ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি Logo ৬৪ দলের বিশ্বকাপ, কতটা সম্ভব ফিফার নতুন পরিকল্পনা Logo ছাত্রাবাসে ধর্ষণ অভিযোগ: ৪ দিন আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ Logo প্লাস্টিকের ব্যাগে বিশ্বকাপ ট্রফি? কুকুরেয়ার ভিডিওর আসল রহস্য Logo হুতিদের নৌ অবরোধ ঘোষণা: সৌদির জন্য বড় হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা Logo ধূমপান ছাড়ার ৪ সহজ উপায়, জানুন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ Logo চরমোনাই পীরের কড়া বার্তা: ইসলামের নামে একাধিক দল নিয়ে প্রশ্ন Logo ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস, এক রাতেই ফলোয়ারে চমক Logo এআই প্রযুক্তিতে পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ: ৭ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা Logo ঘুম না এলে রাতে করুন এই ৭ ব্যায়াম, মিলবে স্বস্তির ঘুম

জনগণকে দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার

মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ করছেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল।ছবি: সংগৃহীত

মীর হেলাল বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের জনগণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার চৌংড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্যসহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তা দেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সরকারি সহায়তা পান।

মীর হেলাল বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল শক্তি জনগণ। তাই সরকার জনগণের মতামত, অধিকার এবং কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়।

তার ভাষায়, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে সব নাগরিক সমান মর্যাদা ও সুযোগ পাবেন এবং উন্নয়নের সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছে যাবে।

বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অতীত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আগের সরকার দীর্ঘ সময় প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে রেখেছিল।

তিনি আরও দাবি করেন, ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বর্তমান নেতৃত্ব দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মন্ত্রিপরিষদ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, কৃষি সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

তাদের মতে, জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান, কৃষিঋণ পুনঃতফসিল এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনর্নির্মাণেও সরকারের উদ্যোগ প্রয়োজন।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে চাল তুলে দেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটিতে বন্যায় কৃষি-মৎস্যে ৬০ কোটি টাকার ক্ষতি

জনগণকে দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায় সরকার

Update Time : ০৯:২৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মীর হেলাল বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের জনগণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তাদের দেশের প্রকৃত মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশকে আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রবিবার (১৯ জুলাই) খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার চৌংড়াছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সরকারের দায়িত্ব। সে লক্ষ্যেই দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্যসহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  শেরপুর ব্রিজ মেরামতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন কাল থেকে

তিনি জানান, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে চাল বিতরণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তা দেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করছে, যাতে ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সরকারি সহায়তা পান।

মীর হেলাল বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল শক্তি জনগণ। তাই সরকার জনগণের মতামত, অধিকার এবং কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়।

তার ভাষায়, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে সব নাগরিক সমান মর্যাদা ও সুযোগ পাবেন এবং উন্নয়নের সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছে যাবে।

আরও পড়ুন  ৪১৯ যাত্রী নিয়ে মধ্যরাতে ঢাকাছাড়বে প্রথম হজ ফ্লাইট

বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী অতীত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আগের সরকার দীর্ঘ সময় প্রশাসন ও বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে রেখেছিল।

তিনি আরও দাবি করেন, ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বর্তমান নেতৃত্ব দেশের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দুর্যোগপ্রবণ এলাকাগুলোতে নিয়মিত ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মন্ত্রিপরিষদ, জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়।

আরও পড়ুন  যেভাবে বিএনপির রাজনীতিতে আসেন জমির উদ্দিন সরকার

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন, কৃষি সহায়তা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

তাদের মতে, জরুরি খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান, কৃষিঋণ পুনঃতফসিল এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনর্নির্মাণেও সরকারের উদ্যোগ প্রয়োজন।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে চাল তুলে দেওয়া হয়।