২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের নির্বাচনি বা টেস্ট পরীক্ষায় বসতে হবে। আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে এ পরীক্ষা ১০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা রয়েছে। তবে টেস্ট পরীক্ষার সময়সূচি ঠিক থাকলেও মূল বোর্ড পরীক্ষা কবে শুরু হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাই এবারের নির্বাচনি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শুরু হবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম। এরপর বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আরও জোর দেবে শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত মে মাসে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তখন জানানো হয়েছিল, আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলতে পারে।
তবে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এখন জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা পিছিয়ে মার্চে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতরের ছুটি এবং অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এমন চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উইংয়ের এক কর্মকর্তা জানান, রমজান ও ঈদের সময়সূচির পাশাপাশি অভিভাবকদের মতামতও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
ফলে বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বোর্ড পরীক্ষা নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জানুয়ারিতে পরীক্ষা হবে, নাকি কয়েক মাস পিছিয়ে মার্চে শুরু হবে—এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী স্কুলগুলোতে টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বোর্ড পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
এদিকে পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বোর্ড চেয়ারম্যান। তার মতে, পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন এলেও পড়াশোনায় যেন কোনো ধরনের প্রভাব না পড়ে, সেদিকে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দেওয়া উচিত।


























