ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি: যুক্তরাষ্ট্রে এখনো দ্বিতীয়, কার অবস্থান কোথায়? Logo প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান শিগগিরই Logo নতুন আইএমএফ ঋণ কর্মসূচি, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্বে সরকার Logo টানা বৃষ্টিপাত ও বন্যার প্রভাবে কক্সবাজার পর্যটন শিল্পে ১শ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি Logo বুড়িচংয়ে ভাড়াবাসা থেকে চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার,পলাতক স্ত্রী Logo বিশ্বে ২০২৮ সাল পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী থাকবে খাদ্যের দাম, সতর্ক করলেন অর্থনীতিবিদরা Logo আল্লাহ ছাড়া কারো নামে কসম কাটা যায়? কসমের কাফফারা কী? Logo জামানত ছাড়াই ১০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন নতুন উদ্যোক্তারা: অর্থমন্ত্রী Logo ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৫০ Logo বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমবেদনা

জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশ

অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভা থেকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুম (Zoom) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আয়োজিত এই সভায় দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ এলাকার বন্যা ও জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং চলমান উদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সভায় কর্মকর্তারা আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি শুনে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, নিরাপদ পানীয় জল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে, যাতে আশ্রয় নেওয়া মানুষ কোনো ধরনের দুর্ভোগে না পড়েন।

বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি, ডাকাতি, মজুতদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীর কাছেই পৌঁছে যায়।

সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আগাম প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানে জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে রংপুর বিভাগেও নতুন করে জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।

এসব তথ্য পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল, সরঞ্জাম ও ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কমিয়ে আনতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী এবং উদ্ধার সহায়তা পাঠানো হবে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

দুর্যোগ পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি: যুক্তরাষ্ট্রে এখনো দ্বিতীয়, কার অবস্থান কোথায়?

জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

Update Time : ০৫:৪১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১২ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভা থেকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুম (Zoom) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আয়োজিত এই সভায় দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ এলাকার বন্যা ও জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং চলমান উদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সভায় কর্মকর্তারা আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, ত্রাণ বিতরণ, চিকিৎসাসেবা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি শুনে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন।

আরও পড়ুন  রোহিঙ্গাদের জন্য ১ কোটি ডলার অনুদানের ঘোষণা কানাডার

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই সময়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতির সুযোগ নেই। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, নিরাপদ পানীয় জল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে, যাতে আশ্রয় নেওয়া মানুষ কোনো ধরনের দুর্ভোগে না পড়েন।

বিশেষ করে নারী, শিশু, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। দুর্যোগের সময় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার বিষয়েও কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি, ডাকাতি, মজুতদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

আরও পড়ুন  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় বিজিবি মোতায়েন, উদ্ধার ও ত্রাণ জোরদার

ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি সহায়তা যেন কোনোভাবেই অপচয় না হয় এবং প্রকৃত উপকারভোগীর কাছেই পৌঁছে যায়।

সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আগাম প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানে জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে রংপুর বিভাগেও নতুন করে জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়।

এসব তথ্য পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় জনবল, সরঞ্জাম ও ত্রাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করে জনগণের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন  বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বিএনপি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখতে হবে। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের দুর্ভোগ কমিয়ে আনতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা ও জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী এবং উদ্ধার সহায়তা পাঠানো হবে। একই সঙ্গে আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

দুর্যোগ পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে দ্রুত সমস্যা সমাধানে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।