বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ৫ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং হাসপাতালগুলোর জবাবদিহিতা বাড়াতেই এই নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে:
১. প্রতি মাসে ডিউটি রোস্টার জমা
- জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিককে চিকিৎসকদের মাসিক ডিউটি রোস্টার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
২. চিকিৎসকদের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা দিতে হবে।
৩. নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন
- জমা দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সারপ্রাইজ ভিজিট পরিচালনা করবেন সিভিল সার্জনরা।
৪. অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা
- পরিদর্শনের সময় প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে বা ভুল তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি দ্রুত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৫. মাসিক প্রতিবেদন পাঠানো বাধ্যতামূলক
- প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
- শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক।
- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে ৫ জন মেডিকেল অফিসার থাকতে হবে।
- অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত ১ জন চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সেবার মান এবং জবাবদিহিতা আরও উন্নত হবে।


























