ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এভারেস্ট অভিযান: মৃত্যুঝুঁকির মুখে বাংলাদেশের পতাকা তুললেন নুরুননাহার নিম্নি Logo চবিতে দেশের প্রথম ওশান স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন চালু Logo রাশিয়ায় এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনা বাংলাদেশের, দ্রুত সম্মতি দিল রাশিয়া Logo মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন যেভাবে, জেনে নিন লাইভ স্ট্রিমিং গাইড Logo মেসির প্রত্যাবর্তন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে Logo বন্যপ্রাণী পাচারকারী গ্রেপ্তার: কক্সবাজারে উদ্ধার ক্যাপড ল্যাঙ্গুর ও ১২ কচ্ছপ Logo ওয়ালটন চাকরি: আরএসএম পদে আবেদন চলছে Logo নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে রাজমিস্ত্রিকে গুলি, হাসপাতালে ভর্তি Logo রাশিয়ায় কর্মী পাঠানো বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ Logo মার্তিনেজকে দলে চায় জুভেন্তাস, বিশ্বকাপের আগে জোর গুঞ্জন

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯৪০ টাকা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৫:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৩৮

চিত্রঃ ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৪০ টাকা।

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে এক ধাক্কায় সিলিন্ডারপ্রতি ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এলপি গ্যাস মূলত শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধা নেই, সেখানে সিলিন্ডার গ্যাসের ওপরই নির্ভর করতে হয় মানুষকে। ফলে দাম বাড়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অনেকেই বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের মধ্যে এটি নতুন চাপ হয়ে দাঁড়াবে। নতুন দামে ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে এখন প্রায় দুই হাজার টাকার কাছাকাছি অর্থ ব্যয় করতে হবে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য এটি বড় ধরনের চাপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। কারণ মাসিক আয় অপরিবর্তিত থাকলেও ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে সংসারের অন্যান্য খরচ কমিয়ে গ্যাস কিনতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ে। এলপি গ্যাস আমদানিনির্ভর হওয়ায় বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব দেখা যায়। তাই নতুন মূল্য নির্ধারণে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহিণীরা বলছেন, প্রতিদিনের রান্নাবান্নায় গ্যাসের ব্যবহার অপরিহার্য। সিলিন্ডারের দাম বাড়লে মাসিক বাজেট নতুন করে সাজাতে হবে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে চাল, ডাল, তেল, সবজি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ার কারণে চাপে রয়েছে। এখন গ্যাসের বাড়তি মূল্য সেই সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

শুধু পরিবার নয়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও খাবারের দোকান পরিচালনাকারীরাও এই সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন। ছোট হোটেল, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকান, বেকারি এবং ফাস্টফুড ব্যবসায়ীরা নিয়মিত একাধিক সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। ফলে প্রতিটি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ব্যয় তাদের মোট খরচ অনেক বাড়িয়ে দেবে। এতে খাবারের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি, কাঁচামালের দাম এবং বিদ্যুৎ ব্যয় আগে থেকেই বেড়েছে। তার সঙ্গে সিলিন্ডার গ্যাসের নতুন মূল্য যুক্ত হওয়ায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ বলছেন, বাধ্য হয়ে পণ্যের দাম বাড়াতে হবে। অন্যথায় লোকসান গুনে ব্যবসা চালানো সম্ভব হবে না।

এদিকে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা জরুরি। কোন ভিত্তিতে দাম বাড়ানো হলো, কীভাবে হিসাব করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশে দ্রুত সমন্বয় করা হবে কি না, সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা দরকার। এতে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। সৌরশক্তি, বিদ্যুৎনির্ভর রান্না ব্যবস্থা এবং নিরাপদ গ্যাস অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা গেলে এলপি গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে উঠলে দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

বর্তমানে দেশে লাখো পরিবার নিয়মিত এলপি গ্যাস ব্যবহার করে। শহরের বহুতল ভবন, নতুন আবাসিক এলাকা এবং গ্রামীণ অঞ্চলেও এর ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। তাই এই পণ্যের মূল্য পরিবর্তন সরাসরি বড় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। নতুন দামে অনেক পরিবার এখন গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ খুঁজবে। বাজারে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কিছু এলাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি কেমন থাকে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অতীতে মূল্য পরিবর্তনের সময় কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

