ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ইজরাইলি হামলায় নিহত দিপালির লাশ দেশে, কান্নায় স্বজনরা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৬:১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫৪৪

চিত্রঃ বৈরুত হামলায় নিহত দিপালির লাশ দেশে ফিরল

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইজরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী আক্তারের লাশ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা জটিলতার পর প্রিয়জনের মরদেহ দেশে ফেরায় শোকের আবহ নেমে আসে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে দিপালী আক্তারের লাশ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। পরে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় বিমানবন্দর এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

লাশ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, কোনো কিছু দিয়েই দিপালীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। একজন প্রবাসী বাংলাদেশির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু গোটা দেশের জন্যই গভীর বেদনার। তারপরও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে যেন মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান তিনি।

দিপালীর মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে। বিভিন্ন দেশের সরকার, দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় আরও জটিলতা তৈরি হয়। তিনি জানান, একটি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে অনেক ধরনের কাগজপত্র ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। যুদ্ধ চলমান থাকলে সেই প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।

গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের হামরা এলাকায় ভয়াবহ বিমান হামলায় নিহত হন দিপালী আক্তার। সে সময় তিনি তার নিয়োগকর্তার পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। হামলার পরপরই ওই এলাকার বিভিন্ন ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় দিপালীর নিয়োগকর্তা ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হন। বৈরুতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, কফিল পরিবারের এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে তারা প্রথম দিপালীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুরু থেকেই মরদেহ দেশে পাঠানোর বিষয়ে কাজ করেছেন বলেও জানানো হয়।

দিপালী আক্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে সরকার। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু করার প্রয়োজন, তা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন প্রতিমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহতদের পরিবারগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে আসার মাধ্যমে মোট ছয়জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে সব ক্ষেত্রে একইভাবে মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবে নিহত একজন বাংলাদেশিকে সেখানেই দাফন করতে হয়েছে, কারণ তার মরদেহ দেশে আনার মতো অবস্থা ছিল না। এছাড়া ইরাকে নিহত আরেক বাংলাদেশির মরদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেখানে সরাসরি বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে যুদ্ধকবলিত এলাকায় কর্মরত বাংলাদেশিরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। অনেক বাংলাদেশি পরিবার তাদের স্বজনদের নিরাপদে দেশে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যুদ্ধকবলিত এলাকায় নতুন করে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

দিপালী আক্তারের মৃত্যু নতুন করে সেই উদ্বেগকে সামনে নিয়ে এসেছে। জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া এক নারীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মানুষের মনেও গভীর দাগ কেটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার মৃত্যু নিয়ে শোক ও সহানুভূতি প্রকাশ করছেন অনেকে। স্বজনরা জানিয়েছেন, সংসারের স্বচ্ছলতার আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন দিপালী। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্মমতার শিকার হতে হলো তাকে। তার মরদেহ দেশে ফিরলেও আর কোনোদিন ফিরবেন না পরিবারের কাছে— এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপিতে যোগদান

ইজরাইলি হামলায় নিহত দিপালির লাশ দেশে, কান্নায় স্বজনরা

Update Time : ০৬:১১:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইজরাইলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী আক্তারের লাশ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নানা জটিলতার পর প্রিয়জনের মরদেহ দেশে ফেরায় শোকের আবহ নেমে আসে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে দিপালী আক্তারের লাশ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। পরে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় বিমানবন্দর এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

লাশ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেন, কোনো কিছু দিয়েই দিপালীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। একজন প্রবাসী বাংলাদেশির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু গোটা দেশের জন্যই গভীর বেদনার। তারপরও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে যেন মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুরু থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় থাকা বাংলাদেশিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকার সব ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন  ইরানের ১০ দফা শর্তে কি থামছে যুদ্ধ? যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন ট্রাম্প

দিপালীর মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লেগেছে। বিভিন্ন দেশের সরকার, দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় আরও জটিলতা তৈরি হয়। তিনি জানান, একটি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে অনেক ধরনের কাগজপত্র ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। যুদ্ধ চলমান থাকলে সেই প্রক্রিয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।

গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের হামরা এলাকায় ভয়াবহ বিমান হামলায় নিহত হন দিপালী আক্তার। সে সময় তিনি তার নিয়োগকর্তার পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। হামলার পরপরই ওই এলাকার বিভিন্ন ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় দিপালীর নিয়োগকর্তা ও পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হন। বৈরুতে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, কফিল পরিবারের এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে তারা প্রথম দিপালীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুরু থেকেই মরদেহ দেশে পাঠানোর বিষয়ে কাজ করেছেন বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন  কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

দিপালী আক্তারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে সরকার। একই সঙ্গে পরিবারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু করার প্রয়োজন, তা করা হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন প্রতিমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। নিহতদের পরিবারগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে আসার মাধ্যমে মোট ছয়জনকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে সব ক্ষেত্রে একইভাবে মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। সৌদি আরবে নিহত একজন বাংলাদেশিকে সেখানেই দাফন করতে হয়েছে, কারণ তার মরদেহ দেশে আনার মতো অবস্থা ছিল না। এছাড়া ইরাকে নিহত আরেক বাংলাদেশির মরদেহ এখনো দেশে আনা সম্ভব হয়নি বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেখানে সরাসরি বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন  ফিলিস্তিনিদের গায়েব করছে ইসরাইল, গাজায় নতুন আতঙ্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে যুদ্ধকবলিত এলাকায় কর্মরত বাংলাদেশিরা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিভিন্ন দূতাবাসের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। অনেক বাংলাদেশি পরিবার তাদের স্বজনদের নিরাপদে দেশে ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে যুদ্ধকবলিত এলাকায় নতুন করে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

দিপালী আক্তারের মৃত্যু নতুন করে সেই উদ্বেগকে সামনে নিয়ে এসেছে। জীবিকার সন্ধানে বিদেশে যাওয়া এক নারীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যু দেশের মানুষের মনেও গভীর দাগ কেটেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার মৃত্যু নিয়ে শোক ও সহানুভূতি প্রকাশ করছেন অনেকে। স্বজনরা জানিয়েছেন, সংসারের স্বচ্ছলতার আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন দিপালী। পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের নির্মমতার শিকার হতে হলো তাকে। তার মরদেহ দেশে ফিরলেও আর কোনোদিন ফিরবেন না পরিবারের কাছে— এই বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না স্বজনরা।