ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি? Logo ৯ আগস্ট চট্টগ্রামে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, থাকছে বড় কর্মসূচি Logo বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, রাত পর্যন্ত মুখোমুখি অবস্থান Logo সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে কেন সতর্ক করল সরকার? Logo ঘরেই বানান রেস্টুরেন্ট স্টাইল ক্রিস্পি পটেটো ওয়েজেস Logo সুখবর! সৌদি উপমন্ত্রী ওয়ালিদ এলখেরেজির ঢাকা সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা Logo ইলিয়াস কাঞ্চন দেশে ফিরলেন: চিকিৎসা শেষে সুখবর, জানালেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা Logo নিষিদ্ধ সংগঠন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মিজানুর রহমানের সহযোগী চন্দনাইশে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বর্তমানে সক্রিয় ২ কর্মী গ্রেপ্তার Logo আপেলের উপকারিতা: ৭টি বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনাকে অবাক করবে Logo BTS গ্র্যামি বয়কট: গ্র্যামি থেকে সরানো হলো BTS-এর ঐতিহাসিক পারফরম্যান্স ভিডিও

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪১

বজ্রপাতে মৃত্যু ঘটনায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

বজ্রপাতে মৃত্যু দেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের অন্তত আটটি জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন।স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, নাটোর, পঞ্চগড় ও শেরপুরে পৃথক পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এসব প্রাণহানি ঘটে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মাঠে কাজ করা কৃষক, গবাদিপশু চরানো মানুষ কিংবা খোলা জায়গায় অবস্থানকারীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় একসঙ্গে তিনজন মারা যান।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ফুয়াদ (১৪), রাফি (১২) এবং মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় একটি গরুও মারা গেছে। অন্যদিকে ফুলছড়ি উপজেলার জামিরা চরে বজ্রপাতে ঘোড়ার গাড়িচালক মানিক হোসেন (২২) মারা যান। বজ্রপাতের সময় তার ঘোড়াটিও মারা যায়। সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর এলাকায় মাঠে কাজ করার সময় কৃষক আব্দুল হামিদ বজ্রপাতে নিহত হন।

রায়গঞ্জ উপজেলার মল্লিকচান এলাকায় ধান জড়ো করার সময় হাসান শেখ নামে এক যুবক বজ্রপাতে মারা যান।জামালপুরের সদর ও মেলান্দহ উপজেলায়ও বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলে গরু চরাতে গিয়ে হাসমত আলী নিহত হন। মেলান্দহ উপজেলায় রান্না করার সময় বজ্রপাতে আহত হয়ে মর্জিনা আক্তারের মৃত্যু হয়।বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দুটি গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় লাবণী আক্তার ও ইলিয়াস আলী নিহত হন। নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পঞ্চগড়ের একটি চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সারওয়ারদ্দী নামে এক শ্রমিক নিহত হন এবং আরও দুইজন আহত হন।শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে ইসলামি ফাউন্ডেশনের শিক্ষক আবুল হাসান বজ্রপাতে মারা গেছেন।

রাজধানীতেও বজ্রপাতের প্রভাব দেখা গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনায় দুই নারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহত দুই শিক্ষার্থী হলেন সুফিয়া আক্তার ও ফারাহ আক্তার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদীর পাড় বা উঁচু স্থানে থাকা বিপজ্জনক। নিরাপদ থাকতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

  • ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে দ্রুত ঘরে আশ্রয় নেওয়া
  • খোলা মাঠে অবস্থান না করা
  • গাছের নিচে দাঁড়িয়ে না থাকা
  • মোবাইল বা ধাতব বস্তু ব্যবহার কমানো

স্বর্ণের দাম আবার ঊর্ধ্বমুখী, আজ কত টাকায় মিলছে এক ভরি?

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু

Update Time : ০২:৫৬:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বজ্রপাতে মৃত্যু দেশের বিভিন্ন জেলায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের অন্তত আটটি জেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন।স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, ঠাকুরগাঁও, বগুড়া, নাটোর, পঞ্চগড় ও শেরপুরে পৃথক পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এসব প্রাণহানি ঘটে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বজ্রপাত বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে মাঠে কাজ করা কৃষক, গবাদিপশু চরানো মানুষ কিংবা খোলা জায়গায় অবস্থানকারীরা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় একসঙ্গে তিনজন মারা যান।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ: সায়েন্স ল্যাব ও উত্তরায় নতুন কর্মসূচির ঘোষণা

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ফুয়াদ (১৪), রাফি (১২) এবং মিজানুর (২০)। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। একই ঘটনায় একটি গরুও মারা গেছে। অন্যদিকে ফুলছড়ি উপজেলার জামিরা চরে বজ্রপাতে ঘোড়ার গাড়িচালক মানিক হোসেন (২২) মারা যান। বজ্রপাতের সময় তার ঘোড়াটিও মারা যায়। সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর এলাকায় মাঠে কাজ করার সময় কৃষক আব্দুল হামিদ বজ্রপাতে নিহত হন।

রায়গঞ্জ উপজেলার মল্লিকচান এলাকায় ধান জড়ো করার সময় হাসান শেখ নামে এক যুবক বজ্রপাতে মারা যান।জামালপুরের সদর ও মেলান্দহ উপজেলায়ও বজ্রপাতের ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলে গরু চরাতে গিয়ে হাসমত আলী নিহত হন। মেলান্দহ উপজেলায় রান্না করার সময় বজ্রপাতে আহত হয়ে মর্জিনা আক্তারের মৃত্যু হয়।বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন  নেত্রকোণায় বজ্রপাতে মৃত্যু: ৩ প্রাণহানির বিস্তারিত তথ্য

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার দুটি গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় লাবণী আক্তার ও ইলিয়াস আলী নিহত হন। নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পঞ্চগড়ের একটি চা-বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সারওয়ারদ্দী নামে এক শ্রমিক নিহত হন এবং আরও দুইজন আহত হন।শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে ইসলামি ফাউন্ডেশনের শিক্ষক আবুল হাসান বজ্রপাতে মারা গেছেন।

আরও পড়ুন  গণ-অভ্যুত্থান সতর্কবার্তা নিয়ে নাহিদ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

রাজধানীতেও বজ্রপাতের প্রভাব দেখা গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনায় দুই নারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আহত দুই শিক্ষার্থী হলেন সুফিয়া আক্তার ও ফারাহ আক্তার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, নদীর পাড় বা উঁচু স্থানে থাকা বিপজ্জনক। নিরাপদ থাকতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—

  • ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে দ্রুত ঘরে আশ্রয় নেওয়া
  • খোলা মাঠে অবস্থান না করা
  • গাছের নিচে দাঁড়িয়ে না থাকা
  • মোবাইল বা ধাতব বস্তু ব্যবহার কমানো