ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কিয়ারা আদভানি বিতর্ক: চমকপ্রদ সত্য জানালেন বেনেডিক্ট গ্যারেট Logo সাতকানিয়া বন্যা: খাগরিয়ায় ১ম বারের মতো ২ শতাধিক পরিবারকে ইউনুস মেম্বার ফাউন্ডেশনের ত্রাণ Logo ঘুমের মধ্যে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি কেন হয়? জানুন কারণ Logo ভারতে ইসলাম কীভাবে এলো? ইতিহাসের নতুন বিশ্লেষণ Logo ভারতের পারমাণবিক কেন্দ্রের তথ্য ফাঁস? যা জানালো সরকার Logo ট্রাম্পের নতুন ভিসানীতি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা Logo তাজমহল কি একসময় মন্দির ছিল? নতুন বিতর্কে কী বলছে ইতিহাস Logo সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নতুন এমডি হলেন আবেদুর রহমান সিকদার Logo বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে সবচেয়ে বেশি, কেন বাড়ছে উদ্বেগ? Logo বন্যায় কৃষি ক্ষতি: ৪৮৮ কোটি টাকার ধাক্কা, বড় সতর্কবার্তা

ট্রাম্পের নতুন ভিসানীতি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:৫৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৫

নতুন ভিসানীতির সমালোচনা করেছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ফেডারেল সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীরা চার বছরের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন, একাডেমিক কার্যক্রমে পরিবর্তন এবং ভিসা-পরবর্তী অবস্থানের নিয়মও আরও কঠোর করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে কার্যকর হতে যাওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার রোধ করা এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কিছু বিদেশি শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনির্দিষ্টকাল অবস্থান করার সুযোগ নিয়েছেন, যা অভিবাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এতদিন এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসা ও জে-১ এক্সচেঞ্জ ভিসাধারীরা ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ নীতির আওতায় পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারতেন। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়সীমার পরিবর্তে ডিগ্রি সম্পন্ন করার সময়ই তাদের অবস্থানের ভিত্তি ছিল। নতুন নীতিতে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে সর্বোচ্চ চার বছরের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই নতুন নিয়ম স্নাতকোত্তর ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গবেষণামুখী অনেক কোর্স শেষ করতে চার বছরের বেশি সময় লেগে যায়। গবেষণার অর্থায়ন, পরীক্ষামূলক কাজ কিংবা ব্যক্তিগত কারণে অনেক শিক্ষার্থীর ডিগ্রি সম্পন্ন করতেও অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হয়।

নতুন নীতিমালায় শুধু অবস্থানের সময়ই নয়, ভিসা-পরবর্তী সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর বা অন্য ভিসা ক্যাটাগরিতে পরিবর্তনের আগে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ৬০ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারতেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়তে না পারলে শিক্ষার্থীরা অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে পারেন।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নীতির মাধ্যমে স্টুডেন্ট ভিসা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা হবে। প্রশাসনের দাবি, এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম বন্ধ করবে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত করবে। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা নাফসা: অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেটরস এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফ্যান্টা আও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর একটি ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, অনিশ্চয়তা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করবে এই সিদ্ধান্ত। তার মতে, বাস্তবে যে সমস্যা নেই, সেটির সমাধান করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে।

সমালোচকদের মতে, এই নীতিমালার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার প্রতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা বা পিএইচডি করতে চান, তারা বিকল্প গন্তব্য হিসেবে কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিতে পারেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন সীমিত করার বৃহত্তর নীতিরই অংশ। এর আগে প্রশাসন অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগ নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচক কিছু আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিলের পদক্ষেপও গ্রহণ করে। ফলে নতুন ভিসানীতিকে অনেকেই সেই ধারাবাহিক নীতির সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্যগুলোর একটি। প্রতিবছর লাখো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন এই নীতির বাস্তবায়ন এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকেই নজর আন্তর্জাতিক শিক্ষা মহলের।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিয়ারা আদভানি বিতর্ক: চমকপ্রদ সত্য জানালেন বেনেডিক্ট গ্যারেট

ট্রাম্পের নতুন ভিসানীতি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধাক্কা

Update Time : ০৯:৫৮:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ফেডারেল সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া বিদেশি শিক্ষার্থীরা চার বছরের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন, একাডেমিক কার্যক্রমে পরিবর্তন এবং ভিসা-পরবর্তী অবস্থানের নিয়মও আরও কঠোর করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরে কার্যকর হতে যাওয়া এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নীতিমালার মূল উদ্দেশ্য হলো স্টুডেন্ট ভিসার অপব্যবহার রোধ করা এবং নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। প্রশাসনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কিছু বিদেশি শিক্ষার্থী ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তি হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনির্দিষ্টকাল অবস্থান করার সুযোগ নিয়েছেন, যা অভিবাসন ব্যবস্থার দুর্বলতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এতদিন এফ-১ স্টুডেন্ট ভিসা ও জে-১ এক্সচেঞ্জ ভিসাধারীরা ‘ডিউরেশন অব স্ট্যাটাস’ নীতির আওতায় পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারতেন। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়সীমার পরিবর্তে ডিগ্রি সম্পন্ন করার সময়ই তাদের অবস্থানের ভিত্তি ছিল। নতুন নীতিতে সেই ব্যবস্থা বাতিল করে সর্বোচ্চ চার বছরের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই নতুন নিয়ম স্নাতকোত্তর ও গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গবেষণামুখী অনেক কোর্স শেষ করতে চার বছরের বেশি সময় লেগে যায়। গবেষণার অর্থায়ন, পরীক্ষামূলক কাজ কিংবা ব্যক্তিগত কারণে অনেক শিক্ষার্থীর ডিগ্রি সম্পন্ন করতেও অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হয়।

নতুন নীতিমালায় শুধু অবস্থানের সময়ই নয়, ভিসা-পরবর্তী সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে ডিগ্রি শেষ হওয়ার পর বা অন্য ভিসা ক্যাটাগরিতে পরিবর্তনের আগে বিদেশি শিক্ষার্থীরা ৬০ দিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারতেন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী সেই সময়সীমা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ছাড়তে না পারলে শিক্ষার্থীরা অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতায় পড়তে পারেন।

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নীতির মাধ্যমে স্টুডেন্ট ভিসা ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করা হবে। প্রশাসনের দাবি, এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম বন্ধ করবে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত করবে। পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক অলাভজনক সংস্থা নাফসা: অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেটরস এই নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ফ্যান্টা আও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর একটি ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা, অনিশ্চয়তা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি করবে এই সিদ্ধান্ত। তার মতে, বাস্তবে যে সমস্যা নেই, সেটির সমাধান করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে।

সমালোচকদের মতে, এই নীতিমালার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার প্রতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে যেসব শিক্ষার্থী দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা বা পিএইচডি করতে চান, তারা বিকল্প গন্তব্য হিসেবে কানাডা, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিতে পারেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন সীমিত করার বৃহত্তর নীতিরই অংশ। এর আগে প্রশাসন অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করার উদ্যোগ নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচক কিছু আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিলের পদক্ষেপও গ্রহণ করে। ফলে নতুন ভিসানীতিকে অনেকেই সেই ধারাবাহিক নীতির সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছেন।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার গন্তব্যগুলোর একটি। প্রতিবছর লাখো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে বিদেশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা পরিকল্পনা, গবেষণা কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন এই নীতির বাস্তবায়ন এবং এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবের দিকেই নজর আন্তর্জাতিক শিক্ষা মহলের।