ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বর্ণের দাম কমেছে: ২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে বিশ্ববাজার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। ছবি: সংগৃহীত

স্বর্ণের দাম কমেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তা দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মার্কিন সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা দেখা দেওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৪৮ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে আসে। এটি গত মার্চের শেষভাগের পর সর্বনিম্ন অবস্থান। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দামও ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৬৯ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে। ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে স্বর্ণের বাজারে উল্লেখযোগ্য চাপ দেখা যাচ্ছে। উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সাধারণত স্বর্ণের মতো অ-ফলনশীল সম্পদের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে স্বর্ণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে দুর্বল রয়েছে।

বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) এবং উৎপাদক মূল্য সূচক (পিপিআই) প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখছেন। এসব অর্থনৈতিক তথ্য আগামী মাসগুলোতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। রূপা ও প্ল্যাটিনামের দাম কমলেও প্যালাডিয়ামের দাম সামান্য বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক ধাতুবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও স্বর্ণের দাম কমেছে—এটাই এখন বিনিয়োগকারীদের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বর্ণের দাম কমেছে: ২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে বিশ্ববাজার

Update Time : ০৭:৪৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

স্বর্ণের দাম কমেছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তা দুই মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মার্কিন সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা দেখা দেওয়ায় মূল্যবান এই ধাতুর বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৪৮ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে আসে। এটি গত মার্চের শেষভাগের পর সর্বনিম্ন অবস্থান। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দামও ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৬৯ দশমিক ৯০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-পাকিস্তান মাদক পাচার প্রতিরোধে যৌথ উদ্যোগ ও সমঝোতা

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে তেলের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়াতে পারে। ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন আশঙ্কাও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকে স্বর্ণের বাজারে উল্লেখযোগ্য চাপ দেখা যাচ্ছে। উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে সাধারণত স্বর্ণের মতো অ-ফলনশীল সম্পদের প্রতি আগ্রহ কমে যায়। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে স্বর্ণের চাহিদা তুলনামূলকভাবে দুর্বল রয়েছে।

আরও পড়ুন  বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি, বাংলাদেশে ভরি কত?

বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) এবং উৎপাদক মূল্য সূচক (পিপিআই) প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখছেন। এসব অর্থনৈতিক তথ্য আগামী মাসগুলোতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। রূপা ও প্ল্যাটিনামের দাম কমলেও প্যালাডিয়ামের দাম সামান্য বেড়েছে। ফলে বৈশ্বিক ধাতুবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও স্বর্ণের দাম কমেছে—এটাই এখন বিনিয়োগকারীদের প্রধান আলোচনার বিষয়।

আরও পড়ুন  তাপপ্রবাহ ট্র্যাজেডি: ১১ দিনে স্ত্রী-সন্তানের পর মারা গেলেন সোবহান