ঢাকা ০১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০২

কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতির কারণে সড়কের পাশের খাদে উল্টে গেছে একটি ট্রাক

কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কের মাগুরাডাঙ্গা ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় দুই মাসেও বেশি সময় ধরে চলছে কালভার্ট নির্মাণকাজ। তবে দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় এবং সড়কের সংস্কারকাজে ধীরগতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি এখন যান চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। এতে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ চললেও কাজের তেমন অগ্রগতি নেই। মূল সড়কের একটি অংশ কেটে রাখায় যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, সাইনবোর্ড ও আলোর ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
এরই মধ্যে গত রোববার ও সোমবার রাতে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি মালবাহী ট্রাক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায় এবং অন্যটি সড়কের ওপরই উল্টে পড়ে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান চালকেরা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় প্রাণহানির মতো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ওই সড়ক দিয়ে চলা বেলকাটি গ্রামের পথচারী রনি হোসেন বলেন, “মেইন রাস্তা প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে কেটে রাখা হয়েছে। অথচ ঠিকাদার দ্রুত কাজ শেষ না করে ফেলে রেখেছেন। এতে আমাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। রাতের বেলায় এ সড়ক দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।”

এ বিষয়ে ঠিকাদার আব্দুল খালেক (ভাটা খালেক) বলেন, “একটি কালভার্ট নির্মাণ করতে সাধারণত প্রায় দুই মাস সময় লাগে। কালভার্টের কাজের নির্ধারিত সময় এখন শেষের দিকে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই কাজটি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছি। হালকা বৃষ্টির কারণে সড়কে দুর্ঘটনার ঘটনাটি শুনেছি। দ্রুত কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

উপজেলা প্রকৌশলী এম. এ জাসির বলেন, “সড়কটির কারণে দীর্ঘদিন ধরে পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কালভার্ট নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ

Update Time : ১২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কের মাগুরাডাঙ্গা ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় দুই মাসেও বেশি সময় ধরে চলছে কালভার্ট নির্মাণকাজ। তবে দীর্ঘ সময়েও কাজ শেষ না হওয়ায় এবং সড়কের সংস্কারকাজে ধীরগতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি এখন যান চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ ও বড় বড় গর্ত। এতে প্রতিদিনই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, যাত্রী ও যানবাহন চালকেরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণকাজ চললেও কাজের তেমন অগ্রগতি নেই। মূল সড়কের একটি অংশ কেটে রাখায় যানবাহন চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা, সাইনবোর্ড ও আলোর ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছে।
এরই মধ্যে গত রোববার ও সোমবার রাতে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি মালবাহী ট্রাক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কের পাশের খাদে উল্টে যায় এবং অন্যটি সড়কের ওপরই উল্টে পড়ে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান চালকেরা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় প্রাণহানির মতো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন  রাজধানীর মার্কেট বন্ধ: আজ যেসব এলাকায় কেনাকাটা বন্ধ

ওই সড়ক দিয়ে চলা বেলকাটি গ্রামের পথচারী রনি হোসেন বলেন, “মেইন রাস্তা প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে কেটে রাখা হয়েছে। অথচ ঠিকাদার দ্রুত কাজ শেষ না করে ফেলে রেখেছেন। এতে আমাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। রাতের বেলায় এ সড়ক দিয়ে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।”

এ বিষয়ে ঠিকাদার আব্দুল খালেক (ভাটা খালেক) বলেন, “একটি কালভার্ট নির্মাণ করতে সাধারণত প্রায় দুই মাস সময় লাগে। কালভার্টের কাজের নির্ধারিত সময় এখন শেষের দিকে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই কাজটি সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছি। হালকা বৃষ্টির কারণে সড়কে দুর্ঘটনার ঘটনাটি শুনেছি। দ্রুত কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

আরও পড়ুন  বিশ্বের দীর্ঘতম ফ্লাইট: নতুন যুগের শক্তিশালী পরীক্ষা শুরু

উপজেলা প্রকৌশলী এম. এ জাসির বলেন, “সড়কটির কারণে দীর্ঘদিন ধরে পথচারীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। কালভার্ট নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।