ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চন্দনাইশের দোহাজারীতে স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী এক ঘন্টার মধ্যে আটক Logo বাংলাদেশ হকি দলের প্রস্তুতি: জার্মানি অনিশ্চিত, চীন-মিসরে নতুন পরিকল্পনা Logo ভারত-শ্রীলঙ্কা টেস্ট: সুতারের দুর্দান্ত ১০ উইকেটে ভারতের স্মরণীয় জয় Logo চন্দ্রনাথ মন্দিরে তীর্থযাত্রীর হাত থেকে ফল নিচ্ছে বানর Logo ১২ দিনে ৮ জন গুলিবিদ্ধ: বেগমগঞ্জে আতঙ্ক, অধরা অস্ত্রধারীরা Logo চন্দনাইশে কোদালের আঘাতে স্ত্রী খুন, স্বামী আটক Logo ন্যাড়া মাথায় নয়নতারা! ভাইরাল ছবির আসল রহস্য কী Logo ‘মিথ্যা সাময়িক, সত্য চিরস্থায়ী’—মাত্র পাঁচ শব্দের পোস্ট শাবনূরের। Logo পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন কেন? এবার স্পষ্ট করলেন অভিনেত্রী Logo ক্যাপ, রোদচশমা আর কালো ক্যাজুয়াল পোশাকে অপু বিশ্বাসের লুক নজর কেড়েছে সবার

চন্দনাইশের দোহাজারীতে স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী এক ঘন্টার মধ্যে আটক

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৮

ঘাতক স্বামী মোঃ সলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ। ছবির ক্যাপশনঃ ঘাতক স্বামী মোঃ সলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ মো. নুরুল আলম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার রোহিঙ্গা দম্পতি স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী নুরহাবা (২৫)
খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক স্বামী মো: সলিম উদ্দিন (৩০)কে এক ঘন্টার মধ্যে আটক করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড উল্লাপাড়া আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়ির ভাড়া বাসা (টিনশেড) বাসার ২ কক্ষের ভাড়াটিয়া এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

চন্দনাইশে স্ত্রী খুন
চন্দনাইশে কোদালের আঘাতে স্ত্রী খুন, স্বামী আটক

নিহত স্ত্রীর নাম নুরহাবা (২৫)। তিনি উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্পের মৃত এরশাদ উল্ল্যাহর মেয়ে। আটক স্বামীর নাম মো. সলিম (৩০)। তিনি একই ক্যাম্পের আব্দুল আমিনের ছেলে। সেলিম পেশায় দিনমজুর ছিল।

জানা যায়, চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার উল্লাপাড়া কলোনিতে মোহাম্মদ সলিম (৩০) তার স্ত্রী নুরহাবা (২৫) কে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তারা টেকনাফ উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এসে কোরবানির পূর্বে এখানে বাসা ভাড়া নেন। প্রায় সময় তাদের মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ ও ঝগড়াঝাঁটি হত। মোহাম্মদ সেলিম পেশায় একজন শ্রমিক । ঘটনার দিন বুধবার প্রতিদিনের ন্যায় সেলিম ভোরে মাঠে কাজ করার জন্য তার ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি নিয়ে চলে যায়। দুর্ভাগ্যবশত মাঠে কাজ না হওয়াতে সেলিম পুনরায় বাড়িতে ফেরত আসে। এ সময় তার স্ত্রী নুরহাবা বেগম তাদের বাড়ির পাশে থাকা পুকুর পাড়ে হাঁটাহাঁটি করছিল। এখানে সেলিমের সাথে দেখা হওয়ায় দু’জনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়েই সলিম নুর হাবার উপরে তার হাতে থাকা কোদাল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দেয়। এতে মারাত্মক আহত হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত বের হয়ে নিচে মাটিতে জমাট বেঁধে যায় তার ব্যবহৃত কোদাল এবং অন্যান্য জিনিস পত্র ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখা যায় । নুরহাবা বেগমের শোর চিৎকারে পাড়ার অন্যান্য লোক এসে স্বামীর হাত থেকে উদ্ধার করে থাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। দোহাজারী হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার টিপু তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালর মর্গে পাঠায়। ঘটনার পরপর চন্দনাইশ থানা পুলিশ ও দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার নেতৃত্বে ঘাতক স্বামী মো. সলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেয়। ঘাতক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
বলেন, এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী মোঃ সলিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। এজাহার প্রাপ্তির সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন । নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। #

