ্বাস, একজন মানুষ অন্যকে যতটুকু সুযোগ দেন, অন্যরাও ঠিক ততটুকুই এগিয়ে আসতে পারে। নিজের ব্যক্তিগত সীমারেখা সব সময় স্পষ্ট রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে প্রচলিত নানা ধারণারও সমালোচনা করেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর দাবি, পরিচালক ও প্রযোজকদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেসব গল্প প্রচার করা হয়, বাস্তবে সেগুলোর অধিকাংশের সঙ্গে সত্যের মিল নেই। কাজের ক্ষেত্রে তিনি সব সময় পরিচালকের মাধ্যমেই যোগাযোগ রেখেছেন এবং পেশাদার পরিবেশ বজায় রেখেছেন বলে জানান।
স্ট্যাটাসের শেষ অংশে গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন শবনম ফারিয়া। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললে প্রয়োজনীয় প্রমাণ প্রকাশ করবেন এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থাও নেবেন। তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তাঁর স্পষ্ট অবস্থানের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছেন।



























