ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ার তেল বাণিজ্যের পক্ষে ভারত

ইউক্রেন সফরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই ইউক্রেন যুদ্ধ থেমে যাবে না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি বিশ্লেষণে বিষয়টি বর্তমানে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। কিয়েভে ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা এই বৈশ্বিক সংকটের স্থায়ী সমাধান কেবল সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। খনিজ, সার কিংবা জ্বালানি আমদানির ওপর যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে না বলে জানান ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশাল চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারতের এই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে অন্যদের সম্মান করা উচিত। পশ্চিমা দেশগুলোর নানামুখী চাপ এবং সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্য খর্ব করতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো নানা শুল্ক নীতি ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সিনেটে পাস হওয়া নতুন বিলের মাধ্যমে রাশিয়ান তেল ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এতসব কূটনৈতিক চাপের মুখেও রাশিয়া বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশ হিসেবে টিকে আছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য নিউজ থেকে জানা যায়, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই উৎস থেকেই সফলভাবে পূরণ হচ্ছে।

ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার পর এশিয়ান বাজারগুলোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় পরিশোধনাগারগুলোর ভূমিকা আরও জোরালো হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারত তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ার তেল বাণিজ্যের পক্ষে ভারত

Update Time : ০১:৫৪:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করলেই ইউক্রেন যুদ্ধ থেমে যাবে না বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি বিশ্লেষণে বিষয়টি বর্তমানে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। কিয়েভে ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে চলা এই বৈশ্বিক সংকটের স্থায়ী সমাধান কেবল সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। খনিজ, সার কিংবা জ্বালানি আমদানির ওপর যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে না বলে জানান ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন  বিল গেটসের গোপন সম্পর্কের স্বীকারোক্তি, নতুন বিতর্ক

১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিশাল চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারতের এই অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে অন্যদের সম্মান করা উচিত। পশ্চিমা দেশগুলোর নানামুখী চাপ এবং সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রাশিয়ার জ্বালানি বাণিজ্য খর্ব করতে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো নানা শুল্ক নীতি ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন সিনেটে পাস হওয়া নতুন বিলের মাধ্যমে রাশিয়ান তেল ক্রেতাদের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ফুটবলপ্রেমীদের কাছে একটি নতুন নাম আরলিং হালান্ড

এতসব কূটনৈতিক চাপের মুখেও রাশিয়া বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশ হিসেবে টিকে আছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য নিউজ থেকে জানা যায়, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ এই উৎস থেকেই সফলভাবে পূরণ হচ্ছে।

ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার পর এশিয়ান বাজারগুলোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতীয় পরিশোধনাগারগুলোর ভূমিকা আরও জোরালো হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভারত তার নিজস্ব জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের আগে ন্যাটোর বিশাল অস্ত্র চুক্তি, বাড়ছে উত্তেজনা