ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার পথে রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করেছেন। বুধবার ভোরে বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের শীর্ষ নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভকামনা ব্যক্ত করেন ভুটানি রাষ্ট্রপ্রধান, একইসাথে তাকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর-এর আমন্ত্রণ জানানো হয়।
প্রতুত্তরে ভুটানের রাজা-ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে থিম্পু সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভুটানের অবদান স্মরণ করে বলা হয়, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দিয়ে দুই দেশের মাঝে চিরস্থায়ী বন্ধুত্বের ইতিহাস রচিত হয়েছিল।
আলোচনায় শিক্ষা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে ভুটানি রাষ্ট্রপ্রধান তাদের স্বপ্নের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সহযোগিতার আহ্বান জানান। জবাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আঞ্চলিক সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে এই রূপান্তরমূলক উদ্যোগে যৌথভাবে কাজ করার স্পষ্ট আশ্বাস ব্যক্ত করেন।
সংক্ষিপ্ত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের রাজা-কে বহনকারী


























