ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দাপুটে জয়: স্পেনের শেষ ষোলো নিশ্চিত, হারল অস্ট্রিয়া Logo অফিস পলিটিক্স মোকাবেলার সহজ উপায় Logo কার্যকর উপায়: অফিসের কাজ দ্রুত করার সহজ কৌশল Logo ড্রিম ক্যাচার বানানোর ঘরোয়া পদ্ধতি Logo সহজ রেসিপি: চিকেন এন্ড ব্রেড টোস্ট তৈরির ঘরোয়া উপায় Logo বিশেষ আলোচনা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টার সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় Logo পর্তুগাল বনাম ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে কাকে এগিয়ে রাখছে সুপার কম্পিউটার? Logo গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ: প্রতিবন্ধীদের ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু করবে সরকার Logo জরুরি নির্দেশনা: বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ নির্দেশনা Logo দারুণ অফার: বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ফ্রি পিৎজা পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থকরা

জরুরি নির্দেশনা: বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ নির্দেশনা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৫

চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা।

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ৫ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং হাসপাতালগুলোর জবাবদিহিতা বাড়াতেই এই নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে:

১. প্রতি মাসে ডিউটি রোস্টার জমা

  • জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিককে চিকিৎসকদের মাসিক ডিউটি রোস্টার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।

২. চিকিৎসকদের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ

  • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা দিতে হবে।

৩. নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন

  • জমা দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সারপ্রাইজ ভিজিট পরিচালনা করবেন সিভিল সার্জনরা।

৪. অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা

  • পরিদর্শনের সময় প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে বা ভুল তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি দ্রুত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৫. মাসিক প্রতিবেদন পাঠানো বাধ্যতামূলক

  • প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

  • শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক।
  • ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে ৫ জন মেডিকেল অফিসার থাকতে হবে।
  • অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত ১ জন চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সেবার মান এবং জবাবদিহিতা আরও উন্নত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাপুটে জয়: স্পেনের শেষ ষোলো নিশ্চিত, হারল অস্ট্রিয়া

জরুরি নির্দেশনা: বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে চিকিৎসাসেবায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৫ নির্দেশনা

Update Time : ০১:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ৫ নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়া এবং হাসপাতালগুলোর জবাবদিহিতা বাড়াতেই এই নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দেশের সব সিভিল সার্জনকে নির্দেশনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় যা বলা হয়েছে:

১. প্রতি মাসে ডিউটি রোস্টার জমা

  • জেলার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিককে চিকিৎসকদের মাসিক ডিউটি রোস্টার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
আরও পড়ুন  টিকা কর্মসূচি শেষ, তবু নিয়ন্ত্রণে আসেনি হাম

২. চিকিৎসকদের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ

  • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদের নাম, বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর এবং মোবাইল নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা জমা দিতে হবে।

৩. নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন

  • জমা দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি সারপ্রাইজ ভিজিট পরিচালনা করবেন সিভিল সার্জনরা।

৪. অনিয়ম পেলেই ব্যবস্থা

  • পরিদর্শনের সময় প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক উপস্থিত না থাকলে বা ভুল তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি দ্রুত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন  জামায়াতের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান হতে পারে, দাবি গোলাম মাওলা রনির

৫. মাসিক প্রতিবেদন পাঠানো বাধ্যতামূলক

  • প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে মনিটরিং কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

  • শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক।
  • ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতি শিফটে কমপক্ষে ৫ জন মেডিকেল অফিসার থাকতে হবে।
  • অর্থাৎ প্রতি ১০টি শয্যার বিপরীতে অন্তত ১ জন চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন  সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই শুরু হচ্ছে বুধবার থেকে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোগীদের নিরাপদ, নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সেবার মান এবং জবাবদিহিতা আরও উন্নত হবে।