ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা Logo বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ, দর-কষাকষি শেষ, চুক্তি সই শিগগিরই Logo গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু Logo গ্যাস সংকটে উৎপাদন কমেছে: ছুটি বাড়াচ্ছে শিল্পকারখানা Logo পাট রপ্তানিতে বড় লক্ষ্য: ৫ বছরে দ্বিগুণ আয়ের পরিকল্পনা Logo এআই ডেটা সেন্টারে যুদ্ধের হুমকি: কেন সহজ টার্গেট হয়ে উঠছে? Logo স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি? Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার?

গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:১৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০২

গাজা চুক্তির শর্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা জানিয়েছেন নেতানিয়াহু।

গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তাবিত শান্তি উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না করে গাজায় স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফলে শান্তি চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের সঙ্গে ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে।

ট্রাম্পের বিশেষ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহু জানান, গাজার পুনর্গঠন শুরুর আগে হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে দিতে হবে। একই সঙ্গে গাজা উপত্যকাকে স্থায়ীভাবে সামরিকমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি জোর দেন। তার মতে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু হলে ভবিষ্যতে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হামাসকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছে। সেই পরিকল্পনায় গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার এবং একই সময়ে হামাসের অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তী আলোচনায় এই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

ইসরায়েলের আপত্তির পর আলোচনায় যুক্ত পক্ষগুলো জানায়, সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধবিরতি ও পুনর্গঠনের আগে নিরাপত্তা ইস্যুকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে তেল আবিব।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাব এবং নেতানিয়াহুর কঠোর অবস্থানের মধ্যে এই মতপার্থক্য ভবিষ্যৎ আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও উভয় পক্ষই গাজায় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কথা বলছে, তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথ ও শর্ত নিয়ে এখনও ঐকমত্য তৈরি হয়নি।

১৫ টাকার চাল কর্মসূচি: ৫৫ লাখ পরিবার পাচ্ছে খাদ্য সহায়তা

গাজা চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধে নেতানিয়াহু

Update Time : ১১:১৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তাবিত শান্তি উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না করে গাজায় স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফলে শান্তি চুক্তির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থানের সঙ্গে ইসরায়েলের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য স্পষ্ট হয়েছে।

ট্রাম্পের বিশেষ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহু জানান, গাজার পুনর্গঠন শুরুর আগে হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে দিতে হবে। একই সঙ্গে গাজা উপত্যকাকে স্থায়ীভাবে সামরিকমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি জোর দেন। তার মতে, নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু হলে ভবিষ্যতে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন  ২৫০ বছরে কেন এত বিভক্ত যুক্তরাষ্ট্র? ট্রাম্প কি মূল কারণ?

গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হামাসকে কেন্দ্র করে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতার পথ তৈরি হয়েছে। সেই পরিকল্পনায় গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা ধাপে ধাপে প্রত্যাহার এবং একই সময়ে হামাসের অস্ত্র সমর্পণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তী আলোচনায় এই প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

ইসরায়েলের আপত্তির পর আলোচনায় যুক্ত পক্ষগুলো জানায়, সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, যুদ্ধবিরতি ও পুনর্গঠনের আগে নিরাপত্তা ইস্যুকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে তেল আবিব।

আরও পড়ুন  আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন ট্রাম্পের দূত ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাব এবং নেতানিয়াহুর কঠোর অবস্থানের মধ্যে এই মতপার্থক্য ভবিষ্যৎ আলোচনায় প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও উভয় পক্ষই গাজায় দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার কথা বলছে, তবে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথ ও শর্ত নিয়ে এখনও ঐকমত্য তৈরি হয়নি।