ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তাহলে কি শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’?

শেষ হচ্ছে কি ‘এটা আমাদেরই গল্প’? ৭ মাসের জনপ্রিয় নাটকের ইতি

 

পারিবারিক গল্পের আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর বাস্তব জীবনের প্রতিফলন সব মিলিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছিল এটা আমাদেরই গল্প। দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস ধরে নিয়মিত সম্প্রচারের মাধ্যমে নাটকটি হয়ে উঠেছিল অনেক পরিবারের দৈনন্দিন বিনোদনের অংশ। তবে সব ভালো কিছুরই যেমন শেষ আছে, তেমনি এবার শেষ হতে চলেছে জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকটি। শেষ পর্ব ঘিরে যেমন রয়েছে দর্শকদের কৌতূহল, তেমনি শিল্পীদের মনেও কাজ করছে এক ধরনের আবেগময় অনুভূতি।

 

গত বছরের ৫ নভেম্বর থেকে নিয়মিত সম্প্রচার শুরু হয় এটা আমাদেরই গল্প নাটকটির। প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় চ্যানেল আই এর পর্দায় এটি দেখানো হতো। টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল দর্শকদের জন্যও ছিল বিশেষ আয়োজন সিনেমাওয়ালার ইউটিউব চ্যানেলেও নাটকটি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে দেশ-বিদেশের দর্শকরাও সহজেই নাটকটি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে গল্পের গতি, চরিত্রের বিকাশ এবং পারিবারিক আবেগের উপস্থাপন দর্শকদের সঙ্গে গভীরভাবে সংযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

 

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা, যারা প্রত্যেকে নিজ নিজ চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এতে ছিলেন খায়রুল বাসার, ইরফান সাজ্জাদ, কেয়া পায়েল, সুনেরাহ বিনতে কামালসহ আরও অনেকে। পাশাপাশি ইন্তেখাব দিনার, দীপা খন্দকার, শিল্পী সরকার অপুর মতো অভিজ্ঞ শিল্পীদের উপস্থিতি নাটকটিকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। তাদের অভিনয়ের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং বাস্তবধর্মী উপস্থাপন গল্পটিকে জীবন্ত করে তুলেছে।

 

শেষ পর্বের শুটিং শেষ হওয়ার পর পুরো টিমের মধ্যেই কাজ করেছে এক ধরনের আবেগঘন পরিবেশ। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার ফলে সবাই যেন এক পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছিলেন। বিদায়ের মুহূর্তে সেই বন্ধন ভাঙার কষ্টও ছিল স্পষ্ট। বিশেষ করে যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন, তাদের কাছে এই প্রজেক্টটি শুধু একটি নাটক নয় একটি স্মরণীয় যাত্রা। সেটে শেষ দিনের শুটিংয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা প্রমাণ করে এই নাটকের সঙ্গে তাদের কতটা গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।

 

অভিনেত্রী দীপা খন্দকার জানান, এই ৭ মাসের যাত্রা তাঁর জন্য ছিল খুবই বিশেষ। তিনি বিশ্বাস করেন, দর্শকরা এখনো পারিবারিক গল্প ভালোবাসেন, আর এই নাটক সেটিরই প্রমাণ। অন্যদিকে কেয়া পায়েল বলেন, এই কাজটি তাঁর ক্যারিয়ারের এমন একটি অভিজ্ঞতা, যা তাঁকে দীর্ঘদিন মনে রাখবে। এমনকি এই নাটকের পর অভিনয় ছেড়ে দিলেও কোনো আফসোস থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁদের কথায় স্পষ্ট—এই নাটকটি শুধু একটি কাজ নয়, বরং একটি আবেগের জায়গা।

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহলে কি শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’?

