ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা Logo জনসন চার্লসের নাটকীয় প্রত্যাবর্তন, ফিরেই জেতালেন দল Logo ভিসা বন্ড ব্যবস্থা পর্যালোচনা ও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি Logo খালেদ আহমেদ ইংল্যান্ডের কাউন্টিতে, কেন্টে নতুন চ্যালেঞ্জ Logo হামজার অভিষেকে নাটকীয় জয়, শেফিল্ডের প্রথম তিন পয়েন্ট Logo তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে ত্রিবেদীর মন্তব্য Logo ইমামের চোট নিয়ে তদন্ত, বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত পাকিস্তানের Logo প্রিমিয়ার লিগ দলবদলে রেকর্ড, চমকপ্রদ ৩৪৬ কোটি পাউন্ড ব্যয় Logo পারেদেসের জাতীয় দল ছাড়ার ইঙ্গিত, মেসির বিদায়ের পর নতুন ধাক্কা Logo জিয়াউল আহসানকে নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মাঝির সাক্ষ্য

২১ মিনিটে তিন গোল, তবু এগিয়ে ইংল্যান্ড

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫২৮

এমবাপ্পের জোড়া গোলে রোমাঞ্চ ফিরল ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ম্যাচে

প্রথমার্ধে চার গোল হজম করে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ফ্রান্স। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ২১ মিনিটের মধ্যে টানা তিন গোল করে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড, তবু ম্যাচে ফিরে এসে নতুন করে লড়াই জমিয়ে তুলেছে ফরাসিরা।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যান ডেক্লান রাইস। এরপর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক শটে জাল কাঁপিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এত দ্রুত গোল খেয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ফ্রান্স।

১২তম মিনিটে কায়ো সাকা আরও একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়। তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৮তম মিনিটে রাইসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন এজরা কনসা। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধের শেষ ভাগে ইংল্যান্ডের আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে। ৩৭তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের বাড়ানো বল থেকে গোল করেন বুকায়ো সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে কনসার পাস পেয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলও তুলে নেন তিনি। ফলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইংলিশরা।

বিরতির পর সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে মাঠে নামে ফ্রান্স। ৪৮তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মাইকেল ওলিসের পাস পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে প্রথম গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেই গোলের পরই আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ফরাসিরা এবং ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ বাড়াতে থাকে।

চাপের ধারাবাহিকতায় ৫৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও কমায় ফ্রান্স। এবার এমবাপ্পের বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার জোরালো বার্তা দেয় দেশমের দল। এতে ইংল্যান্ডের ওপর চাপও বাড়তে থাকে।

এরপর ৬৬তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। মাইকেল ওলিসের পাস কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই ফরাসি অধিনায়ক। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২১ মিনিটেই তিন গোল শোধ করে ম্যাচে রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনে ফ্রান্স। একই সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন তিনি।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ডও গড়েছেন এমবাপ্পে। চার গোলের বিশাল ব্যবধান গড়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে ইংল্যান্ড। ফলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই লড়াই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের বড় আগ্রহের বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা

২১ মিনিটে তিন গোল, তবু এগিয়ে ইংল্যান্ড

Update Time : ০৪:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

প্রথমার্ধে চার গোল হজম করে কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল ফ্রান্স। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ২১ মিনিটের মধ্যে টানা তিন গোল করে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড, তবু ম্যাচে ফিরে এসে নতুন করে লড়াই জমিয়ে তুলেছে ফরাসিরা।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যান ডেক্লান রাইস। এরপর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত এক শটে জাল কাঁপিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এত দ্রুত গোল খেয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় ফ্রান্স।

আরও পড়ুন  ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

১২তম মিনিটে কায়ো সাকা আরও একবার বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়। তবে সেই হতাশা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ১৮তম মিনিটে রাইসের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন এজরা কনসা। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধের শেষ ভাগে ইংল্যান্ডের আক্রমণ আরও ধারালো হয়ে ওঠে। ৩৭তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের বাড়ানো বল থেকে গোল করেন বুকায়ো সাকা। এরপর যোগ করা সময়ে কনসার পাস পেয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলও তুলে নেন তিনি। ফলে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইংলিশরা।

আরও পড়ুন  ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচে কে জিতবে? সুপারকম্পিউটারের চমকপ্রদ ভবিষ্যদ্বাণী

বিরতির পর সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে মাঠে নামে ফ্রান্স। ৪৮তম মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে মাইকেল ওলিসের পাস পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে প্রথম গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। সেই গোলের পরই আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ফরাসিরা এবং ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগে চাপ বাড়াতে থাকে।

চাপের ধারাবাহিকতায় ৫৪তম মিনিটে ব্যবধান আরও কমায় ফ্রান্স। এবার এমবাপ্পের বাড়িয়ে দেওয়া বল থেকে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার জোরালো বার্তা দেয় দেশমের দল। এতে ইংল্যান্ডের ওপর চাপও বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন  হীরক জয়ন্তীর আনন্দ দ্বিগুণ করার সুযোগ ইংল্যান্ডের সামনে

এরপর ৬৬তম মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপ্পে। মাইকেল ওলিসের পাস কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই ফরাসি অধিনায়ক। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ২১ মিনিটেই তিন গোল শোধ করে ম্যাচে রোমাঞ্চ ফিরিয়ে আনে ফ্রান্স। একই সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন তিনি।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের নতুন রেকর্ডও গড়েছেন এমবাপ্পে। চার গোলের বিশাল ব্যবধান গড়ে তুলেও শেষ পর্যন্ত কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে ইংল্যান্ড। ফলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই লড়াই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের বড় আগ্রহের বিষয়।