ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজনৈতিক আশ্রয়ে মাদক-সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না : পানিসম্পদমন্ত্রী Logo মেসির অবসরের বিষয়ে বোমা ফাটালেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস Logo ঢাকার জন্য ডাক আসবে, ঘরে ঘরে লড়াইয়ের দুর্গ গড়তে হবে : জামায়াতের আমির Logo বিশ্বরেকর্ড! এক মিনিটে ৫২ স্টিল রিবার উৎপাদন করে গিনেসে একেএস Logo ক্যান্সারে আক্রান্ত শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন Logo ভারতে শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতার জন্য দায়ী কে? Logo তাং ওয়েই: ৪৭ বছর বয়সে মা হয়ে দিলেন সুখবর! Logo দুই দিনেই ১০০ কোটি পার, মুক্তির পরেই ঝড় তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শেষ ছবি Logo নতুন ডিজিটাল বিজ্ঞাপন নীতিমালা ২০২৬: বিদেশি কোম্পানির নিবন্ধন বাধ্যতামূলক Logo দারুণ আপডেট: আকিজ এভিয়েশন হেলিকপ্টার সেবা চালু, রোগী ও যাত্রী পরিবহনে নতুন যুগ

দুই দিনেই ১০০ কোটি পার, মুক্তির পরেই ঝড় তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শেষ ছবি

বিজয় অভিনীত জন নায়াগন ছবির পোস্টার। | ছবি: সংগৃহীত

জন নায়াগন ছবির আয় নিয়ে দর্শকমহলে তুঙ্গস্পর্শী উত্তেজনা তৈরি হলেও তা অতীতের রেকর্ডগুলো টপকাতে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের রাজনীতিতে নামার আগের শেষ ছবি হিসেবে গত ২৩ জুলাই শুভ মুক্তি পায় বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি। এইচ বিনোথ পরিচালিত এই অ্যাকশন থ্রিলারটি প্রেক্ষাগৃহে আসার পর প্রথম দুই দিনেই বিশ্বব্যাপী ১১২.৫০ কোটি রুপির বিশাল গ্রস সেল উপহার দিয়েছে। উদ্বোধনী দিনে ভারতে ৪২.৭০ কোটি রুপি আয় করলেও দ্বিতীয় দিনে সেই চিত্র কিছুটা বদলে গিয়ে সংগৃহীত হয় ২১.১৫ কোটি রুপি। বিশ্বজুড়ে বিজয়ের বিশাল ভক্তকূল থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দিনের ব্যবধানে সিনেমাটির সার্বিক আয়ের গতি কিছুটা মন্থর হতে দেখা গেছে। বক্স অফিস ট্র্যাকিং সংস্থা স্যাকনিলক এর মতে, দর্শক উপস্থিতি প্রথম দিনের ৪১.৬ শতাংশ থেকে নেমে দ্বিতীয় দিনে ২৯.৫ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়।

যদিও প্রাথমিক পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ, তবুও জন নায়াগন ছবির আয় বিজয়ের বিগত সুপারহিট সিনেমাগুলোর তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তাঁর ২০২৩ সালের ব্লকবাস্টার ‘লিও’ প্রথম দুই দিনেই বিশ্বব্যাপী রেকর্ড ২১০.২১ কোটি রুপি তুল তুলে নিয়েছিল। এমনকি ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া বিজয়ের ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ বা ‘গোট’ একই সময়ে বিশ্বজুড়ে হাঁকিয়েছিল ১৫২.৯৪ কোটি রুপি। কেবল আন্তর্জাতিক বাজারেই নয়, ভারতের অভ্যন্তরে নিট আয়ের দৌড়েও ‘লিও’ (৯৯.০৫ কোটি) এবং ‘গোট’ (৬৯.৫০ কোটি)-এর থেকে এই ছবিটি অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ৬৩.৮৫ কোটি রুপির নিট আয় নিয়ে ছবিটি আপাতত ঘরোয়া বাজারে যাত্রা শুরু করেছে, যা ভক্তদের প্রত্যাশার চেয়ে খানিকটা কম। তবুও বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হওয়ায় এটি নিয়ে সাধারণ দর্শকদের কৌতুহল এখনো বিন্দুপরিমাণ কমেনি।

