ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

পল্লবী শিশু হত্যা: ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রতিবেদন হস্তান্তর

পল্লবী শিশু হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। | ছবি: সংগৃহীত

পল্লবী শিশু হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যা করা আট বছরের শিশুটির ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এসব প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় ফরেনসিক রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান, শিশুটি ও অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার অভিযোগপত্র দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামীকালের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হবে।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী এক শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পল্লবী শিশু হত্যা
রামিসা

মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার নৃশংসতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ময়মনসিংহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করা হবে।

পল্লবী শিশু হত্যা ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন ও সাধারণ মানুষ দ্রুত তদন্ত শেষ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপিতে যোগদান

পল্লবী শিশু হত্যা: ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ প্রতিবেদন হস্তান্তর

Update Time : ০৯:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

পল্লবী শিশু হত্যা মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যা করা আট বছরের শিশুটির ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এসব প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, মামলার তদন্ত কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় ফরেনসিক রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান, শিশুটি ও অভিযুক্ত ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন  সীমান্তে গুলির শব্দ থামলেও থামেনি আতঙ্ক—৪ দিন পর মিলল বাংলাদেশির নিথর দেহ

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাসান বাসির বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মামলার অভিযোগপত্র দ্রুত আদালতে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামীকালের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা সম্ভব হবে।

গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী এক শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন  রামিসা হত্যাকাণ্ডে আসামি সোহেলের অপকর্ম ফাঁস, দেশজুড়ে ক্ষোভ
পল্লবী শিশু হত্যা
রামিসা

মামলার প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার নৃশংসতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে শিশুটির পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ময়মনসিংহে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করা হবে।

আরও পড়ুন  হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনে মুক্ত শিরীন শারমিন

পল্লবী শিশু হত্যা ঘটনায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন ও সাধারণ মানুষ দ্রুত তদন্ত শেষ করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব প্রমাণ সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে।