ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আপেল কতদিন ভালো থাকে? সংরক্ষণ ও পুষ্টিগুণ জানুন Logo শরীরের লোম হঠাৎ দাঁড়িয়ে যায় কেন? জানুন বৈজ্ঞানিক কারণ Logo সোনায় কেন মরিচা পড়ে না? জানালেন বিজ্ঞানীরা Logo চাপ আর্জেন্টিনার, দাবি ইংলিশ ডিফেন্ডার গেহির | বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের বড় বার্তা Logo বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জারি Logo হরমুজ টোল: ট্রাম্পের বিস্ফোরক পরিকল্পনার আসল রহস্য জানুন Logo হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯২ শিশু। Logo ইরানের নতুন চাল: বন্ধ হচ্ছে বাব-এল-মান্দেব? ২০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে তেল! Logo পদার্থ বিজ্ঞান ভুল প্রশ্নপত্র: দায়ীদের সাময়িক বরখাস্ত, ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর Logo মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ২০২৬ কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোনায় কেন মরিচা পড়ে না? জানালেন বিজ্ঞানীরা

মরিচা প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে সোনা বছরের পর বছর একই রকম উজ্জ্বল ও চকচকে থাকে।

লোহা, তামা কিংবা রুপার মতো ধাতু সময়ের সঙ্গে রং বদলায় বা মরিচা ধরে। কিন্তু শত বছর, এমনকি হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও সোনা একই রকম উজ্জ্বল থাকে। এতদিন বিজ্ঞানীরা জানতেন, সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে খুব কম রাসায়নিক বিক্রিয়া করে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, শুধু কম বিক্রিয়াশীল হওয়াই নয়, সোনার পরমাণুর বিশেষ বিন্যাসও এটিকে মরিচা থেকে রক্ষা করে। এই নতুন গবেষণা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও শিল্পে নতুন সম্ভাবনারও দ্বার খুলতে পারে।

মরিচা আসলে কী?

মরিচা হলো একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যাকে বিজ্ঞানীরা জারণ (Oxidation) বলেন। বাতাসের অক্সিজেন ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন যৌগ তৈরি করলে এই পরিবর্তন ঘটে।

বিভিন্ন ধাতুতে এর প্রভাব ভিন্ন হয়।

  • লোহায় লালচে মরিচা পড়ে।
  • তামার ওপর সবুজ আস্তরণ তৈরি হয়।
  • রুপা ধীরে ধীরে কালচে হয়ে যায়।
  • কিন্তু সোনার ক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন প্রায় দেখা যায় না।

এ কারণেই সোনাকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বিক্রিয়াশীল ধাতুগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।

নতুন গবেষণায় কী জানা গেল?

গবেষকদের মতে, সোনার পৃষ্ঠের ক্ষুদ্র পরমাণুগুলো স্থির থাকে না। নতুনভাবে কাটা বা উন্মুক্ত হওয়ার পর তারা দ্রুত নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে এমন একটি বিন্যাস তৈরি করে, যা অক্সিজেনের জন্য রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা কঠিন করে তোলে।

সহজভাবে বললে, সোনা নিজেই এমন একটি প্রতিরক্ষামূলক পরমাণবিক কাঠামো তৈরি করে, যা তাকে মরিচা থেকে রক্ষা করে।

কীভাবে বদলে যায় পরমাণুর বিন্যাস?

গবেষণায় দেখা গেছে, শুরুতে সোনার পরমাণুগুলো তুলনামূলকভাবে চারকোনা বিন্যাসে থাকে। পরে খুব দ্রুত তারা ষড়ভুজ আকৃতির মতো আরও স্থিতিশীল বিন্যাসে চলে যায়।

এই পরিবর্তনের ফলে—

  • অক্সিজেন সহজে সোনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি অনেক কমে যায়।
  • সোনার উজ্জ্বলতা দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ন থাকে।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরমাণবিন্যাস পরিবর্তনের কারণে জারণের গতি প্রায় ১০০ কোটি থেকে ১০ লাখ কোটি গুণ পর্যন্ত ধীর হয়ে যায়।

যদি এই পরিবর্তন না হতো?

বিজ্ঞানীদের মতে, সোনার পরমাণুগুলো যদি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন না করত, তাহলে নতুন কাটা সোনা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া শুরু করতে পারত।

অর্থাৎ, সোনার দীর্ঘস্থায়ী উজ্জ্বলতার অন্যতম কারণ এই স্বয়ংক্রিয় পরমাণবিন্যাস।

তাহলে কি সোনা কখনোই বিক্রিয়া করে না?

