লিওনেল মেসি এবার ফুটবল মাঠ নয়, আলোচনায় হলিউডের জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডার-ম্যানের সঙ্গে একই ফ্রেমে হাজির হয়ে। সনি পিকচার্সের আসন্ন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’–এর প্রচারণামূলক ভিডিওতে দেখা গেছে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে মেসির পারিশ্রমিক নিয়েও শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।
মঙ্গলবার প্রকাশিত ৩৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, নিউইয়র্কের একটি কফি শপে প্রবেশ করেন লিওনেল মেসি। সেখানে সাধারণ পোশাকে থাকা পিটার পার্কার, অর্থাৎ টম হল্যান্ডের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। মেসি স্পাইডার-ম্যানকে খুঁজছেন জানালে মুহূর্তেই সুপারহিরোর পোশাকে ফিরে আসেন পিটার। এরপর স্পাইডার-ম্যানের জালে ভর করে নিউইয়র্ক শহরের আকাশে উড়তে দেখা যায় মেসিকে। ভিডিওর শেষে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ ৩১ জুলাই ঘোষণা করা হয়।
ভিডিওটি প্রকাশের পর অল্প সময়েই দর্শকদের দারুণ সাড়া পায়। সনি এন্টারটেইনমেন্টের ইউটিউব চ্যানেলে মাত্র ১৯ ঘণ্টায় এটি ২৬ লাখের বেশি ভিউ অর্জন করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা এবং বিশ্বের জনপ্রিয় সুপারহিরোকে একসঙ্গে দেখার অভিজ্ঞতা ছিল একেবারেই ভিন্ন।
এদিকে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য পারিশ্রমিক নিয়ে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, মাত্র ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতির জন্য তিনি প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার পেয়েছেন। তবে এই তথ্যের কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ দেয়নি সনি পিকচার্স, মার্ভেল কিংবা মেসির প্রতিনিধিরা। ফলে পারিশ্রমিকের অঙ্কটি এখনো গুঞ্জনের পর্যায়েই রয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় সুপার বোল উপলক্ষে একটি বিয়ার ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়েও আলোচনায় এসেছিলেন মেসি। সে সময় বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ওই বিজ্ঞাপনের জন্য তিনি প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ডলার পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদ হিসেবে বিজ্ঞাপনের বাজারে তাঁর চাহিদা বরাবরই আকাশছোঁয়া।
বর্তমানে ইন্টার মায়ামি–তে খেলার সুবাদে যুক্তরাষ্ট্রে লিওনেল মেসির জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে। অ্যাডিডাস, অ্যাপলসহ বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেসিকে এই প্রচারণায় যুক্ত করে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ সিনেমাটি শুধু সিনেমাপ্রেমীদের নয়, বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলভক্তের কাছেও সহজেই পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।



























