জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ভর করে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড। নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জোড়া গোল করে দলের জয়ের নায়ক হয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। একই সঙ্গে তিনি ফিরিয়ে এনেছেন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার প্রায় ৪০ বছর আগের এক অনন্য কীর্তির স্মৃতি।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। ৩৬ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে তারা। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে অসাধারণ এক গোল করে সমতা ফেরান বেলিংহাম। তার সেই গোল ম্যাচে নতুন করে প্রাণ ফিরিয়ে আনে ইংলিশ শিবিরে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে আর কোনো দল গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটেই আবারও জালের দেখা পান বেলিংহাম। তার দ্বিতীয় গোলের পর নরওয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত বেলিংহামের জোড়া গোলেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
এর আগে শেষ ষোলোর ম্যাচেও মেক্সিকোর বিপক্ষে দুই গোল করেছিলেন বেলিংহাম। ফলে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করার বিরল কীর্তি গড়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।
বেলিংহামের আগে সর্বশেষ এই কীর্তি গড়েছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এবং সেমিফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। প্রায় চার দশক পর সেই এলিট তালিকায় নিজের নাম লেখালেন ইংল্যান্ডের এই তরুণ তারকা।
চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত বেলিংহামের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়ে। একই সংখ্যক গোল করেছেন তার সতীর্থ ও অধিনায়ক হ্যারি কেইনও। বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি টুর্নামেন্টে একই দেশের দুই ফুটবলার ছয় বা তার বেশি গোল করার নজির গড়লেন তারা। ফলে শিরোপার স্বপ্নে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে ইংল্যান্ড।


