সব মিলিয়ে ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নতুন চাপ তৈরি করেছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ হওয়ায় পরিবার ও ব্যবসা—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়বে। এখন ক্রেতাদের প্রত্যাশা, বাজারে সঠিক দামে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং ভবিষ্যতে দাম কমার সুযোগ এলে দ্রুত সমন্বয় করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এভারেস্ট অভিযান: মৃত্যুঝুঁকির মুখে বাংলাদেশের পতাকা তুললেন নুরুননাহার নিম্নি

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯৪০ টাকা

Update Time : ০৫:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে এক ধাক্কায় সিলিন্ডারপ্রতি ২১২ টাকা বেশি গুনতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের। নতুন এই দাম কার্যকর হওয়ায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এলপি গ্যাস মূলত শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধা নেই, সেখানে সিলিন্ডার গ্যাসের ওপরই নির্ভর করতে হয় মানুষকে। ফলে দাম বাড়ার খবর প্রকাশের পর থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অনেকেই বলছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের মধ্যে এটি নতুন চাপ হয়ে দাঁড়াবে। নতুন দামে ১২ কেজি সিলিন্ডার কিনতে এখন প্রায় দুই হাজার টাকার কাছাকাছি অর্থ ব্যয় করতে হবে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য এটি বড় ধরনের চাপ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। কারণ মাসিক আয় অপরিবর্তিত থাকলেও ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এতে সংসারের অন্যান্য খরচ কমিয়ে গ্যাস কিনতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

আরও পড়ুন  রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৬টি: সিটি করপোরেশনের প্রস্তুতি

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পণ্যের দাম ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ এবং মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তনের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ে। এলপি গ্যাস আমদানিনির্ভর হওয়ায় বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব দেখা যায়। তাই নতুন মূল্য নির্ধারণে এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গৃহিণীরা বলছেন, প্রতিদিনের রান্নাবান্নায় গ্যাসের ব্যবহার অপরিহার্য। সিলিন্ডারের দাম বাড়লে মাসিক বাজেট নতুন করে সাজাতে হবে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে চাল, ডাল, তেল, সবজি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ার কারণে চাপে রয়েছে। এখন গ্যাসের বাড়তি মূল্য সেই সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।

শুধু পরিবার নয়, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও খাবারের দোকান পরিচালনাকারীরাও এই সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন। ছোট হোটেল, রেস্তোরাঁ, চায়ের দোকান, বেকারি এবং ফাস্টফুড ব্যবসায়ীরা নিয়মিত একাধিক সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। ফলে প্রতিটি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ব্যয় তাদের মোট খরচ অনেক বাড়িয়ে দেবে। এতে খাবারের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ভাড়া, শ্রমিকের মজুরি, কাঁচামালের দাম এবং বিদ্যুৎ ব্যয় আগে থেকেই বেড়েছে। তার সঙ্গে সিলিন্ডার গ্যাসের নতুন মূল্য যুক্ত হওয়ায় ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ বলছেন, বাধ্য হয়ে পণ্যের দাম বাড়াতে হবে। অন্যথায় লোকসান গুনে ব্যবসা চালানো সম্ভব হবে না।

আরও পড়ুন  বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমান

এদিকে ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা জরুরি। কোন ভিত্তিতে দাম বাড়ানো হলো, কীভাবে হিসাব করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশে দ্রুত সমন্বয় করা হবে কি না, সে বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা দরকার। এতে সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দীর্ঘমেয়াদে বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। সৌরশক্তি, বিদ্যুৎনির্ভর রান্না ব্যবস্থা এবং নিরাপদ গ্যাস অবকাঠামো সম্প্রসারণ করা গেলে এলপি গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক বাজার গড়ে উঠলে দামও নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে।

আরও পড়ুন  এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য কার্যকর

বর্তমানে দেশে লাখো পরিবার নিয়মিত এলপি গ্যাস ব্যবহার করে। শহরের বহুতল ভবন, নতুন আবাসিক এলাকা এবং গ্রামীণ অঞ্চলেও এর ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। তাই এই পণ্যের মূল্য পরিবর্তন সরাসরি বড় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। নতুন দামে অনেক পরিবার এখন গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পথ খুঁজবে। বাজারে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার পর কিছু এলাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি কেমন থাকে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অতীতে মূল্য পরিবর্তনের সময় কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি জোরদার করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।

সব মিলিয়ে ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নতুন চাপ তৈরি করেছে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ হওয়ায় পরিবার ও ব্যবসা—উভয় ক্ষেত্রেই ব্যয় বাড়বে। এখন ক্রেতাদের প্রত্যাশা, বাজারে সঠিক দামে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং ভবিষ্যতে দাম কমার সুযোগ এলে দ্রুত সমন্বয় করা হবে।