ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাভারে ব্যবসার নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ

সৈয়দ আদীব হক। ছবি: সংগৃহীত

সাভারে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে যেখানে ব্যবসার কথা বলে এবং বহুতল ভবন বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সাভারের কলমা ডেইরি ফার্ম এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত সৈয়দ আদীব হকের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত ডায়েরি করেছেন মো. এরশাদ আলী।

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, বিগত ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর অভিযুক্ত আদীব হক তার ব্যবসার প্রয়োজনে নগদ টাকা ধার নেন এবং এর বিপরীতে ৩০০ টাকার সরকারি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বিবাদী তার মালিকানাধীন ‘সেঞ্চুরি গার্মেন্টস’-এর সপ্তম তলার ভবন বিক্রির আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের সমপরিমাণ টাকার একটি স্বাক্ষর করা চেক এরশাদ আলীকে প্রদান করেছিলেন।

চুক্তির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভুক্তভোগী তার ন্যায্য পাওনা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানান এবং নানা রকম ভয়ভীতি ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন।

থানায় অভিযোগ দিতে দেরি হওয়ার প্রসঙ্গে এরশাদ আলী জানান যে প্রথমে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় অবশেষে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফয়জুল ইসলামের আশ্বাসে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে ব্যবসার নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ

Update Time : ০৯:৪০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সাভারে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে যেখানে ব্যবসার কথা বলে এবং বহুতল ভবন বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সাভারের কলমা ডেইরি ফার্ম এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত সৈয়দ আদীব হকের বিরুদ্ধে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাভার মডেল থানায় একটি লিখিত ডায়েরি করেছেন মো. এরশাদ আলী।

আরও পড়ুন  দা-কুড়াল হামলার পর ৭ লাখ টাকার লুট, মূল আসামি গ্রেপ্তার

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, বিগত ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর অভিযুক্ত আদীব হক তার ব্যবসার প্রয়োজনে নগদ টাকা ধার নেন এবং এর বিপরীতে ৩০০ টাকার সরকারি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে বিবাদী তার মালিকানাধীন ‘সেঞ্চুরি গার্মেন্টস’-এর সপ্তম তলার ভবন বিক্রির আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের সমপরিমাণ টাকার একটি স্বাক্ষর করা চেক এরশাদ আলীকে প্রদান করেছিলেন।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমার ইঙ্গিতে তেলের দামে নিম্নগতি

চুক্তির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ভুক্তভোগী তার ন্যায্য পাওনা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি টাকা দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানান এবং নানা রকম ভয়ভীতি ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন।

থানায় অভিযোগ দিতে দেরি হওয়ার প্রসঙ্গে এরশাদ আলী জানান যে প্রথমে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় অবশেষে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফয়জুল ইসলামের আশ্বাসে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।

আরও পড়ুন  হাম পরিস্থিতি: একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর তথ্য প্রকাশ