অনেকেই মনে করেন, সোনা কখনোই অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। তবে বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন।

বিশেষ পরীক্ষাগারের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে। তবে সেই বিক্রিয়ায় তৈরি যৌগ খুবই অস্থায়ী।

ফলে—

  • অল্প সময়ের মধ্যেই যৌগটি ভেঙে যায়।
  • সোনার রং বা উজ্জ্বলতায় স্থায়ী কোনো পরিবর্তন আসে না।
  • বাস্তব জীবনে সোনা মরিচা পড়েছে বলে মনে হয় না।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গবেষণার গুরুত্ব শুধু সোনার বৈশিষ্ট্য জানাতেই সীমাবদ্ধ নয়।

এই গবেষণা ভবিষ্যতে নতুন ধরনের উন্নত উপাদান তৈরিতে সহায়ক হতে পারে, যা বিভিন্ন শিল্প ও প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

সম্ভাব্য ব্যবহারগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • নতুন ওষুধ তৈরির প্রযুক্তি
  • পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন
  • শিল্পকারখানার রাসায়নিক প্রক্রিয়া উন্নত করা
  • যানবাহনের ক্ষতিকর নির্গমন কমানো
  • উন্নত ক্যাটালিস্ট তৈরির গবেষণা

শুধু গয়না নয়, প্রযুক্তিতেও অপরিহার্য সোনা

সোনার ব্যবহার কেবল অলংকারেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে আধুনিক প্রযুক্তিতেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে সোনা ব্যবহার করা হয়—

  • মহাকাশ প্রযুক্তিতে
  • কম্পিউটারের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে
  • স্মার্টফোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে
  • চিকিৎসা যন্ত্রে
  • উচ্চমানের বৈদ্যুতিক সংযোগ তৈরিতে

কারণ সোনা—

  • সহজে মরিচা ধরে না।
  • বিদ্যুৎ ভালো পরিবহন করে।
  • দীর্ঘদিন রং ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখে।
  • সহজে বিভিন্ন আকারে তৈরি করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে

  • সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে খুব কম বিক্রিয়া করে।
  • পরমাণুর বিশেষ বিন্যাস সোনাকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়।
  • এই বিন্যাস অক্সিজেনকে সহজে বিক্রিয়া করতে বাধা দেয়।
  • জারণের গতি কোটি কোটি গুণ ধীর হয়ে যায়।
  • পরীক্ষাগারে অস্থায়ী বিক্রিয়া হলেও বাস্তবে সোনা মরিচা ধরে না।
  • গবেষণার ফল ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও শিল্পে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

সোনার উজ্জ্বলতা শুধু তার সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং এর অনন্য পরমাণবিন্যাসের ফল। নতুন গবেষণায় স্পষ্ট হয়েছে, সোনার ক্ষুদ্র পরমাণুগুলো নিজেরাই এমনভাবে অবস্থান পরিবর্তন করে যে অক্সিজেন সহজে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে পারে না। এ কারণেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সোনা তার রং, উজ্জ্বলতা ও গুণগত বৈশিষ্ট্য অটুট রাখতে সক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত শিল্প উপাদান তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আপেল কতদিন ভালো থাকে? সংরক্ষণ ও পুষ্টিগুণ জানুন

সোনায় কেন মরিচা পড়ে না? জানালেন বিজ্ঞানীরা

Update Time : ০৫:১৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

লোহা, তামা কিংবা রুপার মতো ধাতু সময়ের সঙ্গে রং বদলায় বা মরিচা ধরে। কিন্তু শত বছর, এমনকি হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও সোনা একই রকম উজ্জ্বল থাকে। এতদিন বিজ্ঞানীরা জানতেন, সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে খুব কম রাসায়নিক বিক্রিয়া করে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা জানিয়েছেন, শুধু কম বিক্রিয়াশীল হওয়াই নয়, সোনার পরমাণুর বিশেষ বিন্যাসও এটিকে মরিচা থেকে রক্ষা করে। এই নতুন গবেষণা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও শিল্পে নতুন সম্ভাবনারও দ্বার খুলতে পারে।

মরিচা আসলে কী?

মরিচা হলো একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া, যাকে বিজ্ঞানীরা জারণ (Oxidation) বলেন। বাতাসের অক্সিজেন ধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে নতুন যৌগ তৈরি করলে এই পরিবর্তন ঘটে।

বিভিন্ন ধাতুতে এর প্রভাব ভিন্ন হয়।

  • লোহায় লালচে মরিচা পড়ে।
  • তামার ওপর সবুজ আস্তরণ তৈরি হয়।
  • রুপা ধীরে ধীরে কালচে হয়ে যায়।
  • কিন্তু সোনার ক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন প্রায় দেখা যায় না।

এ কারণেই সোনাকে বিশ্বের সবচেয়ে কম বিক্রিয়াশীল ধাতুগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়।

নতুন গবেষণায় কী জানা গেল?

গবেষকদের মতে, সোনার পৃষ্ঠের ক্ষুদ্র পরমাণুগুলো স্থির থাকে না। নতুনভাবে কাটা বা উন্মুক্ত হওয়ার পর তারা দ্রুত নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে এমন একটি বিন্যাস তৈরি করে, যা অক্সিজেনের জন্য রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা কঠিন করে তোলে।

আরও পড়ুন  প্রেশার কুকারে তেজপাতা দিলে কি বিস্ফোরণ হতে পারে?