আঞ্চলিক বাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, জন নায়াগন ছবির আয় সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে তামিলনাড়ুর বিশাল দর্শকশ্রোতার মাধ্যমে। বরাবরের মতো বিজয়ের ঘরের মাঠ তামিলনাড়ু থেকে প্রথম দুই দিনে সর্বোচ্চ ৪১ কোটি রুপি আয় এসেছে, যার মধ্যে প্রথম দিনেই ছিল ২৬ কোটি। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী রাজ্য কর্ণাটক থেকে ১৪.৪৭ কোটি রুপি এবং কেরালা থেকে ৭.৫০ কোটি রুপি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে ছবিটি। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা অঞ্চল মিলিয়ে এসেছে ৬.২৫ কোটি রুপি এবং ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে সংগৃহীত হয়েছে ৫.৭৮ কোটি রুপি। আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির ব্যাপক চাহিদা থাকায় বিদেশ থেকেও প্রথম দুই দিনে এসেছে প্রায় ৩৭.৫০ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে ভারতীয় মোট আয় ৭৫ কোটি এবং বৈদেশিক আয় যোগ হয়ে ১১২.৫০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

গল্পের প্রেক্ষাপটে বিজয়ের চরিত্র ও দুর্দান্ত অভিনয় জন নায়াগন ছবির আয় সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। গল্পে বিজয়কে দেখা যায় একজন সাবেক পুলিশ অফিসার ভেত্রি কন্ডনের চরিত্রে, যিনি অত্যন্ত আবেগঘন এক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যান। নিজের দত্তক নেওয়া কন্যা ভিজিকে (মামিথা বাইজু) দেশসেবায় সেনাসদস্য হিসেবে গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা রক্ষাই গল্পের মূল উপজীব্য। অন্যদিকে ছবির প্রধান খলনায়ক জন হিমলার চরিত্রে অভিনয় করে বলিউড তারকা ববি দেওল চিত্রনাট্যে এক দারুণ টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। দুই তারকার মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং অ্যাকশন দৃশ্যগুলো প্রেক্ষাগৃহে আগত দর্শক ও অনুরাগীদের মাঝে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে চিত্রনাট্যের কিছু দুর্বলতার কারণে সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে সিনেমাটি।

চলচ্চিত্র পর্যালোচকদের নেতিবাচক মন্তব্য সত্ত্বেও জন নায়াগন ছবির আয় বক্স অফিসে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ছবিটিকে ৫-এর মধ্যে মাত্র ২ তারকা দিয়ে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের পর্যালোচনায় বলা হয়, বিরতির পর গল্পটি হুট করেই তার মূল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং অপ্রয়োজনীয় অতিনাটকীয়তায় মোড় নেয়। তবে সমালোচকদের মতামত যাই হোক না কেন, বিজয়ের প্রতি ভক্তদের অগাধ ভালোবাসা এই বাণিজ্যিক ঘাটতি অনেকটাই পুষিয়ে দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, সামনের ছুটির দিনগুলোতে সিনেমাটি বক্স অফিসে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। বিজয়ের রুপালী পর্দার শেষ স্মারক হিসেবে ছবিটি ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেরিয়ে জন নায়াগন ছবির আয় সপ্তাহান্তে কত দূর গড়ায়, তা নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। সিনেমা সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত বক্স অফিস বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখতে পারেন স্যাকনিলক অফিসিয়াল সাইট-এ, যেখানে প্রতিদিনের আপডেটেড তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিজয়ের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি স্মরণীয় করতে তাঁর ভক্তরা যেভাবে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন, তা এক বিরল দৃশ্য। আগামী দিনগুলোতে বিশ্বব্যাপী আয়ের অঙ্ক কোথায় গিয়ে ঠেকে, তার ওপরই নির্ভর করছে এর চূড়ান্ত সাফল্য। তামিল ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে এই ছবি অনন্য স্থান করে নেবে কি না, তা সপ্তাহান্তের আয়ের পরেই পরিষ্কার হবে। তাই বিজয়ের এই বিদায়ী ঝড়ের পরবর্তী সব তাজা খবর পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক আশ্রয়ে মাদক-সন্ত্রাসের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না : পানিসম্পদমন্ত্রী