Update Time : ০১:০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

 

পারিবারিক গল্পের আবেগ, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর বাস্তব জীবনের প্রতিফলন সব মিলিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছিল এটা আমাদেরই গল্প। দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস ধরে নিয়মিত সম্প্রচারের মাধ্যমে নাটকটি হয়ে উঠেছিল অনেক পরিবারের দৈনন্দিন বিনোদনের অংশ। তবে সব ভালো কিছুরই যেমন শেষ আছে, তেমনি এবার শেষ হতে চলেছে জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকটি। শেষ পর্ব ঘিরে যেমন রয়েছে দর্শকদের কৌতূহল, তেমনি শিল্পীদের মনেও কাজ করছে এক ধরনের আবেগময় অনুভূতি।

 

গত বছরের ৫ নভেম্বর থেকে নিয়মিত সম্প্রচার শুরু হয় এটা আমাদেরই গল্প নাটকটির। প্রতি মঙ্গলবার ও বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় চ্যানেল আই এর পর্দায় এটি দেখানো হতো। টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল দর্শকদের জন্যও ছিল বিশেষ আয়োজন সিনেমাওয়ালার ইউটিউব চ্যানেলেও নাটকটি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে দেশ-বিদেশের দর্শকরাও সহজেই নাটকটি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে গল্পের গতি, চরিত্রের বিকাশ এবং পারিবারিক আবেগের উপস্থাপন দর্শকদের সঙ্গে গভীরভাবে সংযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন  তারকা জুটির বিলাসবহুল বিয়ে ঘিরে ক্ষোভ, ইতালির শহরে প্রতিবাদে নামলেন বাসিন্দারা

 

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা, যারা প্রত্যেকে নিজ নিজ চরিত্রে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এতে ছিলেন খায়রুল বাসার, ইরফান সাজ্জাদ, কেয়া পায়েল, সুনেরাহ বিনতে কামালসহ আরও অনেকে। পাশাপাশি ইন্তেখাব দিনার, দীপা খন্দকার, শিল্পী সরকার অপুর মতো অভিজ্ঞ শিল্পীদের উপস্থিতি নাটকটিকে করেছে আরও সমৃদ্ধ। তাদের অভিনয়ের স্বতঃস্ফূর্ততা এবং বাস্তবধর্মী উপস্থাপন গল্পটিকে জীবন্ত করে তুলেছে।

আরও পড়ুন  মুম্বাইয়ের ভাইরাল কিশোর অরুণ কুমার

 

শেষ পর্বের শুটিং শেষ হওয়ার পর পুরো টিমের মধ্যেই কাজ করেছে এক ধরনের আবেগঘন পরিবেশ। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার ফলে সবাই যেন এক পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছিলেন। বিদায়ের মুহূর্তে সেই বন্ধন ভাঙার কষ্টও ছিল স্পষ্ট। বিশেষ করে যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন, তাদের কাছে এই প্রজেক্টটি শুধু একটি নাটক নয় একটি স্মরণীয় যাত্রা। সেটে শেষ দিনের শুটিংয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন, যা প্রমাণ করে এই নাটকের সঙ্গে তাদের কতটা গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল।

আরও পড়ুন  চেন্নাইয়ে অভিনেত্রী সুভাষিনীর রহস্যজনক মৃত্যু

 

অভিনেত্রী দীপা খন্দকার জানান, এই ৭ মাসের যাত্রা তাঁর জন্য ছিল খুবই বিশেষ। তিনি বিশ্বাস করেন, দর্শকরা এখনো পারিবারিক গল্প ভালোবাসেন, আর এই নাটক সেটিরই প্রমাণ। অন্যদিকে কেয়া পায়েল বলেন, এই কাজটি তাঁর ক্যারিয়ারের এমন একটি অভিজ্ঞতা, যা তাঁকে দীর্ঘদিন মনে রাখবে। এমনকি এই নাটকের পর অভিনয় ছেড়ে দিলেও কোনো আফসোস থাকবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁদের কথায় স্পষ্ট—এই নাটকটি শুধু একটি কাজ নয়, বরং একটি আবেগের জায়গা।