ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৯ বছর পর পোশাক কারখানা বন্ধ, নিঃস্ব উদ্যোক্তা মাহবুব

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৫

১৯ বছর ধরে গড়ে তোলা ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ উদ্যোক্তা মাহবুবুল হাসান।

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী এলাকার রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার কারখানাটি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে ১৭৭ জন শ্রমিকসহ মোট ১৯০ জন কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ব্যবসা চালিয়ে আসা উদ্যোক্তা মাহবুবুল হাসান এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস গত বছর প্রায় ২০ কোটি টাকার তৈরি পোশাক ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেছিল। তবে কয়েক বছর ধরে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।

শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের বেতন ও কারখানার ভাড়া পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে কারখানাটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন মাহবুবুল হাসান।শুক্রবার নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সদস্যদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সেখানে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেও সফল হননি। ব্যবসায়িক মন্দার পাশাপাশি কিছু মানুষের স্বার্থান্বেষী চেষ্টাও তাঁকে সংকটে ফেলেছে। এখন কারখানাটি বিক্রি করে পাওনাদারদের অর্থ পরিশোধের চেষ্টা করছেন তিনি।

মাহবুবুল হাসান জানান, ২০০৬ সালে আরও পাঁচজন অংশীদারকে নিয়ে মিরপুরে ম্যাট্রিক্স স্টাইল নামে একটি পোশাক কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে কারখানাটিঅন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করলেও পরের বছর সরাসরি রপ্তানি শুরু করে। তবে অংশীদারদের সঙ্গে বনি বনা না হওয়ায় আড়াই বছরের বেশি সেই ব্যবসা টেকেনি। এর আগে তিনি ট্রেডিং ব্যবসা এবং স্কিন প্রিন্টের কারখানার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

২০০৯ সালে একই এলাকায় ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস নামে নতুন কারখানা চালু করেন মাহবুবুল হাসান। আগের ব্যবসা থেকে পাওয়া ২৬ লাখ টাকা দিয়ে পুরোনো মেশিন কিনে উৎপাদন শুরু করেন। তবে আবাসিক ভবনে কারখানা হওয়ায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেতে সমস্যায় পড়েন তিনি। পরে অন্য কারখানার মাধ্যমে রপ্তানি কার্যক্রম চালাতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হয় তাঁকে।

২০১১ সালে মিরপুরের রূপনগরে একটি কমার্শিয়াল শেড ভাড়া নিয়ে কারখানা স্থানান্তর করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সংগ্রহ করে নিজের নামে রপ্তানি শুরু করেন। কয়েকটি বিদেশি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ছোট ছোট ক্রয়াদেশ দিতে থাকে। এতে ব্যবসা বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে কারখানাটির কার্যক্রমও প্রসারিত হয়।

তবে রানা প্লাজা ধসের পর কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন চাপ তৈরি হয়। ম্যাট্রিক্স ড্রেসেসের ভবন বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী নির্মিত না হওয়ায় সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। পরে ২০২২ সালের শেষ দিকে কারখানাটি মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছনে একটি ভাড়া শেডে স্থানান্তর করা হয়।

নতুন কারখানা থেকে ২০২৩ সালে প্রায় ৪১ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস। ওই সময় ফ্রান্স, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, স্পেন ও ইতালির ১০ থেকে ১১টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাজ করত তারা। কিন্তু পরের বছর থেকেই রপ্তানি ও ক্রয়াদেশ কমতে শুরু করে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ওপর আর্থিক চাপ দ্রুত বাড়তে থাকে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামো চালুর পর উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যায়। ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা হওয়ায় কারখানার খরচ এক ধাক্কায় বাড়ে। কিন্তু বিদেশি ক্রেতারা পোশাকের দাম বাড়াতে রাজি হননি। বরং একটি পুরোনো ক্রেতা ক্রয়াদেশ দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