দুই দিনেই ১০০ কোটি পার, মুক্তির পরেই ঝড় তুলেছে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের শেষ ছবি

Update Time : ০৭:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

জন নায়াগন ছবির আয় নিয়ে দর্শকমহলে তুঙ্গস্পর্শী উত্তেজনা তৈরি হলেও তা অতীতের রেকর্ডগুলো টপকাতে কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের রাজনীতিতে নামার আগের শেষ ছবি হিসেবে গত ২৩ জুলাই শুভ মুক্তি পায় বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি। এইচ বিনোথ পরিচালিত এই অ্যাকশন থ্রিলারটি প্রেক্ষাগৃহে আসার পর প্রথম দুই দিনেই বিশ্বব্যাপী ১১২.৫০ কোটি রুপির বিশাল গ্রস সেল উপহার দিয়েছে। উদ্বোধনী দিনে ভারতে ৪২.৭০ কোটি রুপি আয় করলেও দ্বিতীয় দিনে সেই চিত্র কিছুটা বদলে গিয়ে সংগৃহীত হয় ২১.১৫ কোটি রুপি। বিশ্বজুড়ে বিজয়ের বিশাল ভক্তকূল থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় দিনের ব্যবধানে সিনেমাটির সার্বিক আয়ের গতি কিছুটা মন্থর হতে দেখা গেছে। বক্স অফিস ট্র্যাকিং সংস্থা স্যাকনিলক এর মতে, দর্শক উপস্থিতি প্রথম দিনের ৪১.৬ শতাংশ থেকে নেমে দ্বিতীয় দিনে ২৯.৫ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়।

যদিও প্রাথমিক পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ, তবুও জন নায়াগন ছবির আয় বিজয়ের বিগত সুপারহিট সিনেমাগুলোর তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, তাঁর ২০২৩ সালের ব্লকবাস্টার ‘লিও’ প্রথম দুই দিনেই বিশ্বব্যাপী রেকর্ড ২১০.২১ কোটি রুপি তুল তুলে নিয়েছিল। এমনকি ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া বিজয়ের ‘দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম’ বা ‘গোট’ একই সময়ে বিশ্বজুড়ে হাঁকিয়েছিল ১৫২.৯৪ কোটি রুপি। কেবল আন্তর্জাতিক বাজারেই নয়, ভারতের অভ্যন্তরে নিট আয়ের দৌড়েও ‘লিও’ (৯৯.০৫ কোটি) এবং ‘গোট’ (৬৯.৫০ কোটি)-এর থেকে এই ছবিটি অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। ৬৩.৮৫ কোটি রুপির নিট আয় নিয়ে ছবিটি আপাতত ঘরোয়া বাজারে যাত্রা শুরু করেছে, যা ভক্তদের প্রত্যাশার চেয়ে খানিকটা কম। তবুও বিজয়ের বিদায়ী চলচ্চিত্র হওয়ায় এটি নিয়ে সাধারণ দর্শকদের কৌতুহল এখনো বিন্দুপরিমাণ কমেনি।

আরও পড়ুন  তৃষা কৃষ্ণান-বিজয়: ভাইরাল ১ ছবিতে শেষ হলো গুঞ্জন?

আঞ্চলিক বাজারের দিকে তাকালে দেখা যায়, জন নায়াগন ছবির আয় সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে তামিলনাড়ুর বিশাল দর্শকশ্রোতার মাধ্যমে। বরাবরের মতো বিজয়ের ঘরের মাঠ তামিলনাড়ু থেকে প্রথম দুই দিনে সর্বোচ্চ ৪১ কোটি রুপি আয় এসেছে, যার মধ্যে প্রথম দিনেই ছিল ২৬ কোটি। এর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী রাজ্য কর্ণাটক থেকে ১৪.৪৭ কোটি রুপি এবং কেরালা থেকে ৭.৫০ কোটি রুপি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে ছবিটি। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা অঞ্চল মিলিয়ে এসেছে ৬.২৫ কোটি রুপি এবং ভারতের অন্যান্য রাজ্য থেকে সংগৃহীত হয়েছে ৫.৭৮ কোটি রুপি। আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির ব্যাপক চাহিদা থাকায় বিদেশ থেকেও প্রথম দুই দিনে এসেছে প্রায় ৩৭.৫০ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে ভারতীয় মোট আয় ৭৫ কোটি এবং বৈদেশিক আয় যোগ হয়ে ১১২.৫০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করেছে।

