কলেরা টিকা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করছেন উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। ‘প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-২০২৬’-এর আওতায় দেশের নির্দিষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিনামূল্যে মুখে খাওয়ার টিকা দেওয়া হচ্ছে। এ কর্মসূচির লক্ষ্য কলেরার সংক্রমণ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা বাড়ানো।
প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলা ও থানায় টিকাদান শুরু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটি এলাকাও রয়েছে। প্রথম ডোজের পর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন টিকাকেন্দ্রে শিশু ও অন্যান্য বয়সী নাগরিকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে টিকা নিতে দেখা গেছে। অনেক অভিভাবক সন্তানদের টিকা খাওয়াতে কেন্দ্রে নিয়ে এসে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই ধাপে দেওয়া এই টিকা কলেরা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পর্যায়ক্রমে উচ্চঝুঁকিতে থাকা আরও এলাকায় কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, আইসিডিডিআর,বি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে। টিকা নেওয়ার পাশাপাশি নিরাপদ পানি পান, খাবার পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার মতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কলেরা প্রতিরোধে টিকাদানের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ পানির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই টিকা কর্মসূচির পাশাপাশি সচেতনতা কার্যক্রমও অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।