এর সঙ্গে গ্যাস-সংকটের কারণে ডায়িং খরচ বৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে লিড টাইম কমে যাওয়া এবং শ্রমিকদের মজুরি আরও বাড়ার মতো সমস্যাও তৈরি হয়। ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে সময়মতো ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে না পারায় নির্ধারিত সময়ে কিছু পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হয়নি।এভাবেই ধীরে ধীরে আর্থিক সংকট গভীর হয়।

২০২৩ সালে ৪১ লাখ ডলার রপ্তানি হলেও ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় সাড়ে ২০ লাখ ডলারে। গত বছর রপ্তানি আরও কমে হয় ১৭ লাখ ডলার। চলতি বছর ক্রয়াদেশের সংকটে কয়েক মাস ধরে মূলত সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ের কাজ চলছিল। কিন্তু সেই কাজ করেও উৎপাদন ব্যয় পুরোপুরি ওঠানো সম্ভব হয়নি।মাহবুবুল হাসান বলেন, গত সাত-আট মাস শ্রমিকদের বেতন দিতেই তাঁকে হিমশিম খেতে হয়েছে। প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকা করে নিজের পকেট থেকে ভর্তুকি দিতে হয়েছে। কারখানার ভাড়াও নয় মাস বকেয়া পড়েছে। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি ফ্ল্যাট ব্যাংকে বন্ধক রাখতে হয়েছে।

এখন ১৯ বছর ধরে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটি বিক্রির চেষ্টা করছেন এই উদ্যোক্তা। তাঁর আশা, অন্য কোনো উদ্যোক্তার হাতে গেলে কারখানাটি আবার চালু হতে পারে। এতে অন্তত শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ফিরবে এবং তাঁর পাওনাদারদের অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। তবে দীর্ঘ ব্যবসায়িক পথ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ করতে হওয়ায় মাহবুবুল হাসানের আক্ষেপ, এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৯ বছর পর পোশাক কারখানা বন্ধ, নিঃস্ব উদ্যোক্তা মাহবুব

Update Time : ১১:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী এলাকার রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার কারখানাটি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। সেখানে ১৭৭ জন শ্রমিকসহ মোট ১৯০ জন কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ব্যবসা চালিয়ে আসা উদ্যোক্তা মাহবুবুল হাসান এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস গত বছর প্রায় ২০ কোটি টাকার তৈরি পোশাক ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেছিল। তবে কয়েক বছর ধরে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।

শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের বেতন ও কারখানার ভাড়া পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে কারখানাটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন মাহবুবুল হাসান।শুক্রবার নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সদস্যদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সেখানে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি টিকিয়ে রাখতে নানাভাবে চেষ্টা করেও সফল হননি। ব্যবসায়িক মন্দার পাশাপাশি কিছু মানুষের স্বার্থান্বেষী চেষ্টাও তাঁকে সংকটে ফেলেছে। এখন কারখানাটি বিক্রি করে পাওনাদারদের অর্থ পরিশোধের চেষ্টা করছেন তিনি।

মাহবুবুল হাসান জানান, ২০০৬ সালে আরও পাঁচজন অংশীদারকে নিয়ে মিরপুরে ম্যাট্রিক্স স্টাইল নামে একটি পোশাক কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে কারখানাটিঅন্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করলেও পরের বছর সরাসরি রপ্তানি শুরু করে। তবে অংশীদারদের সঙ্গে বনি বনা না হওয়ায় আড়াই বছরের বেশি সেই ব্যবসা টেকেনি। এর আগে তিনি ট্রেডিং ব্যবসা এবং স্কিন প্রিন্টের কারখানার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন  অফশোর বায়ুবিদ্যুৎ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বড় চুক্তি, গ্যাসে ঝুঁকছে আরডব্লিউই

২০০৯ সালে একই এলাকায় ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস নামে নতুন কারখানা চালু করেন মাহবুবুল হাসান। আগের ব্যবসা থেকে পাওয়া ২৬ লাখ টাকা দিয়ে পুরোনো মেশিন কিনে উৎপাদন শুরু করেন। তবে আবাসিক ভবনে কারখানা হওয়ায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স পেতে সমস্যায় পড়েন তিনি। পরে অন্য কারখানার মাধ্যমে রপ্তানি কার্যক্রম চালাতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হয় তাঁকে।

