ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুমের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস চিফ প্রসিকিউটরের!

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১২:২৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০১

গুমের প্রতিটি ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। ছবি: সংগৃহীত

গুমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, অতীতে গুম ও হত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি সমবেদনা প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে যারা এখনও নিখোঁজ স্বজনের কোনো সন্ধান পাননি, তাদের দুর্ভোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, গুমের অভিযোগে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

গুমের ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবে কয়েকটি আলোচিত অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে গুমের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুমের শিকার প্রায় ২৫০ জনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের মধ্যেই এসব অভিযোগের তদন্ত শেষ করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতের গুরুত্ব তুলে ধরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গুমের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস চিফ প্রসিকিউটরের!

Update Time : ১২:২৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

গুমের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর জানান, অতীতে গুম ও হত্যার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি তিনি সমবেদনা প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে যারা এখনও নিখোঁজ স্বজনের কোনো সন্ধান পাননি, তাদের দুর্ভোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

আরও পড়ুন  গুম-হত্যার দুই মামলায় জিয়াউল-তারেক কারাগারে

তার বক্তব্য অনুযায়ী, গুমের অভিযোগে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

গুমের ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবে কয়েকটি আলোচিত অভিযোগের বিচারপ্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে গুমের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন  ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

চিফ প্রসিকিউটরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গুমের শিকার প্রায় ২৫০ জনের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। চলতি বছরের মধ্যেই এসব অভিযোগের তদন্ত শেষ করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০১১ সাল থেকে প্রতি বছর ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতের গুরুত্ব তুলে ধরে।

আরও পড়ুন  ট্রাইব্যুনালে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা হাজির