ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাদক আইন ২০২৬: মৃত্যুদণ্ডের নতুন বিধান নিয়ে বিস্ময়কর ৭ প্রশ্ন Logo আইসক্রিম বাজার দ্রুত দ্বিগুণ: ৫ বছরে ৩৫০০ কোটি টাকার শিল্পে স্বাদের চমক Logo বাগদানের গুঞ্জনের মাঝেই নতুন ছবি শেয়ার করলেন পূজা চেরী Logo ফেসবুকে ঢুকতে পারছেন না? হঠাৎ মেটা বিভ্রাটে ভোগান্তি Logo রেকর্ড ১৫ বিলিয়ন ডলার আয়: বিশ্বকাপে ফিফার বিশাল সাফল্য Logo শিশুর সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ার সহজ ৭ কার্যকর উপায় Logo জাহিদ হাসানের বিশ্বকাপ ফাইনাল ভবিষ্যদ্বাণী: আর্জেন্টিনা ১-০ জিতবে নাকি ৫-৪? Logo চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারের মাঝে চট্টগ্রাম ফোরাম তেজগাঁও এর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ Logo অঙ্কুরিত আলু-পেঁয়াজ-রসুন খাওয়া নিরাপদ? জানুন সত্য Logo বর্ষায় সুস্থ থাকতে পাতে রাখুন ৭ সবজি, কমবে সংক্রমণের ঝুঁকি

রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা, একের পর এক আগুনে বিপর্যস্ত রাশিয়ার জ্বালানি খাত

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • ৫৪৯

রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা পরবর্তী পরিস্থিতি — ছবি: সংগৃহীত

রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। পশ্চিম রাশিয়া থেকে শুরু করে ভলগা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত একাধিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত শোধনাগারগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ৮৩ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি। এর মধ্যে কিরিশি, মস্কো, নিজনি নোভগোরোদ, রিয়াজান এবং ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যান্টগুলো রয়েছে। এসব স্থাপনা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

বিশেষভাবে কিরিশি শোধনাগার, যার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২০ মিলিয়ন মেট্রিক টন, বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া নোরসি শোধনাগারেও হামলা হয়েছে, যার উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ১৭ মিলিয়ন টন। এসব ঘটনায় রাশিয়ার গ্যাসোলিন ও ডিজেল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো রাশিয়ার মোট গ্যাসোলিন উৎপাদনের ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে। ফলে এই রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা সরাসরি দেশটির জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। ইতোমধ্যে রাশিয়া গ্যাসোলিন রপ্তানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা বৈশ্বিক তেল বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

রাশিয়ার অর্থনীতির একটি বড় অংশ তেল ও গ্যাস খাতের ওপর নির্ভরশীল। মোট ফেডারেল রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে এই খাত থেকে। তাই চলমান হামলায় শুধু উৎপাদন নয়, বরং সরকারের বাজেট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও চাপের মুখে পড়ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক আইন ২০২৬: মৃত্যুদণ্ডের নতুন বিধান নিয়ে বিস্ময়কর ৭ প্রশ্ন

রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা, একের পর এক আগুনে বিপর্যস্ত রাশিয়ার জ্বালানি খাত

Update Time : ০১:২৬:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার জ্বালানি খাতে বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। পশ্চিম রাশিয়া থেকে শুরু করে ভলগা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত একাধিক স্থাপনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত শোধনাগারগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ৮৩ মিলিয়ন মেট্রিক টনের বেশি। এর মধ্যে কিরিশি, মস্কো, নিজনি নোভগোরোদ, রিয়াজান এবং ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যান্টগুলো রয়েছে। এসব স্থাপনা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

আরও পড়ুন  জ্বালানি সংকট প্রভাব: জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি বিশ্লেষণ

বিশেষভাবে কিরিশি শোধনাগার, যার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২০ মিলিয়ন মেট্রিক টন, বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া নোরসি শোধনাগারেও হামলা হয়েছে, যার উৎপাদন সক্ষমতা বছরে ১৭ মিলিয়ন টন। এসব ঘটনায় রাশিয়ার গ্যাসোলিন ও ডিজেল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি তৈরি হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো রাশিয়ার মোট গ্যাসোলিন উৎপাদনের ৩০ শতাংশের বেশি এবং ডিজেল উৎপাদনের প্রায় ২৫ শতাংশ সরবরাহ করে। ফলে এই রুশ তেল শোধনাগার ড্রোন হামলা সরাসরি দেশটির জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। ইতোমধ্যে রাশিয়া গ্যাসোলিন রপ্তানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যা বৈশ্বিক তেল বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন  ইরান যুদ্ধের প্রভাবে স্বর্ণের দামে বড় পতন, দেশে ভরি কত কমলো?

রাশিয়ার অর্থনীতির একটি বড় অংশ তেল ও গ্যাস খাতের ওপর নির্ভরশীল। মোট ফেডারেল রাজস্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ আসে এই খাত থেকে। তাই চলমান হামলায় শুধু উৎপাদন নয়, বরং সরকারের বাজেট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও চাপের মুখে পড়ছে।