চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ মো. নুরুল আলম
চন্দনাইশ উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে গাছবাড়িয়া খাঁনহাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। আজ রবিবার (৯ আগস্ট) ভোর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার গাছবাড়িয়া খাঁনহাটে এ ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানান চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু দোকানের মালিক মোঃ আরিফ ও জহির উদ্দিনের দাবি, জায়গার পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ও পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিট স্থানীয় জনগণের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর পুরোপুরি আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চন্দনাইশ থানার একদল পুলিশ ও বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- মোঃ শাহ আলমের চায়ের দোকান, মোঃ ফারুক ও সুমনের আমের গুদাম, প্রিয়তোষ শীলের সেলুন, মোঃ লোকমানের পানের দোকান, আজগরের বিস্কুটের দোকান ও নুরুল আলমের পানের দোকান।

আগুনের লেলিহান শিখা মুহুর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কিছুই বের করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক শাহ আলম বলেন, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাই। এর আগে বিদ্যুৎ লাইনসহ সবকিছু ভালোভাবে দেখেই দোকান বন্ধ করেছি। সকালে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখি দাউ দাউ করে দোকানে আগুন জ্বলছে। আগুনে ফ্রিজ, নগদ টাকা ও দোকানের মালামাল পুড়ে প্রায় আড়াই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
দোকানের মালিক মোঃ আরিফ ও জহির উদ্দিন জানান, দীর্ঘদিন ধরে জায়গার পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. কামরুল হাছান জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে চন্দনাইশ ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ও পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এবং স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দ্রুত আগুন নেভানো না গেলে পাশ্ববর্তী বড় মার্কেট ও ব্যাংকটিও আগুনের কবলে পড়ত।


