সহজভাবে বললে, সোনা নিজেই এমন একটি প্রতিরক্ষামূলক পরমাণবিক কাঠামো তৈরি করে, যা তাকে মরিচা থেকে রক্ষা করে।

কীভাবে বদলে যায় পরমাণুর বিন্যাস?

গবেষণায় দেখা গেছে, শুরুতে সোনার পরমাণুগুলো তুলনামূলকভাবে চারকোনা বিন্যাসে থাকে। পরে খুব দ্রুত তারা ষড়ভুজ আকৃতির মতো আরও স্থিতিশীল বিন্যাসে চলে যায়।

এই পরিবর্তনের ফলে—

  • অক্সিজেন সহজে সোনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না।
  • রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি অনেক কমে যায়।
  • সোনার উজ্জ্বলতা দীর্ঘদিন অক্ষুণ্ন থাকে।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরমাণবিন্যাস পরিবর্তনের কারণে জারণের গতি প্রায় ১০০ কোটি থেকে ১০ লাখ কোটি গুণ পর্যন্ত ধীর হয়ে যায়।

যদি এই পরিবর্তন না হতো?

বিজ্ঞানীদের মতে, সোনার পরমাণুগুলো যদি নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন না করত, তাহলে নতুন কাটা সোনা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া শুরু করতে পারত।

অর্থাৎ, সোনার দীর্ঘস্থায়ী উজ্জ্বলতার অন্যতম কারণ এই স্বয়ংক্রিয় পরমাণবিন্যাস।

আরও পড়ুন  হাঁটার সময় বেখেয়াল হয়ে পড়ছেন না তো?

তাহলে কি সোনা কখনোই বিক্রিয়া করে না?

অনেকেই মনে করেন, সোনা কখনোই অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না। তবে বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন।

বিশেষ পরীক্ষাগারের নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করতে পারে। তবে সেই বিক্রিয়ায় তৈরি যৌগ খুবই অস্থায়ী।

ফলে—

  • অল্প সময়ের মধ্যেই যৌগটি ভেঙে যায়।
  • সোনার রং বা উজ্জ্বলতায় স্থায়ী কোনো পরিবর্তন আসে না।
  • বাস্তব জীবনে সোনা মরিচা পড়েছে বলে মনে হয় না।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণা?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গবেষণার গুরুত্ব শুধু সোনার বৈশিষ্ট্য জানাতেই সীমাবদ্ধ নয়।

এই গবেষণা ভবিষ্যতে নতুন ধরনের উন্নত উপাদান তৈরিতে সহায়ক হতে পারে, যা বিভিন্ন শিল্প ও প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

সম্ভাব্য ব্যবহারগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • নতুন ওষুধ তৈরির প্রযুক্তি
  • পরিবেশবান্ধব জ্বালানি উৎপাদন
  • শিল্পকারখানার রাসায়নিক প্রক্রিয়া উন্নত করা
  • যানবাহনের ক্ষতিকর নির্গমন কমানো
  • উন্নত ক্যাটালিস্ট তৈরির গবেষণা

শুধু গয়না নয়, প্রযুক্তিতেও অপরিহার্য সোনা

সোনার ব্যবহার কেবল অলংকারেই সীমাবদ্ধ নয়। এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে আধুনিক প্রযুক্তিতেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বর্তমানে সোনা ব্যবহার করা হয়—

  • মহাকাশ প্রযুক্তিতে
  • কম্পিউটারের সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশে
  • স্মার্টফোন ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে
  • চিকিৎসা যন্ত্রে
  • উচ্চমানের বৈদ্যুতিক সংযোগ তৈরিতে
আরও পড়ুন  রাতে ভাত খাওয়া ভালো নাকি ক্ষতি? জানালেন পুষ্টিবিদ

কারণ সোনা—

  • সহজে মরিচা ধরে না।
  • বিদ্যুৎ ভালো পরিবহন করে।
  • দীর্ঘদিন রং ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখে।
  • সহজে বিভিন্ন আকারে তৈরি করা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে

  • সোনা অক্সিজেনের সঙ্গে খুব কম বিক্রিয়া করে।
  • পরমাণুর বিশেষ বিন্যাস সোনাকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়।
  • এই বিন্যাস অক্সিজেনকে সহজে বিক্রিয়া করতে বাধা দেয়।
  • জারণের গতি কোটি কোটি গুণ ধীর হয়ে যায়।
  • পরীক্ষাগারে অস্থায়ী বিক্রিয়া হলেও বাস্তবে সোনা মরিচা ধরে না।
  • গবেষণার ফল ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও শিল্পে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

সোনার উজ্জ্বলতা শুধু তার সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং এর অনন্য পরমাণবিন্যাসের ফল। নতুন গবেষণায় স্পষ্ট হয়েছে, সোনার ক্ষুদ্র পরমাণুগুলো নিজেরাই এমনভাবে অবস্থান পরিবর্তন করে যে অক্সিজেন সহজে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে পারে না। এ কারণেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সোনা তার রং, উজ্জ্বলতা ও গুণগত বৈশিষ্ট্য অটুট রাখতে সক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত শিল্প উপাদান তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।