২০১১ সালে মিরপুরের রূপনগরে একটি কমার্শিয়াল শেড ভাড়া নিয়ে কারখানা স্থানান্তর করেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স সংগ্রহ করে নিজের নামে রপ্তানি শুরু করেন। কয়েকটি বিদেশি ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ছোট ছোট ক্রয়াদেশ দিতে থাকে। এতে ব্যবসা বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে কারখানাটির কার্যক্রমও প্রসারিত হয়।

তবে রানা প্লাজা ধসের পর কারখানার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন চাপ তৈরি হয়। ম্যাট্রিক্স ড্রেসেসের ভবন বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুযায়ী নির্মিত না হওয়ায় সেটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। পরে ২০২২ সালের শেষ দিকে কারখানাটি মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেনের পেছনে একটি ভাড়া শেডে স্থানান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন  দীর্ঘ ১৯ বছরের পোশাক কারখানা বন্ধ, মালিকের করুণ পরিণতি

নতুন কারখানা থেকে ২০২৩ সালে প্রায় ৪১ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করে ম্যাট্রিক্স ড্রেসেস। ওই সময় ফ্রান্স, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, স্পেন ও ইতালির ১০ থেকে ১১টি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কাজ করত তারা। কিন্তু পরের বছর থেকেই রপ্তানি ও ক্রয়াদেশ কমতে শুরু করে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ওপর আর্থিক চাপ দ্রুত বাড়তে থাকে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামো চালুর পর উৎপাদন ব্যয় আরও বেড়ে যায়। ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা হওয়ায় কারখানার খরচ এক ধাক্কায় বাড়ে। কিন্তু বিদেশি ক্রেতারা পোশাকের দাম বাড়াতে রাজি হননি। বরং একটি পুরোনো ক্রেতা ক্রয়াদেশ দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

এর সঙ্গে গ্যাস-সংকটের কারণে ডায়িং খরচ বৃদ্ধি, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে লিড টাইম কমে যাওয়া এবং শ্রমিকদের মজুরি আরও বাড়ার মতো সমস্যাও তৈরি হয়। ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে সময়মতো ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে না পারায় নির্ধারিত সময়ে কিছু পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হয়নি।এভাবেই ধীরে ধীরে আর্থিক সংকট গভীর হয়।

আরও পড়ুন  বাকৃবিতে পরিসংখ্যান সম্মেলন ২০২৬, গবেষণাপত্র উপস্থাপনায় সরব একাডেমিক অঙ্গন

২০২৩ সালে ৪১ লাখ ডলার রপ্তানি হলেও ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় সাড়ে ২০ লাখ ডলারে। গত বছর রপ্তানি আরও কমে হয় ১৭ লাখ ডলার। চলতি বছর ক্রয়াদেশের সংকটে কয়েক মাস ধরে মূলত সাব-কন্ট্রাক্টিংয়ের কাজ চলছিল। কিন্তু সেই কাজ করেও উৎপাদন ব্যয় পুরোপুরি ওঠানো সম্ভব হয়নি।মাহবুবুল হাসান বলেন, গত সাত-আট মাস শ্রমিকদের বেতন দিতেই তাঁকে হিমশিম খেতে হয়েছে। প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকা করে নিজের পকেট থেকে ভর্তুকি দিতে হয়েছে। কারখানার ভাড়াও নয় মাস বকেয়া পড়েছে। এমনকি পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি ফ্ল্যাট ব্যাংকে বন্ধক রাখতে হয়েছে।

এখন ১৯ বছর ধরে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটি বিক্রির চেষ্টা করছেন এই উদ্যোক্তা। তাঁর আশা, অন্য কোনো উদ্যোক্তার হাতে গেলে কারখানাটি আবার চালু হতে পারে। এতে অন্তত শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ফিরবে এবং তাঁর পাওনাদারদের অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। তবে দীর্ঘ ব্যবসায়িক পথ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ করতে হওয়ায় মাহবুবুল হাসানের আক্ষেপ, এর চেয়ে বড় কষ্ট আর কী হতে পারে।