শিমুল বিশ্বাস প্রতিবাদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে পাবনায় মহিলা দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন। রোববার দুপুরে পাবনা সদর উপজেলা মহিলা দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। কর্মসূচিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়।
আয়োজকদের দাবি, পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে সরোয়ার তুষার যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা ভিত্তিহীন ও কুরুচিপূর্ণ। এর প্রতিবাদ জানাতেই তারা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ও সমাবেশের আয়োজন করেন।
দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি পাবনা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে লতিফ টাওয়ারের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বক্তব্য দেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মেহেরুন্নেছা শাজাহান, সহ-সভানেত্রী লুৎফুন্নাহার হাজারী ও ফারহানা পারভীন, যুগ্ম সম্পাদক শবনম মঞ্জিলা খানম মিতা, পাবনা সদর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মোহছিনা খান সেতু এবং সাধারণ সম্পাদক জিনিয়া আফরোজ রিমা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, সরোয়ার তুষার যাচাই-বাছাই ছাড়াই সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তাদের ভাষ্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা ভিত্তিহীন বক্তব্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক নয়। তারা দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিবাদ সভা থেকে সরোয়ার তুষারের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি রাজনৈতিক শালীনতা বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়।
এ সময় বক্তারা আরও বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকলেও তা যেন শালীনতা, তথ্যনির্ভরতা এবং পারস্পরিক সম্মানবোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। রাজনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
উল্লেখ্য, এই দাবিগুলো প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের বক্তব্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে উত্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত নয়।
সব মিলিয়ে শিমুল বিশ্বাস প্রতিবাদ ইস্যুকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রত্যাহার, নিঃশর্ত ক্ষমা এবং রাজনৈতিক শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।



























