ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার এবং ঐতিহাসিক পুডু জেলের বিস্ময়কর ইতিহাস

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার। ছবি: সংগৃহীত

বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত একসময়ের কুখ্যাত ও শতবর্ষী ‘পুডু জেল’-এর জায়গায় গড়ে ওঠা একটি অত্যাধুনিক নগর কেন্দ্র। একসময় যেখানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের রাখা হতো, সেই ভয়াল জমিতেই আজ গড়ে উঠেছে আলোকোজ্জ্বল বাণিজ্য কেন্দ্র।

১৮৯১ থেকে ১৮৯৫ সালের মধ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আমলে এই কারাগারটি তৈরি করা হয়েছিল, যার নির্মাণকাজে বন্দীরা নিজেই শ্রম দিয়েছিল। নির্মাণকাজের পূর্বে এখানে একটি ঘন জঙ্গল ও প্রাচীন কবরস্থান ছিল, যেখানে মালয় বাঘের আনাগোনা দেখা যেত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি যুদ্ধবন্দী শিবির হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরবর্তীতে গুরুতর অপরাধীদের ফাঁসি ও বেত্রাঘাতের শাস্তি এখানে দেওয়া হতো।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে কুয়ালালামপুরের আধুনিকায়ন শুরু হলে কেন্দ্রস্থলের জেলের উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ১০১ বছর চালুর পর ১৯৯৬ সালে কারাগারটি চিরতরে বন্ধ করে বন্দীদের স্থানান্তর করা হয়।

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পুরো জটিলটি ভেঙে ফেলা হলেও জনদাবির মুখে ঐতিহাসিক প্রধান ফটক ও বাইরের দেওয়ালের একাংশ সংরক্ষণ করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার এবং ঐতিহাসিক পুডু জেলের বিস্ময়কর ইতিহাস

Update Time : ০৮:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

বুকিত বিনতাং সিটি সেন্টার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত একসময়ের কুখ্যাত ও শতবর্ষী ‘পুডু জেল’-এর জায়গায় গড়ে ওঠা একটি অত্যাধুনিক নগর কেন্দ্র। একসময় যেখানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের রাখা হতো, সেই ভয়াল জমিতেই আজ গড়ে উঠেছে আলোকোজ্জ্বল বাণিজ্য কেন্দ্র।

১৮৯১ থেকে ১৮৯৫ সালের মধ্যে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের আমলে এই কারাগারটি তৈরি করা হয়েছিল, যার নির্মাণকাজে বন্দীরা নিজেই শ্রম দিয়েছিল। নির্মাণকাজের পূর্বে এখানে একটি ঘন জঙ্গল ও প্রাচীন কবরস্থান ছিল, যেখানে মালয় বাঘের আনাগোনা দেখা যেত।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর: লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি যুদ্ধবন্দী শিবির হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরবর্তীতে গুরুতর অপরাধীদের ফাঁসি ও বেত্রাঘাতের শাস্তি এখানে দেওয়া হতো।

আশি ও নব্বইয়ের দশকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের নেতৃত্বে কুয়ালালামপুরের আধুনিকায়ন শুরু হলে কেন্দ্রস্থলের জেলের উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ১০১ বছর চালুর পর ১৯৯৬ সালে কারাগারটি চিরতরে বন্ধ করে বন্দীদের স্থানান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন  খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ইরানের স্পিকার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পুরো জটিলটি ভেঙে ফেলা হলেও জনদাবির মুখে ঐতিহাসিক প্রধান ফটক ও বাইরের দেওয়ালের একাংশ সংরক্ষণ করা হয়।