ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এআই’র ‘বিপজ্জনক শক্তি’ বুঝতে পারছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কোনদিকে যাচ্ছে বিশ্ব Logo সীমান্তে গুলির শব্দ থামলেও থামেনি আতঙ্ক—৪ দিন পর মিলল বাংলাদেশির নিথর দেহ Logo কান্না থামা, নাইলে মাইরা ফালামু’ বলে বাচ্চার মুখ চেপে ধরে হত্যার অভিযোগ Logo নারায়ণগঞ্জে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু Logo রূপপুরে জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অগ্রগতি Logo ঢাকা আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার, গুরুত্ব পাবে শিশু কল্যাণ ও শিক্ষা Logo ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ৮ নিহত, দুর্গম জঙ্গলে বিধ্বস্ত Logo কক্সবাজারে বৃষ্টির ধাক্কা, কম দামে বিপাকে ৪২ হাজার লবণচাষি Logo ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ৮ আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু Logo শিশুর শরীরে কালো দাগ কেন হয়? অ্যাকাথোসিস নিগ্রিক্যানস ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জানুন

নোরা ফাতেহির গান নিয়ে বিতর্ক! সরাসরি হাজিরার নির্দেশ

  • Mahmudul Hasan
  • Update Time : ০৯:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪৯

বলিউডে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নোরা ফাতেহি দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের সিনেমা কেডি: দ্য ডেভিল-এর একটি গান প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। ‘সরকে চুনর তেরি সরকেশিরোনামের এই গানে নোরার সঙ্গে পারফর্ম করেছেন  সঞ্জয় দত্ত। তবে গানটি প্রকাশের পরই এর ভাষা, উপস্থাপন ও নাচকে ঘিরে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ অভিযোগ তুলেছেন অনেক দর্শক।

গানটি অল্প সময়েই ভাইরাল হলেও, সমানতালে বাড়তে থাকে সমালোচনাও। অনেকেই মনে করছেন, গানের দৃশ্যায়ন ও নাচ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ গানটি নিষিদ্ধ করার দাবিও তুলেছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে শেষ পর্যন্ত গানটি ইউটিউব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।

এই বিতর্কের পর বিষয়টি নজরে আসে ভারতের জাতীয় নারী কমিশনএর। অভিযোগের ভিত্তিতে তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নেয় এবং একটি শুনানির আয়োজন করে। শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়—সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

শুনানির দিন ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম ও প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। তাঁর পক্ষ থেকে আইনজীবী উপস্থিত থাকলেও কমিশন তা গ্রহণযোগ্য মনে করেনি। ফলে অভিনেত্রীকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে  সঞ্জয় দত্তকেও নির্ধারিত দিনে কমিশনের সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুনানির সময় কমিশনের চেয়ারম্যান অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “সৃজনশীলতার আড়ালে নারীর সম্মানহানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।” যদিও নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে গানের কথার গভীর অর্থ তাঁরা বুঝতে পারেননি, তবে কমিশন সেই ব্যাখ্যা সরাসরি খারিজ করে দেয়।

শেষমেশ নির্মাতারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে লিখিতভাবে ক্ষমা চান। পাশাপাশি তারা প্রতিশ্রুতি দেন, আগামী তিন মাস নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগে কাজ করবেন এবং সেই কাজের অগ্রগতি কমিশনের কাছে রিপোর্ট আকারে জমা দেবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই’র ‘বিপজ্জনক শক্তি’ বুঝতে পারছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কোনদিকে যাচ্ছে বিশ্ব

নোরা ফাতেহির গান নিয়ে বিতর্ক! সরাসরি হাজিরার নির্দেশ

Update Time : ০৯:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বলিউডে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নোরা ফাতেহি দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের সিনেমা কেডি: দ্য ডেভিল-এর একটি গান প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। ‘সরকে চুনর তেরি সরকেশিরোনামের এই গানে নোরার সঙ্গে পারফর্ম করেছেন  সঞ্জয় দত্ত। তবে গানটি প্রকাশের পরই এর ভাষা, উপস্থাপন ও নাচকে ঘিরে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ অভিযোগ তুলেছেন অনেক দর্শক।

গানটি অল্প সময়েই ভাইরাল হলেও, সমানতালে বাড়তে থাকে সমালোচনাও। অনেকেই মনে করছেন, গানের দৃশ্যায়ন ও নাচ সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ গানটি নিষিদ্ধ করার দাবিও তুলেছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে শেষ পর্যন্ত গানটি ইউটিউব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।

এই বিতর্কের পর বিষয়টি নজরে আসে ভারতের জাতীয় নারী কমিশনএর। অভিযোগের ভিত্তিতে তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নেয় এবং একটি শুনানির আয়োজন করে। শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়—সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

শুনানির দিন ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম ও প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। তাঁর পক্ষ থেকে আইনজীবী উপস্থিত থাকলেও কমিশন তা গ্রহণযোগ্য মনে করেনি। ফলে অভিনেত্রীকে সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে  সঞ্জয় দত্তকেও নির্ধারিত দিনে কমিশনের সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুনানির সময় কমিশনের চেয়ারম্যান অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “সৃজনশীলতার আড়ালে নারীর সম্মানহানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।” যদিও নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে গানের কথার গভীর অর্থ তাঁরা বুঝতে পারেননি, তবে কমিশন সেই ব্যাখ্যা সরাসরি খারিজ করে দেয়।

শেষমেশ নির্মাতারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে লিখিতভাবে ক্ষমা চান। পাশাপাশি তারা প্রতিশ্রুতি দেন, আগামী তিন মাস নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগে কাজ করবেন এবং সেই কাজের অগ্রগতি কমিশনের কাছে রিপোর্ট আকারে জমা দেবেন।