জনপ্রিয় সংবাদ

চন্দনাইশের দোহাজারীতে স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী এক ঘন্টার মধ্যে আটক

চন্দনাইশের দোহাজারীতে স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী খুন, ঘাতক স্বামী এক ঘন্টার মধ্যে আটক

Update Time : ০৩:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ মো. নুরুল আলম

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার রোহিঙ্গা দম্পতি স্বামীর কোদালেরঘাতে স্ত্রী নুরহাবা (২৫)
খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত ঘাতক স্বামী মো: সলিম উদ্দিন (৩০)কে এক ঘন্টার মধ্যে আটক করেছে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড উল্লাপাড়া আইয়ুব আলী সওদাগরের বাড়ির ভাড়া বাসা (টিনশেড) বাসার ২ কক্ষের ভাড়াটিয়া এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

চন্দনাইশে স্ত্রী খুন
চন্দনাইশে কোদালের আঘাতে স্ত্রী খুন, স্বামী আটক

নিহত স্ত্রীর নাম নুরহাবা (২৫)। তিনি উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ক্যাম্পের মৃত এরশাদ উল্ল্যাহর মেয়ে। আটক স্বামীর নাম মো. সলিম (৩০)। তিনি একই ক্যাম্পের আব্দুল আমিনের ছেলে। সেলিম পেশায় দিনমজুর ছিল।

আরও পড়ুন  কক্সবাজার সৈকতে রহস্যজনকভাবে নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে তদন্ত

জানা যায়, চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার উল্লাপাড়া কলোনিতে মোহাম্মদ সলিম (৩০) তার স্ত্রী নুরহাবা (২৫) কে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তারা টেকনাফ উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এসে কোরবানির পূর্বে এখানে বাসা ভাড়া নেন। প্রায় সময় তাদের মধ্যে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে মতবিরোধ ও ঝগড়াঝাঁটি হত। মোহাম্মদ সেলিম পেশায় একজন শ্রমিক । ঘটনার দিন বুধবার প্রতিদিনের ন্যায় সেলিম ভোরে মাঠে কাজ করার জন্য তার ব্যবহৃত সরঞ্জামাদি নিয়ে চলে যায়। দুর্ভাগ্যবশত মাঠে কাজ না হওয়াতে সেলিম পুনরায় বাড়িতে ফেরত আসে। এ সময় তার স্ত্রী নুরহাবা বেগম তাদের বাড়ির পাশে থাকা পুকুর পাড়ে হাঁটাহাঁটি করছিল। এখানে সেলিমের সাথে দেখা হওয়ায় দু’জনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়েই সলিম নুর হাবার উপরে তার হাতে থাকা কোদাল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দেয়। এতে মারাত্মক আহত হয়। শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত বের হয়ে নিচে মাটিতে জমাট বেঁধে যায় তার ব্যবহৃত কোদাল এবং অন্যান্য জিনিস পত্র ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখা যায় । নুরহাবা বেগমের শোর চিৎকারে পাড়ার অন্যান্য লোক এসে স্বামীর হাত থেকে উদ্ধার করে থাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। দোহাজারী হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার টিপু তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালর মর্গে পাঠায়। ঘটনার পরপর চন্দনাইশ থানা পুলিশ ও দোহাজারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযান পরিচালনা করে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার নেতৃত্বে ঘাতক স্বামী মো. সলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেয়। ঘাতক আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও পড়ুন  মেস থেকে পাবিপ্রবির ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে
বলেন, এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী মোঃ সলিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। এজাহার প্রাপ্তির সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন । নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। #