ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরও বড় বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল, সতর্কতা জারি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:১২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৫

বরফ ও বড় পাথর ধসে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ছবি: সংগৃহীত

চীন ও নেপাল সীমান্তবর্তী নদীর উচ্চপ্রবাহে বরফ এবং বড় বড় পাথর ধসে পড়ে নদীর স্বাভাবিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সেখানে পানি জমে একটি বিশাল কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। কাঠমান্ডুর চীনা দূতাবাস সতর্ক করে জানিয়েছে, এই হ্রদে বর্তমানে পানির পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে এবং তা ওপর দিয়ে উপচে পড়া শুরু করেছে। যেকোনো মুহূর্তে এর বাঁধ ভেঙে নিচে তীব্র বন্যা ছড়িয়ে পড়ার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।

জানা গেছে, নেপাল অংশের ‘চ্ছোদেন খোলা’ ও ‘পুরেপু সাংপো’ নদীর সংযোগস্থলের কাছে ভয়াবহ এই পাহাড় ধসে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই এলাকাটি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে, কারণ বর্তমানে উদ্ধার ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সংকটময় একটি মুহূর্ত। বাঁধ ভেঙে গেলে যেন বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়, সে জন্য নদীর ভাটি অঞ্চলে থাকা সাধারণ মানুষকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে এবং পানির স্তরের পরিবর্তনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে বলা হয়েছে।

যদিও এই কৃত্রিম হ্রদে ঠিক কতখানি পানি জমে আছে বা এটি ঠিক কখন ভেঙে পড়তে পারে—সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। ইতোমধ্যে নেপালের রসোয়াসহ বিভিন্ন জেলায় টানা ভারী বৃষ্টি ও বন্যা চলছে, ফলে নতুন করে এই হ্রদ ভাঙনের ঝুঁকি জনমনে আরও বেশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চীনা দূতাবাস সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের যাচাই না করা খবরে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং কেবল নির্ভরযোগ্য ও সরকারি তথ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আরও বড় বন্যার ঝুঁকিতে নেপাল, সতর্কতা জারি

Update Time : ১১:১২:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

চীন ও নেপাল সীমান্তবর্তী নদীর উচ্চপ্রবাহে বরফ এবং বড় বড় পাথর ধসে পড়ে নদীর স্বাভাবিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে সেখানে পানি জমে একটি বিশাল কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। কাঠমান্ডুর চীনা দূতাবাস সতর্ক করে জানিয়েছে, এই হ্রদে বর্তমানে পানির পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে এবং তা ওপর দিয়ে উপচে পড়া শুরু করেছে। যেকোনো মুহূর্তে এর বাঁধ ভেঙে নিচে তীব্র বন্যা ছড়িয়ে পড়ার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন  নেপাল বন্যা: ভয়াবহ বিপর্যয়ে ১৬২ মৃত্যু, নিখোঁজ শত শত

জানা গেছে, নেপাল অংশের ‘চ্ছোদেন খোলা’ ও ‘পুরেপু সাংপো’ নদীর সংযোগস্থলের কাছে ভয়াবহ এই পাহাড় ধসে বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই এলাকাটি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে, কারণ বর্তমানে উদ্ধার ও জরুরি অবস্থা মোকাবেলার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত সংকটময় একটি মুহূর্ত। বাঁধ ভেঙে গেলে যেন বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়, সে জন্য নদীর ভাটি অঞ্চলে থাকা সাধারণ মানুষকে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে এবং পানির স্তরের পরিবর্তনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  কুদনকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তথ্য ফাঁস

যদিও এই কৃত্রিম হ্রদে ঠিক কতখানি পানি জমে আছে বা এটি ঠিক কখন ভেঙে পড়তে পারে—সে বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানা যায়নি। ইতোমধ্যে নেপালের রসোয়াসহ বিভিন্ন জেলায় টানা ভারী বৃষ্টি ও বন্যা চলছে, ফলে নতুন করে এই হ্রদ ভাঙনের ঝুঁকি জনমনে আরও বেশি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চীনা দূতাবাস সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের যাচাই না করা খবরে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং কেবল নির্ভরযোগ্য ও সরকারি তথ্যের ওপর আস্থা রাখার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: জাতিসংঘ মহাসচিবের সতর্কবার্তা