ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ বাড়াচ্ছে ইউজিসি

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৯

পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ বাড়াচ্ছে ইউজিসি। (ছবি: সংগৃহীত)

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার মান বাড়াতে পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পাশাপাশি গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দ বাড়ানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর গবেষণা পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ইউজিসির নিজস্ব পিএইচডি স্কলারশিপ ৭৫টি থেকে বাড়িয়ে ১০০টি করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে পিএইচডির সুযোগও ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩৫টি করা হয়েছে।

পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে আগামী অর্থবছরে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ইউজিসির ১৭৯তম পূর্ণ কমিশন সভায় এসব পরিকল্পনার কথা জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। সভায় তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রমে পরিণত করতে চায় ইউজিসি।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গুণগত শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় দেশি ও বিদেশি পিএইচডির সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই গবেষণাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ নয়, গবেষণার বাস্তব প্রয়োগকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান, শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং কার্যকর যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক ও সামাজিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরির কথাও জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।

গবেষণায় অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্মদক্ষতা ও অর্জনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে গবেষণায় বিনিয়োগকে আরও ফলাফলভিত্তিক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় ‘ইউজিসি প্রমোশনাল অ্যান্ড একাডেমিক স্টাফ ডেভেলপমেন্ট গবেষণা প্রকল্প নীতিমালা, ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউজিসির সদস্য ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপ বাড়াচ্ছে ইউজিসি

Update Time : ০৯:০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার মান বাড়াতে পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। পাশাপাশি গবেষণায় বিশেষ বরাদ্দ বাড়ানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর গবেষণা পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ইউজিসির নিজস্ব পিএইচডি স্কলারশিপ ৭৫টি থেকে বাড়িয়ে ১০০টি করা হয়েছে। আগামী অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিদেশে পিএইচডির সুযোগও ১০টি থেকে বাড়িয়ে ৩৫টি করা হয়েছে।

পোস্টডক্টরাল ফেলোশিপের সংখ্যাও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে আগামী অর্থবছরে সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন  গবেষণা প্রত্যাহার: বাংলাদেশি গবেষণায় বড় সতর্কবার্তা

সোমবার (৩১ আগস্ট) ইউজিসির ১৭৯তম পূর্ণ কমিশন সভায় এসব পরিকল্পনার কথা জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। সভায় তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনতে গবেষণাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কার্যক্রমে পরিণত করতে চায় ইউজিসি।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, গুণগত শিক্ষক সংকট মোকাবিলায় দেশি ও বিদেশি পিএইচডির সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই গবেষণাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন  কুবিতে ফের নিয়মবহির্ভূত ডিন নিয়োগের অভিযোগ

তিনি জানান, শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ নয়, গবেষণার বাস্তব প্রয়োগকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের বাস্তব সমস্যা সমাধান, শিল্প ও অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ গবেষণা এবং কার্যকর যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক ও সামাজিকভাবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরির কথাও জানিয়েছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়-ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নতুন চুক্তি

গবেষণায় অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্মদক্ষতা ও অর্জনকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে গবেষণায় বিনিয়োগকে আরও ফলাফলভিত্তিক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

সভায় ‘ইউজিসি প্রমোশনাল অ্যান্ড একাডেমিক স্টাফ ডেভেলপমেন্ট গবেষণা প্রকল্প নীতিমালা, ২০২৬’ অনুমোদন দেওয়া হয়। ইউজিসির সদস্য ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।