ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আফগানিস্তানের বাসমতী চালের বাজার ধরতে চায় ভারত Logo সিলেট-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট: সরাসরি সেবা চালুর সর্বশেষ তথ্য Logo জরুরি সতর্কতা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন ভুয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে সাবধান Logo মেট্রোরেল কমলাপুর: ২০২৭ সালের এপ্রিলে চালুর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য Logo সকালের নাস্তায় সেদ্ধ ডিম কেন খাবেন? জানুন চমকপ্রদ স্বাস্থ্য উপকারিতা Logo ফরিদপুরে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর Logo আড়াইহাজারে বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধরের অভিযোগ Logo বলিউডে নারী–পুরুষের বৈষম্য নিয়ে মুখ খুললেন কৃতি স্যানন Logo নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইকারী আখ্যা দিয়ে তরুণকে খুঁটিতে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা Logo চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু ৬ জুলাই

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু ৬ জুলাই

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৫

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেওয়া যুদ্ধজাহাজ। ছবি: সংগৃহীত

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া আগামী ৬ জুলাই থেকে চীনের উপকূলীয় শহর চিংদাওয়ের জলসীমা ও আকাশসীমায় শুরু হচ্ছে। চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথভাবে এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।

রোববার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মহড়া শেষে উভয় দেশের কিছু নৌযান প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহলে অংশ নেবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

বেইজিংয়ের দাবি, এটি একটি নিয়মিত বার্ষিক মহড়া। এর উদ্দেশ্য যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, মহড়ায় অংশ নিতে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি কর্ভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে চিংদাও উপকূলে পৌঁছেছে।

৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলা এই চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতার অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ মহড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়া নিয়মিতভাবে স্থল, নৌ ও আকাশপথে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের সামরিক সক্ষমতা, সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের মহড়া কেবল সামরিক প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং কৌশলগত বার্তাও বহন করে। প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সমুদ্রপথে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনায় এ ধরনের অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়া কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং এটি বার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

রাশিয়ার অংশগ্রহণকারী নৌবহরের উপস্থিতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ১৩ জুলাই মহড়া শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সমুদ্র এলাকায় যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে উভয় দেশের নৌবাহিনী।

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানের বাসমতী চালের বাজার ধরতে চায় ভারত

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু ৬ জুলাই

Update Time : ০৯:০২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া আগামী ৬ জুলাই থেকে চীনের উপকূলীয় শহর চিংদাওয়ের জলসীমা ও আকাশসীমায় শুরু হচ্ছে। চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথভাবে এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।

রোববার চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, মহড়া শেষে উভয় দেশের কিছু নৌযান প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহলে অংশ নেবে। এই উদ্যোগ দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করবে।

বেইজিংয়ের দাবি, এটি একটি নিয়মিত বার্ষিক মহড়া। এর উদ্দেশ্য যৌথভাবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।

আরও পড়ুন  যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান ও লেবাননের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিল বেইজিং

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, মহড়ায় অংশ নিতে দেশটির প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি কর্ভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ ইতোমধ্যে চিংদাও উপকূলে পৌঁছেছে।

৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলা এই চীন-রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ধারাবাহিকতার অংশ। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের যৌথ মহড়া সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন ও রাশিয়া নিয়মিতভাবে স্থল, নৌ ও আকাশপথে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। এর মাধ্যমে দুই দেশ তাদের সামরিক সক্ষমতা, সমন্বিত অভিযান পরিচালনার দক্ষতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ যেসব দেশের জন্য ভিসা স্থগিত করল

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এ ধরনের মহড়া কেবল সামরিক প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং কৌশলগত বার্তাও বহন করে। প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সমুদ্রপথে যৌথ কার্যক্রম পরিচালনায় এ ধরনের অনুশীলন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়া কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে নয়। বরং এটি বার্ষিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মস্তিষ্কে পরজীবী: ভারতের সফর শেষে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা

রাশিয়ার অংশগ্রহণকারী নৌবহরের উপস্থিতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী ১৩ জুলাই মহড়া শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সমুদ্র এলাকায় যৌথ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে উভয় দেশের নৌবাহিনী।