আরও পড়ুন  থালাপতি বিজয় রাজনীতি বক্তব্য নিয়ে আবার আলোচনায়

গল্পের প্রেক্ষাপটে বিজয়ের চরিত্র ও দুর্দান্ত অভিনয় জন নায়াগন ছবির আয় সচল রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। গল্পে বিজয়কে দেখা যায় একজন সাবেক পুলিশ অফিসার ভেত্রি কন্ডনের চরিত্রে, যিনি অত্যন্ত আবেগঘন এক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যান। নিজের দত্তক নেওয়া কন্যা ভিজিকে (মামিথা বাইজু) দেশসেবায় সেনাসদস্য হিসেবে গড়ে তোলার যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, তা রক্ষাই গল্পের মূল উপজীব্য। অন্যদিকে ছবির প্রধান খলনায়ক জন হিমলার চরিত্রে অভিনয় করে বলিউড তারকা ববি দেওল চিত্রনাট্যে এক দারুণ টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। দুই তারকার মুখোমুখি সংঘর্ষ এবং অ্যাকশন দৃশ্যগুলো প্রেক্ষাগৃহে আগত দর্শক ও অনুরাগীদের মাঝে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। তবে চিত্রনাট্যের কিছু দুর্বলতার কারণে সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে সিনেমাটি।

চলচ্চিত্র পর্যালোচকদের নেতিবাচক মন্তব্য সত্ত্বেও জন নায়াগন ছবির আয় বক্স অফিসে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের অন্যতম শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ছবিটিকে ৫-এর মধ্যে মাত্র ২ তারকা দিয়ে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের পর্যালোচনায় বলা হয়, বিরতির পর গল্পটি হুট করেই তার মূল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং অপ্রয়োজনীয় অতিনাটকীয়তায় মোড় নেয়। তবে সমালোচকদের মতামত যাই হোক না কেন, বিজয়ের প্রতি ভক্তদের অগাধ ভালোবাসা এই বাণিজ্যিক ঘাটতি অনেকটাই পুষিয়ে দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, সামনের ছুটির দিনগুলোতে সিনেমাটি বক্স অফিসে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে। বিজয়ের রুপালী পর্দার শেষ স্মারক হিসেবে ছবিটি ইতিহাস সৃষ্টি করতে পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

আরও পড়ুন  জয়া আহসানের সৌন্দর্যের সঙ্গে নিজের তুলনা: যা বললেন বিপাশা হায়াত

সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেরিয়ে জন নায়াগন ছবির আয় সপ্তাহান্তে কত দূর গড়ায়, তা নিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। সিনেমা সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত বক্স অফিস বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখতে পারেন স্যাকনিলক অফিসিয়াল সাইট-এ, যেখানে প্রতিদিনের আপডেটেড তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিজয়ের ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়টি স্মরণীয় করতে তাঁর ভক্তরা যেভাবে প্রেক্ষাগৃহগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন, তা এক বিরল দৃশ্য। আগামী দিনগুলোতে বিশ্বব্যাপী আয়ের অঙ্ক কোথায় গিয়ে ঠেকে, তার ওপরই নির্ভর করছে এর চূড়ান্ত সাফল্য। তামিল ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে এই ছবি অনন্য স্থান করে নেবে কি না, তা সপ্তাহান্তের আয়ের পরেই পরিষ্কার হবে। তাই বিজয়ের এই বিদায়ী ঝড়ের পরবর্তী সব তাজা খবর পেতে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে।