ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজ প্রণালী সংকটে তেলের দাম আকাশছোঁয়া, বিশ্ববাজারে নতুন রেকর্ড

হরমুজ প্রণালী সংকটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।ছবি- সংগ্রহীত

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz-এ তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলোকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য প্রায় ১৫০ ডলার পর্যন্ত মূল্য দিতে হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি দাম।

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ।

ফিউচার মার্কেটের তুলনায় সরাসরি বা স্পট মার্কেটে তেলের দাম আরও দ্রুত বেড়েছে। যদিও সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও, বর্তমান সংকটে বাস্তব সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপ ও এশিয়ার রিফাইনারিগুলো এখন বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে আফ্রিকার কিছু তেলের গ্রেডের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোর দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

“পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারেও স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।”

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালী সংকটে তেলের দাম আকাশছোঁয়া, বিশ্ববাজারে নতুন রেকর্ড

Update Time : ১১:৫০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। ইরান ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ Strait of Hormuz-এ তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলোকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য প্রায় ১৫০ ডলার পর্যন্ত মূল্য দিতে হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি দাম।

আরও পড়ুন  হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ!

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যা বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ।

ফিউচার মার্কেটের তুলনায় সরাসরি বা স্পট মার্কেটে তেলের দাম আরও দ্রুত বেড়েছে। যদিও সম্প্রতি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও, বর্তমান সংকটে বাস্তব সরবরাহের ক্ষেত্রে দাম আরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন  ‘বড় ভাই’ মোদি, ‘ছোট বোন’ তাকাইচি

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় ইউরোপ ও এশিয়ার রিফাইনারিগুলো এখন বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে আফ্রিকার কিছু তেলের গ্রেডের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোর দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরাইলকে নিয়ে কঠোর বার্তা খামেনির, বাড়ছে উত্তেজনা

“পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারেও স্থিতিশীলতা ফিরতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।”